লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইয়েমেন সংঘাতে সৌদি মিত্রদের সরাসরি জড়ানোর সম্ভাবনা কম: আলমাসরি

প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫: ২৭

সৌদি আরবের রাজধানী লক্ষ্য করে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হলেও এর মাধ্যমে সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা কম বলে মনে করেন দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমাসরি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন।

মোহাম্মদ আলমাসরি মনে করেন, এই হামলার মাধ্যমে হুথিরা মূলত সৌদি আরবকে একটি সতর্কবার্তা দিতে চেয়েছে। তারা বোঝাতে চাইছে যে, চাইলে সৌদির পুরো তেল শিল্পকে অচল করে দেওয়ার সক্ষমতা হুথিদের রয়েছে। তবে ইয়েমেনের বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে চলমান এই লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা খুবই কম। বিশেষ করে বর্তমান পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটন নতুন কোনো যুদ্ধের ফ্রন্ট খুলতে আগ্রহী নয়। অবশ্য সংঘাত যদি দীর্ঘায়িত হয়, তবে এই সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

সৌদি আরব বর্তমানে একটি জটিল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে এই বিশ্লেষক বলেন, রিয়াদ তাদের বেশ কিছু মিত্র দেশের শরণাপন্ন হয়েছে। মিত্ররা তাদের লজিস্টিক সহায়তা, গোয়েন্দা তথ্য ও অস্ত্র সরবরাহ করলেও সরাসরি সামরিক যুদ্ধে জড়াতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। বিশেষ করে পাকিস্তান, তুরস্ক, মিশর বা যুক্তরাষ্ট্রের মতো মিত্রদের সরাসরি এই সংঘাতে নামার কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।

আলমাসরি আরও উল্লেখ করেন, হুথিরা শুরু থেকেই একটি বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে। তারা জানিয়েছে, সৌদি আরব ছাড়া অন্য কোনো দেশের জন্য বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ করার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই। ফলে এই অঞ্চলে বড় ধরনের কোনো সামরিক মোতায়েন বা হস্তক্ষেপের ঘটনা ঘটলে তিনি অবাকই হবেন বলে জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ

মহাসড়কের অব্যবহৃত ২৪টি ট্রমা সেন্টার দ্রুত চালুর উদ্যোগ সরকারের

ইয়েমেন সংঘাতে সৌদি মিত্রদের সরাসরি জড়ানোর সম্ভাবনা কম: আলমাসরি

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:৩২:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫: ২৭

সৌদি আরবের রাজধানী লক্ষ্য করে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হলেও এর মাধ্যমে সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা কম বলে মনে করেন দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমাসরি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন।

মোহাম্মদ আলমাসরি মনে করেন, এই হামলার মাধ্যমে হুথিরা মূলত সৌদি আরবকে একটি সতর্কবার্তা দিতে চেয়েছে। তারা বোঝাতে চাইছে যে, চাইলে সৌদির পুরো তেল শিল্পকে অচল করে দেওয়ার সক্ষমতা হুথিদের রয়েছে। তবে ইয়েমেনের বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে চলমান এই লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা খুবই কম। বিশেষ করে বর্তমান পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটন নতুন কোনো যুদ্ধের ফ্রন্ট খুলতে আগ্রহী নয়। অবশ্য সংঘাত যদি দীর্ঘায়িত হয়, তবে এই সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

সৌদি আরব বর্তমানে একটি জটিল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে এই বিশ্লেষক বলেন, রিয়াদ তাদের বেশ কিছু মিত্র দেশের শরণাপন্ন হয়েছে। মিত্ররা তাদের লজিস্টিক সহায়তা, গোয়েন্দা তথ্য ও অস্ত্র সরবরাহ করলেও সরাসরি সামরিক যুদ্ধে জড়াতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। বিশেষ করে পাকিস্তান, তুরস্ক, মিশর বা যুক্তরাষ্ট্রের মতো মিত্রদের সরাসরি এই সংঘাতে নামার কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।

আলমাসরি আরও উল্লেখ করেন, হুথিরা শুরু থেকেই একটি বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে। তারা জানিয়েছে, সৌদি আরব ছাড়া অন্য কোনো দেশের জন্য বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ করার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই। ফলে এই অঞ্চলে বড় ধরনের কোনো সামরিক মোতায়েন বা হস্তক্ষেপের ঘটনা ঘটলে তিনি অবাকই হবেন বলে জানান।