লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৬:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মধ্যরাতে বাড়ানো জ্বালানি তেলের দাম প্রত্যাহারের দাবি যাত্রীকল্যাণ সমিতির

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম নিম্নমুখী থাকা সত্ত্বেও দেশে মধ্যরাতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতি। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই বর্ধিত দাম দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানান।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, মূল্যস্ফীতি এবং জ্বালানি সংকটের কারণে অনেক কলকারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, যা বেকারত্ব বাড়িয়ে তুলছে। এমন একটি সংকটময় সময়ে নতুন সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র সাত মাসের মাথায় দ্বিতীয়বারের মতো জ্বালানির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জনজীবনে নতুন করে চাপ সৃষ্টি করবে।

যাত্রীকল্যাণ সমিতির মতে, জ্বালানি তেলের এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন ভাড়া এবং যাতায়াত ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি শিল্প উৎপাদনের খরচও অনেকাংশে বেড়ে যাবে। জনস্বার্থে বর্ধিত দাম প্রত্যাহার করে আগের মূল্য বহাল রাখার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জনস্বার্থে সরকার কোথাও ব্যবসা করবে এবং কোথাও ভর্তুকি দেবে—এটাই স্বাভাবিক। বর্তমান আর্থিক সংকটের সময়ে জ্বালানি খাতে ভর্তুকি বজায় রেখে অর্থনীতির চাকা সচল রাখা এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে জনগণের পাশে থাকা সরকারের দায়িত্ব। এ বিষয়ে সংগঠনের প্রচার সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রাসেল গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

১৮ ডিসেম্বর মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষা, বিজ্ঞপ্তি শিগগিরই

মধ্যরাতে বাড়ানো জ্বালানি তেলের দাম প্রত্যাহারের দাবি যাত্রীকল্যাণ সমিতির

প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম নিম্নমুখী থাকা সত্ত্বেও দেশে মধ্যরাতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতি। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই বর্ধিত দাম দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানান।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, মূল্যস্ফীতি এবং জ্বালানি সংকটের কারণে অনেক কলকারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, যা বেকারত্ব বাড়িয়ে তুলছে। এমন একটি সংকটময় সময়ে নতুন সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র সাত মাসের মাথায় দ্বিতীয়বারের মতো জ্বালানির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জনজীবনে নতুন করে চাপ সৃষ্টি করবে।

যাত্রীকল্যাণ সমিতির মতে, জ্বালানি তেলের এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন ভাড়া এবং যাতায়াত ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি শিল্প উৎপাদনের খরচও অনেকাংশে বেড়ে যাবে। জনস্বার্থে বর্ধিত দাম প্রত্যাহার করে আগের মূল্য বহাল রাখার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জনস্বার্থে সরকার কোথাও ব্যবসা করবে এবং কোথাও ভর্তুকি দেবে—এটাই স্বাভাবিক। বর্তমান আর্থিক সংকটের সময়ে জ্বালানি খাতে ভর্তুকি বজায় রেখে অর্থনীতির চাকা সচল রাখা এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে জনগণের পাশে থাকা সরকারের দায়িত্ব। এ বিষয়ে সংগঠনের প্রচার সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রাসেল গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।