লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৫:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তিন সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন ভোলার প্রতিবন্ধী রোকেয়া

ভোলার লালমোহন উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের খালের পাড়ের বাসিন্দা রোকেয়া বেগম এক বছর ধরে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন। শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে কর্মক্ষমতা না থাকায় তিনি নিজের ও তিন সন্তানের ভরণপোষণ নিয়ে পড়েছেন গভীর সংকটে। তার স্বামী মো. ইসমাইল এক বছর আগে কোনো কিছু না বলেই নিরুদ্দেশ হয়ে যান। এরপর থেকে স্বামী জীবিত নাকি মৃত, সে বিষয়ে কোনো তথ্যই জানেন না তিনি।

রোকেয়া জানান, নিজের কোনো স্থায়ী মাথা গোঁজার ঠাঁই না থাকায় পাশের বাড়ির এক আত্মীয়ের দয়ায় একটি ঝুপড়ি ঘরে সন্তানদের নিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। মানুষের দয়া ও সহযোগিতার ওপর নির্ভর করেই তাদের টিকে থাকতে হচ্ছে। প্রতিবন্ধী হওয়া সত্ত্বেও তিনি এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিবন্ধী ভাতা পাননি। তার ভাষ্যমতে, বিভিন্ন সময়ে অনেকেই তাকে সরকারি কার্ড বা সহায়তার আশ্বাস দিলেও পরবর্তীতে কেউ আর খোঁজ নেননি। সন্তানদের খাবার ও ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন।

এই অসহায় নারী এলাকার বিত্তবান মানুষ ও প্রশাসনের কাছে তার সন্তানদের দিকে তাকিয়ে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন। বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত মানবিক ও দুঃখজনক। ওই প্রতিবন্ধী নারী ও তার সন্তানদের বর্তমান পরিস্থিতির কথা তাদের নজরে এসেছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে প্রতিবন্ধী কার্ডসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতার ব্যবস্থা করা হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিগত সরকারের জিডিপি হিসাবে গরমিল, ফরেনসিক অডিটে অসংগতি শনাক্ত

তিন সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন ভোলার প্রতিবন্ধী রোকেয়া

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:৩২:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

ভোলার লালমোহন উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের খালের পাড়ের বাসিন্দা রোকেয়া বেগম এক বছর ধরে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন। শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে কর্মক্ষমতা না থাকায় তিনি নিজের ও তিন সন্তানের ভরণপোষণ নিয়ে পড়েছেন গভীর সংকটে। তার স্বামী মো. ইসমাইল এক বছর আগে কোনো কিছু না বলেই নিরুদ্দেশ হয়ে যান। এরপর থেকে স্বামী জীবিত নাকি মৃত, সে বিষয়ে কোনো তথ্যই জানেন না তিনি।

রোকেয়া জানান, নিজের কোনো স্থায়ী মাথা গোঁজার ঠাঁই না থাকায় পাশের বাড়ির এক আত্মীয়ের দয়ায় একটি ঝুপড়ি ঘরে সন্তানদের নিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। মানুষের দয়া ও সহযোগিতার ওপর নির্ভর করেই তাদের টিকে থাকতে হচ্ছে। প্রতিবন্ধী হওয়া সত্ত্বেও তিনি এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিবন্ধী ভাতা পাননি। তার ভাষ্যমতে, বিভিন্ন সময়ে অনেকেই তাকে সরকারি কার্ড বা সহায়তার আশ্বাস দিলেও পরবর্তীতে কেউ আর খোঁজ নেননি। সন্তানদের খাবার ও ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন।

এই অসহায় নারী এলাকার বিত্তবান মানুষ ও প্রশাসনের কাছে তার সন্তানদের দিকে তাকিয়ে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন। বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত মানবিক ও দুঃখজনক। ওই প্রতিবন্ধী নারী ও তার সন্তানদের বর্তমান পরিস্থিতির কথা তাদের নজরে এসেছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে প্রতিবন্ধী কার্ডসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতার ব্যবস্থা করা হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।