লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৩:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্রামাঞ্চলে নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করে শহরের চাপ কমাতে চায় সরকার

শহরাঞ্চলে জনসংখ্যার ক্রমবর্ধমান চাপ কমাতে সরকার গ্রামাঞ্চলে নাগরিক সুবিধা বাড়ানোর বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (৫ অক্টোবর) বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরের সঙ্গে সারাদেশের যোগাযোগব্যবস্থা আরও দ্রুত, সাশ্রয়ী ও নিরাপদ করার পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলে নাগরিক সুবিধা বাড়ানো হলে শহরমুখী মানুষের চাপ কমানো সম্ভব। সরকার এটিকে একটি কার্যকর বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করছে এবং এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

তারেক রহমান বলেন, দেশের বিদ্যমান নগরায়ণ পরিস্থিতিতে রাজধানী এবং কয়েকটি বড় শহরের ওপর যে কেন্দ্রীভূত উন্নয়নের চাপ রয়েছে, তা থেকে বেরিয়ে আসতে সরকার প্রতিটি অঞ্চলকে জাতীয় উন্নয়নের মূল ধারায় সম্পৃক্ত করতে কাজ করছে। সরকারের লক্ষ্য কেন্দ্রীভূত নগরায়ণ নয়, বরং বিকেন্দ্রীভূত ও ভারসাম্যপূর্ণ আঞ্চলিক উন্নয়ন। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে সারা বাংলাদেশের জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং ঢাকার আশপাশে সেকেন্ডারি টাউনশিপ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাসযোগ্য আবাসন নিশ্চিতে পরিবেশ রক্ষার বিষয়টিকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রকৃতি ও পরিবেশকে প্রাধান্য দিয়েই জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পরিকল্পিত আবাসন গড়ে তোলা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকার সর্বজনীন বাসস্থান নিশ্চিত করতে আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। তবে এই আবাসন সংকট মোকাবেলা সরকারের একার পক্ষে কিছুটা কষ্টসাধ্য। তাই আবাসন খাত সংশ্লিষ্ট বেসরকারি উদ্যোক্তাসহ সকল অংশীজনের সমন্বিত অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।

নাগরিকদের মৌলিক অধিকার হিসেবে সবার জন্য সাশ্রয়ী, পরিবেশসম্মত ও নিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিত করতে সরকার ব্লক ভিত্তিক আবাসন, এলাকাভিত্তিক পার্ক ও খেলার মাঠ নির্মাণ এবং নির্ধারিত জোনে শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। পর্যায়ক্রমে গৃহীত এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে সবার জন্য নিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সুস্থ হয়ে আরব আমিরাতে দলের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন নাজমুল শান্ত

গ্রামাঞ্চলে নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করে শহরের চাপ কমাতে চায় সরকার

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:৩২:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

শহরাঞ্চলে জনসংখ্যার ক্রমবর্ধমান চাপ কমাতে সরকার গ্রামাঞ্চলে নাগরিক সুবিধা বাড়ানোর বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (৫ অক্টোবর) বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরের সঙ্গে সারাদেশের যোগাযোগব্যবস্থা আরও দ্রুত, সাশ্রয়ী ও নিরাপদ করার পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলে নাগরিক সুবিধা বাড়ানো হলে শহরমুখী মানুষের চাপ কমানো সম্ভব। সরকার এটিকে একটি কার্যকর বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করছে এবং এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

তারেক রহমান বলেন, দেশের বিদ্যমান নগরায়ণ পরিস্থিতিতে রাজধানী এবং কয়েকটি বড় শহরের ওপর যে কেন্দ্রীভূত উন্নয়নের চাপ রয়েছে, তা থেকে বেরিয়ে আসতে সরকার প্রতিটি অঞ্চলকে জাতীয় উন্নয়নের মূল ধারায় সম্পৃক্ত করতে কাজ করছে। সরকারের লক্ষ্য কেন্দ্রীভূত নগরায়ণ নয়, বরং বিকেন্দ্রীভূত ও ভারসাম্যপূর্ণ আঞ্চলিক উন্নয়ন। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে সারা বাংলাদেশের জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং ঢাকার আশপাশে সেকেন্ডারি টাউনশিপ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাসযোগ্য আবাসন নিশ্চিতে পরিবেশ রক্ষার বিষয়টিকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রকৃতি ও পরিবেশকে প্রাধান্য দিয়েই জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পরিকল্পিত আবাসন গড়ে তোলা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকার সর্বজনীন বাসস্থান নিশ্চিত করতে আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। তবে এই আবাসন সংকট মোকাবেলা সরকারের একার পক্ষে কিছুটা কষ্টসাধ্য। তাই আবাসন খাত সংশ্লিষ্ট বেসরকারি উদ্যোক্তাসহ সকল অংশীজনের সমন্বিত অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।

নাগরিকদের মৌলিক অধিকার হিসেবে সবার জন্য সাশ্রয়ী, পরিবেশসম্মত ও নিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিত করতে সরকার ব্লক ভিত্তিক আবাসন, এলাকাভিত্তিক পার্ক ও খেলার মাঠ নির্মাণ এবং নির্ধারিত জোনে শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। পর্যায়ক্রমে গৃহীত এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে সবার জন্য নিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।