লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে নাটকীয় লড়াইয়ের পর জয় তুলে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। আটলান্টা স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে পরাজিত করে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছেন লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। ম্যাচের আগে ইংল্যান্ডের সাবেক ফুটবলারদের করা বিভিন্ন কটাক্ষের কড়া জবাব আর্জেন্টিনা দিয়েছে মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে।

ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল গোলশূন্য এবং রক্ষণাত্মক কৌশলে ভরা। ৪৫ মিনিট পর্যন্ত কোনো দলই লক্ষ্যে শট নিতে পারেনি, তবে ফাউলের আধিক্য ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রথমার্ধে মোট ১৯টি ফাউলের মধ্যে আর্জেন্টিনা ১২টি এবং ইংল্যান্ড ৭টি ফাউল করে। দ্বিতীয়ার্ধের ৫৫ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে ইংল্যান্ড এগিয়ে গেলে চাপে পড়ে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তবে আর্জেন্টিনা হাল ছাড়েনি। ৬৪ মিনিটে বদলি হিসেবে নামা নিকোলাস গঞ্জালেজ গোল করার ভালো সুযোগ তৈরি করলেও ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড তা রুখে দেন।

ম্যাচের মোড় ঘোরে কোচ লিওনেল স্কালোনির কৌশলী পরিবর্তনের মাধ্যমে। ৭২ মিনিটে তিনি একসঙ্গে তিনটি পরিবর্তন আনেন। ৮৫ মিনিটে কর্নার থেকে লিওনেল মেসির বাড়ানো বলে দূরপাল্লার শটে সমতা ফেরান এনজো ফার্নান্দেজ। এরপর যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে মেসির নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে জয়সূচক গোলটি করেন লাউতারো মার্টিনেজ।

এই জয়ে বিশ্বকাপে টানা চতুর্থবার পিছিয়ে পড়েও ম্যাচ জয়ের রেকর্ড গড়ল আর্জেন্টিনা। এর আগে কেপ ভার্দে, মিশর ও সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষেও তারা এমনভাবে জয় তুলে নিয়েছিল। এবারের বিশ্বকাপে মেসির গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮টি এবং অ্যাসিস্ট ৪টি, যার ফলে তিনি গোল্ডেন বুটের দৌড়েও শীর্ষে রয়েছেন। টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠে শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন এখন আলবিসেলেস্তেদের হাতের নাগালে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢামেকের ৮ তলা থেকে লাফিয়ে চিকিৎসাধীন তরুণীর মৃত্যু

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:১৫:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে নাটকীয় লড়াইয়ের পর জয় তুলে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। আটলান্টা স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে পরাজিত করে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছেন লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। ম্যাচের আগে ইংল্যান্ডের সাবেক ফুটবলারদের করা বিভিন্ন কটাক্ষের কড়া জবাব আর্জেন্টিনা দিয়েছে মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে।

ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল গোলশূন্য এবং রক্ষণাত্মক কৌশলে ভরা। ৪৫ মিনিট পর্যন্ত কোনো দলই লক্ষ্যে শট নিতে পারেনি, তবে ফাউলের আধিক্য ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রথমার্ধে মোট ১৯টি ফাউলের মধ্যে আর্জেন্টিনা ১২টি এবং ইংল্যান্ড ৭টি ফাউল করে। দ্বিতীয়ার্ধের ৫৫ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে ইংল্যান্ড এগিয়ে গেলে চাপে পড়ে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তবে আর্জেন্টিনা হাল ছাড়েনি। ৬৪ মিনিটে বদলি হিসেবে নামা নিকোলাস গঞ্জালেজ গোল করার ভালো সুযোগ তৈরি করলেও ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড তা রুখে দেন।

ম্যাচের মোড় ঘোরে কোচ লিওনেল স্কালোনির কৌশলী পরিবর্তনের মাধ্যমে। ৭২ মিনিটে তিনি একসঙ্গে তিনটি পরিবর্তন আনেন। ৮৫ মিনিটে কর্নার থেকে লিওনেল মেসির বাড়ানো বলে দূরপাল্লার শটে সমতা ফেরান এনজো ফার্নান্দেজ। এরপর যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে মেসির নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে জয়সূচক গোলটি করেন লাউতারো মার্টিনেজ।

এই জয়ে বিশ্বকাপে টানা চতুর্থবার পিছিয়ে পড়েও ম্যাচ জয়ের রেকর্ড গড়ল আর্জেন্টিনা। এর আগে কেপ ভার্দে, মিশর ও সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষেও তারা এমনভাবে জয় তুলে নিয়েছিল। এবারের বিশ্বকাপে মেসির গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮টি এবং অ্যাসিস্ট ৪টি, যার ফলে তিনি গোল্ডেন বুটের দৌড়েও শীর্ষে রয়েছেন। টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠে শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন এখন আলবিসেলেস্তেদের হাতের নাগালে।