লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৯:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১ মিনিটে সব দেশ ও ২৩ সেকেন্ডে ৬৪ জেলার নাম বলেন ইসমাইল

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার এক মাদরাসাছাত্রের অসাধারণ স্মৃতিশক্তি ও প্রতিভা স্থানীয়ভাবে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। মাত্র এক মিনিটে বিশ্বের সব দেশের নাম মুখস্থ বলে দিতে পারেন তিনি। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের ৬৪টি জেলা ও ৪৯৫টি উপজেলার নাম বলতে তার সময় লাগে মাত্র ৩ মিনিট ৪০ সেকেন্ড। আর কেবল ৬৪টি জেলার নাম তিনি আওড়াতে পারেন মাত্র ২৩ সেকেন্ডে।

বিস্ময়কর এই প্রতিভার অধিকারী তরুণটির নাম ইসমাইল হোসেন জালালী। তিনি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের আমড়াতৈল গ্রামের শফিকুল ইসলাম জালালীর ছেলে। বর্তমানে তিনি গাজীপুরের টঙ্গীতে অবস্থিত তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার টঙ্গী ক্যাম্পাসের আলিম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। ভৌগোলিক তথ্যের পাশাপাশি সুমধুর কণ্ঠে আজান দেওয়া এবং মহান আল্লাহর ৯৯টি নাম পাঠ করার ক্ষেত্রেও তার বিশেষ দক্ষতা রয়েছে।

নিজের এই অনন্য অর্জন সম্পর্কে ইসমাইল হোসেন জালালী জানান, ছোটবেলা থেকেই বিশ্বের মানচিত্র, বিভিন্ন দেশের অবস্থান ও বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে তার মনে প্রবল কৌতূহল ছিল। সেই আগ্রহ থেকেই তিনি নিয়মিত পড়াশোনা ও অনুশীলন শুরু করেন। তিনি বলেন, “ছোটবেলা থেকেই মানচিত্র ও বিভিন্ন দেশের বিষয়ে জানার প্রতি আমার খুব আগ্রহ ছিল। কৌতূহলবশত বিভিন্ন তথ্য জানতে ও শিখতে গিয়ে আল্লাহ তাআলা আমাকে এই জ্ঞান দান করেছেন।”

ভবিষ্যতে দ্বীনের একজন বড় আলেম হয়ে ইসলামের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করার স্বপ্ন দেখছেন ইসমাইল। সবার কাছে দোয়া চেয়ে তিনি বলেন, “আমি যেন দ্বীনি শিক্ষায় নিজেকে আরও সমৃদ্ধ করতে পারি এবং ইসলামের খেদমতে কাজ করতে পারি, সেজন্য সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।”

ইসমাইলের এই মেধা ও একাগ্রতা তাকে নিজের এলাকায় তুমুল প্রশংসিত করেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বজনদের প্রত্যাশা, সঠিক পরিচর্যা পেলে তিনি ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে পারবেন। বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য বাবুল হোসেন জানান, ইসমাইলের বাড়ি তার ওয়ার্ডেই এবং তার বাবা স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম। ছোটবেলা থেকেই ইসমাইল ব্যতিক্রমী সব বিষয় নিয়ে চর্চা করতেন। নিয়মিত এই অনুশীলনের ফলেই আজ তিনি এমন বিস্ময়কর মেধার অধিকারী হয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

বরুড়ায় এ.কে.এম. আবু তাহের ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের শুভ উদ্বোধন করলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী

১ মিনিটে সব দেশ ও ২৩ সেকেন্ডে ৬৪ জেলার নাম বলেন ইসমাইল

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:১৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার এক মাদরাসাছাত্রের অসাধারণ স্মৃতিশক্তি ও প্রতিভা স্থানীয়ভাবে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। মাত্র এক মিনিটে বিশ্বের সব দেশের নাম মুখস্থ বলে দিতে পারেন তিনি। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের ৬৪টি জেলা ও ৪৯৫টি উপজেলার নাম বলতে তার সময় লাগে মাত্র ৩ মিনিট ৪০ সেকেন্ড। আর কেবল ৬৪টি জেলার নাম তিনি আওড়াতে পারেন মাত্র ২৩ সেকেন্ডে।

বিস্ময়কর এই প্রতিভার অধিকারী তরুণটির নাম ইসমাইল হোসেন জালালী। তিনি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের আমড়াতৈল গ্রামের শফিকুল ইসলাম জালালীর ছেলে। বর্তমানে তিনি গাজীপুরের টঙ্গীতে অবস্থিত তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার টঙ্গী ক্যাম্পাসের আলিম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। ভৌগোলিক তথ্যের পাশাপাশি সুমধুর কণ্ঠে আজান দেওয়া এবং মহান আল্লাহর ৯৯টি নাম পাঠ করার ক্ষেত্রেও তার বিশেষ দক্ষতা রয়েছে।

নিজের এই অনন্য অর্জন সম্পর্কে ইসমাইল হোসেন জালালী জানান, ছোটবেলা থেকেই বিশ্বের মানচিত্র, বিভিন্ন দেশের অবস্থান ও বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে তার মনে প্রবল কৌতূহল ছিল। সেই আগ্রহ থেকেই তিনি নিয়মিত পড়াশোনা ও অনুশীলন শুরু করেন। তিনি বলেন, “ছোটবেলা থেকেই মানচিত্র ও বিভিন্ন দেশের বিষয়ে জানার প্রতি আমার খুব আগ্রহ ছিল। কৌতূহলবশত বিভিন্ন তথ্য জানতে ও শিখতে গিয়ে আল্লাহ তাআলা আমাকে এই জ্ঞান দান করেছেন।”

ভবিষ্যতে দ্বীনের একজন বড় আলেম হয়ে ইসলামের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করার স্বপ্ন দেখছেন ইসমাইল। সবার কাছে দোয়া চেয়ে তিনি বলেন, “আমি যেন দ্বীনি শিক্ষায় নিজেকে আরও সমৃদ্ধ করতে পারি এবং ইসলামের খেদমতে কাজ করতে পারি, সেজন্য সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।”

ইসমাইলের এই মেধা ও একাগ্রতা তাকে নিজের এলাকায় তুমুল প্রশংসিত করেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বজনদের প্রত্যাশা, সঠিক পরিচর্যা পেলে তিনি ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে পারবেন। বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য বাবুল হোসেন জানান, ইসমাইলের বাড়ি তার ওয়ার্ডেই এবং তার বাবা স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম। ছোটবেলা থেকেই ইসমাইল ব্যতিক্রমী সব বিষয় নিয়ে চর্চা করতেন। নিয়মিত এই অনুশীলনের ফলেই আজ তিনি এমন বিস্ময়কর মেধার অধিকারী হয়েছেন।