লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৬:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুলাই আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ বিচারের প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর

ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে নিহত ও হতাহতদের পরিবারের শোকাহত সদস্যদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা করেছেন যে, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে সম্পন্ন করা হবে। বুধবার সকালে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার স্বার্থে প্রতিটি অপরাধের বিচার হওয়া বর্তমান সরকারের জন্য অত্যন্ত জরুরি। বিগত ১৭ বছর এবং জুলাই আন্দোলনের সময় যারা শহীদ হয়েছেন কিংবা গুম ও খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের স্মরণে নিজ নিজ এলাকায় যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানের নামকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর সম্পর্কে তিনি বলেন, দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ আশা করে যে, এই জাদুঘর কোনো নির্দিষ্ট দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির একক রাজনৈতিক ভাষ্য তৈরির স্থান হবে না। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি বা দলের নয়, বরং এর মহানায়ক হলো বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী মানুষ।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের জন্য, আর ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান ছিল সেই স্বাধীনতা ও জনগণের অধিকার রক্ষার লড়াই। একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধাদের যেমন মানুষ শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের শহীদদেরও জনগণ একইভাবে চিরকাল মনে রাখবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজাপুরে চোরের আঙুল কামড়ে বিচ্ছিন্ন করলেন প্রবাসীর স্ত্রী

জুলাই আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ বিচারের প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:৩৭:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে নিহত ও হতাহতদের পরিবারের শোকাহত সদস্যদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা করেছেন যে, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে সম্পন্ন করা হবে। বুধবার সকালে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার স্বার্থে প্রতিটি অপরাধের বিচার হওয়া বর্তমান সরকারের জন্য অত্যন্ত জরুরি। বিগত ১৭ বছর এবং জুলাই আন্দোলনের সময় যারা শহীদ হয়েছেন কিংবা গুম ও খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের স্মরণে নিজ নিজ এলাকায় যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানের নামকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর সম্পর্কে তিনি বলেন, দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ আশা করে যে, এই জাদুঘর কোনো নির্দিষ্ট দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির একক রাজনৈতিক ভাষ্য তৈরির স্থান হবে না। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি বা দলের নয়, বরং এর মহানায়ক হলো বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী মানুষ।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের জন্য, আর ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান ছিল সেই স্বাধীনতা ও জনগণের অধিকার রক্ষার লড়াই। একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধাদের যেমন মানুষ শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের শহীদদেরও জনগণ একইভাবে চিরকাল মনে রাখবে।