লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভোক্তা অধিকার আইনে আসছে বাড়ি ভাড়া ও ই-কমার্স, বাড়ছে শাস্তি

২০০৯ সালের ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনকে আরও যুগোপযোগী করতে ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রস্তাবিত এই আইনের একটি খসড়াও প্রস্তুত করা হয়েছে। নতুন এই আইন পাস হলে শিক্ষা, বাড়ি ভাড়া, ইন্টারনেট, লন্ড্রি, টেইলারিং, সেলুন ও কুরিয়ার সার্ভিসের মতো বিভিন্ন সেবা খাত সরাসরি ভোক্তা আইনের আওতায় চলে আসবে। একই সঙ্গে ই-কমার্স ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ব্যবসার জন্য নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করাসহ বিভিন্ন অপরাধে জরিমানা ও শাস্তির পরিমাণও বাড়ানো হচ্ছে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম এ বিষয়ে জানান, আইনের পরিধি বাড়ানোর ক্ষেত্রে ই-কমার্স বা ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে গড়ে ওঠা ব্যবসাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, কারণ এটি এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি খাত। তিনি আরও বলেন, আইন প্রয়োগের আওতা বাড়ানোর পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে জরিমানার পরিমাণ বাড়ানো হচ্ছে এবং সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আপিল করার সুযোগ রেখে নতুন ধারা যুক্ত করা হচ্ছে। খসড়া অনুযায়ী, নতুন এই আইনের আওতায় শিক্ষা, টেইলারিং, সেলুন ও বিউটি কেয়ার, ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস, কুরিয়ার সার্ভিস, বাড়ি ভাড়া, লন্ড্রি, ইন্টারনেট, মেরামত, ক্যাটারিং, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, ম্যারেজ মিডিয়া, ইন্টেরিয়র ডিজাইন, রিক্রুটিং এজেন্সি ও কনসালটেন্সিসহ বিভিন্ন সেবা খাতের বিরুদ্ধে আসা অভিযোগের নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে। বর্তমানে আইনি সীমাবদ্ধতার কারণে এসব খাতের সব অভিযোগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না।

নতুন খসড়া আইনে ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠানের জন্য নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। খসড়ায় ২১ক ধারা যুক্ত করে ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, স্থগিত ও বাতিলে বিধান রাখা হয়েছে। পণ্য বা সেবা বিক্রয়কারী ওয়েবসাইট কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক সব ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসা শুরুর আগে নির্ধারিত শর্তে নিবন্ধিত হতে হবে এবং নির্দিষ্ট সময় পর তা নবায়ন করতে হবে। এছাড়া, ডিজিটাল বিজনেস আইডেন্টিটি (ডিবিআইডি) প্রদর্শন না করে ব্যবসা পরিচালনা করলে বা প্রতিশ্রুত সেবা দিতে ব্যর্থ হলে এক বছরের কারাদণ্ড, দুই লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হচ্ছে। বর্তমান আইনে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান থাকলেও সংশোধিত আইনের ৩৭ ধারায় তা বাড়িয়ে এক বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক দুই লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের প্রস্তাব করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি ছাড়া ডিজিটাল গিফট কার্ড, ডিজিটাল ওয়ালেট বা ক্যাশ ভাউচার ব্যবহারের সুযোগ বন্ধ করতেও নতুন ধারা যুক্ত হচ্ছে। ই-কমার্স তদারকির স্বার্থে পেমেন্ট গেটওয়ে বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডারদের কাছ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের ক্ষমতা পাবে অধিদপ্তর। নির্দিষ্ট অপরাধে কোনো প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ বা স্থগিত করার ক্ষমতাও দেওয়া হচ্ছে অধিদপ্তরকে।

নতুন আইনের আওতায় অনলাইন জুয়া, বেটিংয়ের আয়োজন বা এতে সহায়তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার প্রস্তাব করা হয়েছে। খসড়ার ৪১-এর ক ধারায় নিষিদ্ধ পণ্য, ওষুধ বা সেবার বিজ্ঞাপন প্রকাশ এবং অনলাইন জুয়া বা বেটিংয়ের আয়োজনের জন্য দুই বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক তিন লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির উদ্দেশ্যে কোনো পণ্য বা ওষুধ অসাধুভাবে মজুত করলে অনূর্ধ্ব দুই বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের প্রস্তাব করা হয়েছে খসড়ার ৪৩ক ধারায়। নতুন আইন পাস হলে ওষুধে ভেজাল বা নকল ওষুধ তৈরির বিষয়ে অনুসন্ধান করতে পারবে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এমন অপরাধের প্রমাণ পেলে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ কমিশনার বা পুলিশ সুপারকে মামলা করার অনুরোধ করতে পারবেন। পাশাপাশি অসত্য বিজ্ঞাপন বা তথ্য প্রচারের মাধ্যমে ক্রেতাদের প্রতারিত করা হচ্ছে কি না, তা তদারকি করাসহ শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শন ও তদন্তের ক্ষমতাও পাবে অধিদপ্তর।

আইনের এই সংশোধনীর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ভোক্তা সংগঠন ক্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন বলেন, ২০০৯ সালের আইনে বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল। ওই সময়ে অনলাইন ব্যবসার এতটা বিস্তার ঘটেনি। কিন্তু বর্তমানে অনলাইনভিত্তিক ব্যবসা দ্রুত সম্প্রসারিত হয়েছে, যার ফলে ২০০৯ সালের আইনটি আর পুরোপুরি যুগোপযোগী ছিল না। তিনি বলেন, ক্যাবের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরে আইনটি সংশোধনের দাবি জানানো হচ্ছিল এবং দেরিতে হলেও এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, খসড়াটি নিয়ে সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিগগিরই এটি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে সাধারণ মানুষের মতামতের জন্য প্রকাশ করা হবে। এরপর আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য খসড়াটি মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নেতানিয়াহুর পরোয়ানা প্রত্যাহারে আইসিসির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রস্তুতি

ভোক্তা অধিকার আইনে আসছে বাড়ি ভাড়া ও ই-কমার্স, বাড়ছে শাস্তি

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:০৭:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২০০৯ সালের ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনকে আরও যুগোপযোগী করতে ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রস্তাবিত এই আইনের একটি খসড়াও প্রস্তুত করা হয়েছে। নতুন এই আইন পাস হলে শিক্ষা, বাড়ি ভাড়া, ইন্টারনেট, লন্ড্রি, টেইলারিং, সেলুন ও কুরিয়ার সার্ভিসের মতো বিভিন্ন সেবা খাত সরাসরি ভোক্তা আইনের আওতায় চলে আসবে। একই সঙ্গে ই-কমার্স ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ব্যবসার জন্য নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করাসহ বিভিন্ন অপরাধে জরিমানা ও শাস্তির পরিমাণও বাড়ানো হচ্ছে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম এ বিষয়ে জানান, আইনের পরিধি বাড়ানোর ক্ষেত্রে ই-কমার্স বা ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে গড়ে ওঠা ব্যবসাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, কারণ এটি এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি খাত। তিনি আরও বলেন, আইন প্রয়োগের আওতা বাড়ানোর পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে জরিমানার পরিমাণ বাড়ানো হচ্ছে এবং সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আপিল করার সুযোগ রেখে নতুন ধারা যুক্ত করা হচ্ছে। খসড়া অনুযায়ী, নতুন এই আইনের আওতায় শিক্ষা, টেইলারিং, সেলুন ও বিউটি কেয়ার, ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস, কুরিয়ার সার্ভিস, বাড়ি ভাড়া, লন্ড্রি, ইন্টারনেট, মেরামত, ক্যাটারিং, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, ম্যারেজ মিডিয়া, ইন্টেরিয়র ডিজাইন, রিক্রুটিং এজেন্সি ও কনসালটেন্সিসহ বিভিন্ন সেবা খাতের বিরুদ্ধে আসা অভিযোগের নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে। বর্তমানে আইনি সীমাবদ্ধতার কারণে এসব খাতের সব অভিযোগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না।

নতুন খসড়া আইনে ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠানের জন্য নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। খসড়ায় ২১ক ধারা যুক্ত করে ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, স্থগিত ও বাতিলে বিধান রাখা হয়েছে। পণ্য বা সেবা বিক্রয়কারী ওয়েবসাইট কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক সব ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসা শুরুর আগে নির্ধারিত শর্তে নিবন্ধিত হতে হবে এবং নির্দিষ্ট সময় পর তা নবায়ন করতে হবে। এছাড়া, ডিজিটাল বিজনেস আইডেন্টিটি (ডিবিআইডি) প্রদর্শন না করে ব্যবসা পরিচালনা করলে বা প্রতিশ্রুত সেবা দিতে ব্যর্থ হলে এক বছরের কারাদণ্ড, দুই লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হচ্ছে। বর্তমান আইনে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান থাকলেও সংশোধিত আইনের ৩৭ ধারায় তা বাড়িয়ে এক বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক দুই লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের প্রস্তাব করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি ছাড়া ডিজিটাল গিফট কার্ড, ডিজিটাল ওয়ালেট বা ক্যাশ ভাউচার ব্যবহারের সুযোগ বন্ধ করতেও নতুন ধারা যুক্ত হচ্ছে। ই-কমার্স তদারকির স্বার্থে পেমেন্ট গেটওয়ে বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডারদের কাছ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের ক্ষমতা পাবে অধিদপ্তর। নির্দিষ্ট অপরাধে কোনো প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ বা স্থগিত করার ক্ষমতাও দেওয়া হচ্ছে অধিদপ্তরকে।

নতুন আইনের আওতায় অনলাইন জুয়া, বেটিংয়ের আয়োজন বা এতে সহায়তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার প্রস্তাব করা হয়েছে। খসড়ার ৪১-এর ক ধারায় নিষিদ্ধ পণ্য, ওষুধ বা সেবার বিজ্ঞাপন প্রকাশ এবং অনলাইন জুয়া বা বেটিংয়ের আয়োজনের জন্য দুই বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক তিন লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির উদ্দেশ্যে কোনো পণ্য বা ওষুধ অসাধুভাবে মজুত করলে অনূর্ধ্ব দুই বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের প্রস্তাব করা হয়েছে খসড়ার ৪৩ক ধারায়। নতুন আইন পাস হলে ওষুধে ভেজাল বা নকল ওষুধ তৈরির বিষয়ে অনুসন্ধান করতে পারবে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এমন অপরাধের প্রমাণ পেলে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ কমিশনার বা পুলিশ সুপারকে মামলা করার অনুরোধ করতে পারবেন। পাশাপাশি অসত্য বিজ্ঞাপন বা তথ্য প্রচারের মাধ্যমে ক্রেতাদের প্রতারিত করা হচ্ছে কি না, তা তদারকি করাসহ শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শন ও তদন্তের ক্ষমতাও পাবে অধিদপ্তর।

আইনের এই সংশোধনীর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ভোক্তা সংগঠন ক্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন বলেন, ২০০৯ সালের আইনে বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল। ওই সময়ে অনলাইন ব্যবসার এতটা বিস্তার ঘটেনি। কিন্তু বর্তমানে অনলাইনভিত্তিক ব্যবসা দ্রুত সম্প্রসারিত হয়েছে, যার ফলে ২০০৯ সালের আইনটি আর পুরোপুরি যুগোপযোগী ছিল না। তিনি বলেন, ক্যাবের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরে আইনটি সংশোধনের দাবি জানানো হচ্ছিল এবং দেরিতে হলেও এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, খসড়াটি নিয়ে সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিগগিরই এটি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে সাধারণ মানুষের মতামতের জন্য প্রকাশ করা হবে। এরপর আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য খসড়াটি মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে।