লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণ, হরমুজ প্রণালিতে নতুন উত্তেজনা

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কেশম দ্বীপসহ কয়েকটি এলাকায় শনিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে।

ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, এসব বিস্ফোরণের সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের চলমান সামরিক তৎপরতার যোগসূত্র থাকতে পারে। তবে এসব এলাকায় কোনো ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে কি না, তা নিয়ে ইরানি কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রদান করেনি।

ঘটনাটি নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করেছে আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি। সংস্থাটি একটি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, কেশম দ্বীপে শোনা বিস্ফোরণের শব্দের সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কোনো সম্পর্ক নেই।

এদিকে রোববার ভোরে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌবাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের সময় মাইনে আঘাত লেগে দুটি তেলবাহী জাহাজে আগুন ধরে গেছে। বাহিনীটির দাবি অনুযায়ী, জাহাজ দুটি 'অনুমোদনহীন পথে' চলাচলের চেষ্টা করছিল। তবে দক্ষিণ ইরানের বিভিন্ন এলাকায় শোনা বিস্ফোরণের সঙ্গে এই তেলবাহী জাহাজ দুটির ঘটনার কোনো সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই দ্বীপটিতে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছিল। মার্কিন এক কর্মকর্তার দাবি অনুযায়ী, সেই হামলাটি ছিল সীমিত পরিসরের এবং এর মাধ্যমে বড় কোনো সামরিক অভিযান শুরু করা হয়নি বলেও তিনি দাবি করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদিতে এক সপ্তাহে ৯ হাজার ৫৮৯ অবৈধ অভিবাসী ফেরত

ইরানের কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণ, হরমুজ প্রণালিতে নতুন উত্তেজনা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:৩১:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কেশম দ্বীপসহ কয়েকটি এলাকায় শনিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে।

ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, এসব বিস্ফোরণের সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের চলমান সামরিক তৎপরতার যোগসূত্র থাকতে পারে। তবে এসব এলাকায় কোনো ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে কি না, তা নিয়ে ইরানি কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রদান করেনি।

ঘটনাটি নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করেছে আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি। সংস্থাটি একটি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, কেশম দ্বীপে শোনা বিস্ফোরণের শব্দের সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কোনো সম্পর্ক নেই।

এদিকে রোববার ভোরে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌবাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের সময় মাইনে আঘাত লেগে দুটি তেলবাহী জাহাজে আগুন ধরে গেছে। বাহিনীটির দাবি অনুযায়ী, জাহাজ দুটি 'অনুমোদনহীন পথে' চলাচলের চেষ্টা করছিল। তবে দক্ষিণ ইরানের বিভিন্ন এলাকায় শোনা বিস্ফোরণের সঙ্গে এই তেলবাহী জাহাজ দুটির ঘটনার কোনো সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই দ্বীপটিতে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছিল। মার্কিন এক কর্মকর্তার দাবি অনুযায়ী, সেই হামলাটি ছিল সীমিত পরিসরের এবং এর মাধ্যমে বড় কোনো সামরিক অভিযান শুরু করা হয়নি বলেও তিনি দাবি করেন।