লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামের ডাকনীর-পাঠ বাজারে ৪০ বছরের সম্প্রীতির প্রথা নিয়ে নতুন আলোচনা

অনলাইন ডেস্ক:

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের ডাকনীর-পাঠ বাজার দীর্ঘদিন ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি উদাহরণ হিসেবে পরিচিত। প্রায় চার দশক ধরে স্থানীয়দের পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে বাজারটিতে গরুর মাংস বিক্রি থেকে বিরত থাকার একটি অলিখিত রীতি অনুসরণ করা হয়ে আসছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাজারটি হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় গড়ে ওঠে এবং বাজারের কেন্দ্রস্থলে একটি কালী মন্দির অবস্থিত। এ কারণে বাজারের শুরু থেকেই দুই সম্প্রদায়ের প্রবীণরা সম্মিলিতভাবে এমন একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হন, যাতে ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি পারস্পরিক সম্মান বজায় থাকে।
তবে সম্প্রতি ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে একজন ব্যবসায়ী বাজারে গরু জবাই করলে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে বিভিন্ন মতামত দেখা যায়।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের একাংশ জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের এই প্রথা তারা স্বেচ্ছায় মেনে চলেছেন এবং এতে এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় ছিল। অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির দাবি অনুযায়ী, সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে স্থানীয় চাহিদা বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের উদ্যোগে গত ৭ এপ্রিল নাগেশ্বরী থানায় উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে স্থানীয়দের মতামতের ভিত্তিতে পূর্বের সমঝোতা বজায় রাখার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি সম্পূর্ণ স্থানীয়দের পারস্পরিক সিদ্ধান্ত এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সকলকে সহনশীল থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

ঝিনাইগাতীতে মসজিদ কমিটির বিরোধে হামলায় বিএনপি নেতার মৃত্যু

কুড়িগ্রামের ডাকনীর-পাঠ বাজারে ৪০ বছরের সম্প্রীতির প্রথা নিয়ে নতুন আলোচনা

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:১১:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক:

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের ডাকনীর-পাঠ বাজার দীর্ঘদিন ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি উদাহরণ হিসেবে পরিচিত। প্রায় চার দশক ধরে স্থানীয়দের পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে বাজারটিতে গরুর মাংস বিক্রি থেকে বিরত থাকার একটি অলিখিত রীতি অনুসরণ করা হয়ে আসছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাজারটি হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় গড়ে ওঠে এবং বাজারের কেন্দ্রস্থলে একটি কালী মন্দির অবস্থিত। এ কারণে বাজারের শুরু থেকেই দুই সম্প্রদায়ের প্রবীণরা সম্মিলিতভাবে এমন একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হন, যাতে ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি পারস্পরিক সম্মান বজায় থাকে।
তবে সম্প্রতি ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে একজন ব্যবসায়ী বাজারে গরু জবাই করলে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে বিভিন্ন মতামত দেখা যায়।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের একাংশ জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের এই প্রথা তারা স্বেচ্ছায় মেনে চলেছেন এবং এতে এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় ছিল। অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির দাবি অনুযায়ী, সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে স্থানীয় চাহিদা বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের উদ্যোগে গত ৭ এপ্রিল নাগেশ্বরী থানায় উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে স্থানীয়দের মতামতের ভিত্তিতে পূর্বের সমঝোতা বজায় রাখার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি সম্পূর্ণ স্থানীয়দের পারস্পরিক সিদ্ধান্ত এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সকলকে সহনশীল থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।