লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের জন্মদিন আজ

স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের জন্মদিন আজ

অনলাইন ডেস্ক | 

আজ ১৯ জানুয়ারি। স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীরউত্তমের জন্মদিন। আজ তাঁর ৯০তম জন্মবার্ষিকী।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সাহসী নেতৃত্বের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান ইতিহাসে অনন্য স্থান করে নেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে তিনি জেড ফোর্সের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন।

১৯৩৬ সালের এই দিনে বগুড়ার গাবতলী উপজেলার নশিপুর ইউনিয়নের বাগবাড়ী গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন জিয়াউর রহমান। তাঁর পিতা বিশিষ্ট রসায়নবিদ মনসুর রহমান এবং মাতা জাহানারা খাতুন। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়। শৈশবে তাঁর ডাক নাম ছিল ‘কমল’।

রাষ্ট্র পরিচালনায় বহুদলীয় গণতন্ত্রের ধারা প্রবর্তন, জাতীয়তাবাদী চেতনার বিকাশ এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাঁর অবদান আজও স্মরণীয়। জন্মদিন উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

দেশের ইতিহাসে একজন সাহসী সৈনিক থেকে রাষ্ট্রনায়ক হয়ে ওঠার এই পথচলা নতুন প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের জোরপূর্বক যুদ্ধে পাঠাচ্ছে রাশিয়া

স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের জন্মদিন আজ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৩৯:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের জন্মদিন আজ

অনলাইন ডেস্ক | 

আজ ১৯ জানুয়ারি। স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীরউত্তমের জন্মদিন। আজ তাঁর ৯০তম জন্মবার্ষিকী।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সাহসী নেতৃত্বের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান ইতিহাসে অনন্য স্থান করে নেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে তিনি জেড ফোর্সের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন।

১৯৩৬ সালের এই দিনে বগুড়ার গাবতলী উপজেলার নশিপুর ইউনিয়নের বাগবাড়ী গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন জিয়াউর রহমান। তাঁর পিতা বিশিষ্ট রসায়নবিদ মনসুর রহমান এবং মাতা জাহানারা খাতুন। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়। শৈশবে তাঁর ডাক নাম ছিল ‘কমল’।

রাষ্ট্র পরিচালনায় বহুদলীয় গণতন্ত্রের ধারা প্রবর্তন, জাতীয়তাবাদী চেতনার বিকাশ এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাঁর অবদান আজও স্মরণীয়। জন্মদিন উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

দেশের ইতিহাসে একজন সাহসী সৈনিক থেকে রাষ্ট্রনায়ক হয়ে ওঠার এই পথচলা নতুন প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।