লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি সংকট ও বকেয়া ঋণে গ্রামগঞ্জে তীব্র লোডশেডিং, চরম ভোগান্তিতে মানুষ

দেশের বিদ্যুৎ খাতে তীব্র জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বকেয়া পাওনা পরিশোধ করতে না পারায় লোডশেডিং পরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। সম্প্রতি পাইকারি পর্যায়ে গড়ে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হলেও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) আর্থিক সংকট কাটেনি। বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বকেয়া পাওনা প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। ফলে কয়লা ও গ্যাসের সংকটে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং দেশজুড়ে, বিশেষ করে ঢাকার বাইরের গ্রামীণ এলাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে মানুষকে।

পিডিবি ও পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির (পিজিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক দিন ধরে দৈনিক সর্বোচ্চ লোডশেডিং তিন হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যাচ্ছে। গত সোমবার রাত ৮টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং রেকর্ড করা হয়েছে, যার আগের দিন ছিল ৩ হাজার ৬৭১ মেগাওয়াট। বর্তমানে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৯ হাজার মেগাওয়াট হলেও সর্বোচ্চ চাহিদার সময় উৎপাদন হচ্ছে মাত্র সাড়ে ১২ হাজার মেগাওয়াট। ফলে অর্ধেকের বেশি সক্ষমতা অলস বসিয়ে রাখতে হচ্ছে। গ্যাস থেকে বর্তমানে ৪ হাজার মেগাওয়াটের কম বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে এবং গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হতে আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে। অন্যদিকে, তেলচালিত কেন্দ্রগুলো অত্যন্ত ব্যয়বহুল হওয়ায় দিনের বেলা প্রায় বন্ধ রাখা হচ্ছে এবং শুধু রাতের দিকে গড়ে দেড় হাজার মেগাওয়াটের কম চালানো হচ্ছে।

কয়লাচালিত কেন্দ্রগুলোর ওপর মূল ভরসা থাকলেও সেখানেও সংকট দেখা দিয়েছে। পটুয়াখালীর পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিটে রক্ষণাবেক্ষণের কারণে গত ২ আগস্ট থেকে উৎপাদন অর্ধেক হয়ে গিয়েছিল, যা গত রোববার রাত থেকে পুনরায় চালু করা হয়েছে। তবে এই কেন্দ্রের বকেয়া পাওনা ৯ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে, যা পরিশোধ না করলে আগামী মাসে কয়লা সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে। এছাড়া ভারতের ঝাড়খণ্ডের আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রও ঝড়-বৃষ্টির কারণে কয়লা সংকটে পড়ে গত ৭ আগস্ট থেকে উৎপাদন কমিয়েছিল। তবে জনসংযোগ প্রতিষ্ঠান ফাইভ ডব্লিউ পাবলিক রিলেশনের মাধ্যমে আদানি জানিয়েছে, ১১ আগস্ট রাত থেকে ১২ আগস্ট সকালের মধ্যে তাদের কয়লা সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।

পিডিবির সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম জানান, গ্যাস ও কয়লা সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে গেছে। তেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র সারা দিন চালানো অত্যন্ত ব্যয়বহুল হওয়ায় সন্ধ্যার পর লোডশেডিং সহনীয় রাখতে উৎপাদন কিছুটা বাড়ানো হচ্ছে এবং মধ্যরাতের পর আবার কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এদিকে পিডিবি সোমবার বিকেলে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সঙ্গে এক অনলাইন বৈঠক করে পায়রা ও আদানি কেন্দ্রকে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশনা দিয়েছে। বৈঠক সূত্র বলছে, পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র গতকাল সন্ধ্যায় ৮০০ (800) মেগাওয়াট সরবরাহ করছিল। পিডিবির কর্মকর্তারা আরও জানান, জুনে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সুফল পেতে আরও দুই মাস সময় লাগবে। তাই বাড়তি আয় এখনো পিডিবির হিসাবে আসেনি, তবে নতুন করে বকেয়া আর বাড়বে না এবং পুরোনো বকেয়া ধাপে ধাপে শোধ করা হবে।

লোডশেডিংয়ের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ছে ঢাকার বাইরের এলাকাগুলোতে। ঢাকার দুই বিতরণ সংস্থা ডেসকো ও ডিপিডিসি এলাকায় ঘাটতি না থাকলেও পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) আওতাধীন গ্রামীণ এলাকায় তীব্র বিদ্যুৎ সংকট চলছে। যেমন, ফেনী জেলায় ১৪০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ৩০ মেগাওয়াট ঘাটতি রয়েছে। ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগের এজিএম মোহাম্মদ বাইজিদ হোসেন শাহ জানান, সেখানে ১৫ শতাংশ ঘাটতি রয়েছে। স্টারলাইন ফুড প্রোডাক্টসের পরিচালক মো. মাইন উদ্দিন জানান, তাদের কারখানায় গড়ে ৩৫ শতাংশ সময় লোডশেডিংয়ের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার বাঘবেড় গ্রামের বাসিন্দা আক্কাস আলী আকন্দ জানান, ২৪ ঘণ্টায় তারা ৫ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ পান না। নেত্রকোনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক আকরাম হোসেন বলেন, ১৫৮ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে তারা পাচ্ছেন মাত্র ৫৯ মেগাওয়াট। হবিগঞ্জে চা-পাতা প্রক্রিয়াজাতকরণে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিংয়ের কারণে লোকসান গুণতে হচ্ছে বলে জানান চুনারুঘাটের দেউন্দি চা-বাগানের সহকারী ব্যবস্থাপক দেবাশীষ রায়। ঢাকার কেরানীগঞ্জে ২৪০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ৮০ মেগাওয়াট ঘাটতি রয়েছে বলে জানান ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪-এর মহাব্যবস্থাপক গোলাম কাউসার তালুকদার। সেখানকার বাসিন্দা রোকেয়া বেগম জানান, তীব্র গরমে রাতে ঘুমানো যাচ্ছে না এবং শিশুরা কান্নাকাটি করছে। নীলফামারীর টুপামারী ইউনিয়নের বাসিন্দা সাদ্দাম আলী ও ডোমার উপজেলার নেসকোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নওশাদ আলী জানান, চাহিদার অর্ধেক বিদ্যুৎ পাওয়ায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১০ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ মিলছে না।

২০২২ সাল থেকে প্রতিবছর গরম বাড়লেই দেখা দেয় লোডশেডিং।

গতকাল সর্বোচ্চ লোডশেডিংয়ের সময় চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ২৬২ মেগাওয়াট।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের হামলার ভয়ে গোপনে খাবারের ট্রাকে চড়ে তুরস্ক ছাড়েন ট্রাম্প

জ্বালানি সংকট ও বকেয়া ঋণে গ্রামগঞ্জে তীব্র লোডশেডিং, চরম ভোগান্তিতে মানুষ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৪৬:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

দেশের বিদ্যুৎ খাতে তীব্র জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বকেয়া পাওনা পরিশোধ করতে না পারায় লোডশেডিং পরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। সম্প্রতি পাইকারি পর্যায়ে গড়ে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হলেও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) আর্থিক সংকট কাটেনি। বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বকেয়া পাওনা প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। ফলে কয়লা ও গ্যাসের সংকটে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং দেশজুড়ে, বিশেষ করে ঢাকার বাইরের গ্রামীণ এলাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে মানুষকে।

পিডিবি ও পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির (পিজিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক দিন ধরে দৈনিক সর্বোচ্চ লোডশেডিং তিন হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যাচ্ছে। গত সোমবার রাত ৮টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং রেকর্ড করা হয়েছে, যার আগের দিন ছিল ৩ হাজার ৬৭১ মেগাওয়াট। বর্তমানে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৯ হাজার মেগাওয়াট হলেও সর্বোচ্চ চাহিদার সময় উৎপাদন হচ্ছে মাত্র সাড়ে ১২ হাজার মেগাওয়াট। ফলে অর্ধেকের বেশি সক্ষমতা অলস বসিয়ে রাখতে হচ্ছে। গ্যাস থেকে বর্তমানে ৪ হাজার মেগাওয়াটের কম বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে এবং গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হতে আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে। অন্যদিকে, তেলচালিত কেন্দ্রগুলো অত্যন্ত ব্যয়বহুল হওয়ায় দিনের বেলা প্রায় বন্ধ রাখা হচ্ছে এবং শুধু রাতের দিকে গড়ে দেড় হাজার মেগাওয়াটের কম চালানো হচ্ছে।

কয়লাচালিত কেন্দ্রগুলোর ওপর মূল ভরসা থাকলেও সেখানেও সংকট দেখা দিয়েছে। পটুয়াখালীর পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিটে রক্ষণাবেক্ষণের কারণে গত ২ আগস্ট থেকে উৎপাদন অর্ধেক হয়ে গিয়েছিল, যা গত রোববার রাত থেকে পুনরায় চালু করা হয়েছে। তবে এই কেন্দ্রের বকেয়া পাওনা ৯ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে, যা পরিশোধ না করলে আগামী মাসে কয়লা সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে। এছাড়া ভারতের ঝাড়খণ্ডের আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রও ঝড়-বৃষ্টির কারণে কয়লা সংকটে পড়ে গত ৭ আগস্ট থেকে উৎপাদন কমিয়েছিল। তবে জনসংযোগ প্রতিষ্ঠান ফাইভ ডব্লিউ পাবলিক রিলেশনের মাধ্যমে আদানি জানিয়েছে, ১১ আগস্ট রাত থেকে ১২ আগস্ট সকালের মধ্যে তাদের কয়লা সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।

পিডিবির সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম জানান, গ্যাস ও কয়লা সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে গেছে। তেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র সারা দিন চালানো অত্যন্ত ব্যয়বহুল হওয়ায় সন্ধ্যার পর লোডশেডিং সহনীয় রাখতে উৎপাদন কিছুটা বাড়ানো হচ্ছে এবং মধ্যরাতের পর আবার কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এদিকে পিডিবি সোমবার বিকেলে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সঙ্গে এক অনলাইন বৈঠক করে পায়রা ও আদানি কেন্দ্রকে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশনা দিয়েছে। বৈঠক সূত্র বলছে, পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র গতকাল সন্ধ্যায় ৮০০ (800) মেগাওয়াট সরবরাহ করছিল। পিডিবির কর্মকর্তারা আরও জানান, জুনে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সুফল পেতে আরও দুই মাস সময় লাগবে। তাই বাড়তি আয় এখনো পিডিবির হিসাবে আসেনি, তবে নতুন করে বকেয়া আর বাড়বে না এবং পুরোনো বকেয়া ধাপে ধাপে শোধ করা হবে।

লোডশেডিংয়ের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ছে ঢাকার বাইরের এলাকাগুলোতে। ঢাকার দুই বিতরণ সংস্থা ডেসকো ও ডিপিডিসি এলাকায় ঘাটতি না থাকলেও পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) আওতাধীন গ্রামীণ এলাকায় তীব্র বিদ্যুৎ সংকট চলছে। যেমন, ফেনী জেলায় ১৪০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ৩০ মেগাওয়াট ঘাটতি রয়েছে। ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগের এজিএম মোহাম্মদ বাইজিদ হোসেন শাহ জানান, সেখানে ১৫ শতাংশ ঘাটতি রয়েছে। স্টারলাইন ফুড প্রোডাক্টসের পরিচালক মো. মাইন উদ্দিন জানান, তাদের কারখানায় গড়ে ৩৫ শতাংশ সময় লোডশেডিংয়ের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার বাঘবেড় গ্রামের বাসিন্দা আক্কাস আলী আকন্দ জানান, ২৪ ঘণ্টায় তারা ৫ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ পান না। নেত্রকোনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক আকরাম হোসেন বলেন, ১৫৮ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে তারা পাচ্ছেন মাত্র ৫৯ মেগাওয়াট। হবিগঞ্জে চা-পাতা প্রক্রিয়াজাতকরণে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিংয়ের কারণে লোকসান গুণতে হচ্ছে বলে জানান চুনারুঘাটের দেউন্দি চা-বাগানের সহকারী ব্যবস্থাপক দেবাশীষ রায়। ঢাকার কেরানীগঞ্জে ২৪০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ৮০ মেগাওয়াট ঘাটতি রয়েছে বলে জানান ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪-এর মহাব্যবস্থাপক গোলাম কাউসার তালুকদার। সেখানকার বাসিন্দা রোকেয়া বেগম জানান, তীব্র গরমে রাতে ঘুমানো যাচ্ছে না এবং শিশুরা কান্নাকাটি করছে। নীলফামারীর টুপামারী ইউনিয়নের বাসিন্দা সাদ্দাম আলী ও ডোমার উপজেলার নেসকোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নওশাদ আলী জানান, চাহিদার অর্ধেক বিদ্যুৎ পাওয়ায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১০ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ মিলছে না।

২০২২ সাল থেকে প্রতিবছর গরম বাড়লেই দেখা দেয় লোডশেডিং।

গতকাল সর্বোচ্চ লোডশেডিংয়ের সময় চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ২৬২ মেগাওয়াট।