লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৬:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতির আশা জ্বালানি প্রতিমন্ত্রীর

বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বর্তমান সংকট নিরসনে সরকার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, গ্যাস সরবরাহের পর্যাপ্ততা নিশ্চিত না হলে পাওয়ার প্ল্যান্টগুলোতে সংকট তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি বিশেষ কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে, যা মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে কার্যকর করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এই পদক্ষেপের ফলে আজ সন্ধ্যা থেকেই বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি লক্ষ্য করা যাবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় সামিটের টার্মিনালে কার্গো খালাস করা সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়া এক্সিলারেট টার্মিনালটি বর্তমানে আংশিক সক্ষমতায় চলছে। তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, এই টার্মিনালটি পূর্ণ সক্ষমতায় সচল করতে হলে প্রায় ৭২ ঘণ্টার জন্য তা বন্ধ রাখা প্রয়োজন, যা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এক্সিলারেট এনার্জির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে এবং জনদুর্ভোগ সর্বনিম্ন পর্যায়ে রেখে টার্মিনাল বন্ধের সময় নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

জনগণের চরম ভোগান্তির কথা স্বীকার করে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুর্ঘটনার ওপর মানুষের নিয়ন্ত্রণ নেই এবং এক্ষেত্রে প্রকৃতির কাছে আত্মসমর্পণ করতে হয়। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে গ্যাস খালাস এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

মধ্যমেয়াদি সমাধানের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, মালয়েশিয়ার সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং তাদের কাছ থেকে অন্তত এক কার্গো এলএনজি পাওয়ার আশা করা হচ্ছে। এছাড়া ইউএস বাংলাদেশ চেম্বারের কাছেও এলএনজি সহায়তা চাওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিগত সরকারগুলো মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পরিবর্তে তাৎক্ষণিক সমাধানের পথ বেছে নেওয়ায় বর্তমান সংকট সৃষ্টি হয়েছে। তবে বর্তমান সরকার জনদুর্ভোগ লাঘবে কোনো ত্রুটি রাখছে না এবং হাতে থাকা প্রতিটি বিকল্প নিয়ে কাজ করছে।

বুধবার (১২ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ পুলিশের শীর্ষপদে ২৩ কর্মকর্তার বড় রদবদল

সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতির আশা জ্বালানি প্রতিমন্ত্রীর

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:২৭:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বর্তমান সংকট নিরসনে সরকার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, গ্যাস সরবরাহের পর্যাপ্ততা নিশ্চিত না হলে পাওয়ার প্ল্যান্টগুলোতে সংকট তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি বিশেষ কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে, যা মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে কার্যকর করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এই পদক্ষেপের ফলে আজ সন্ধ্যা থেকেই বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি লক্ষ্য করা যাবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় সামিটের টার্মিনালে কার্গো খালাস করা সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়া এক্সিলারেট টার্মিনালটি বর্তমানে আংশিক সক্ষমতায় চলছে। তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, এই টার্মিনালটি পূর্ণ সক্ষমতায় সচল করতে হলে প্রায় ৭২ ঘণ্টার জন্য তা বন্ধ রাখা প্রয়োজন, যা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এক্সিলারেট এনার্জির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে এবং জনদুর্ভোগ সর্বনিম্ন পর্যায়ে রেখে টার্মিনাল বন্ধের সময় নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

জনগণের চরম ভোগান্তির কথা স্বীকার করে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুর্ঘটনার ওপর মানুষের নিয়ন্ত্রণ নেই এবং এক্ষেত্রে প্রকৃতির কাছে আত্মসমর্পণ করতে হয়। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে গ্যাস খালাস এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

মধ্যমেয়াদি সমাধানের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, মালয়েশিয়ার সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং তাদের কাছ থেকে অন্তত এক কার্গো এলএনজি পাওয়ার আশা করা হচ্ছে। এছাড়া ইউএস বাংলাদেশ চেম্বারের কাছেও এলএনজি সহায়তা চাওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিগত সরকারগুলো মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পরিবর্তে তাৎক্ষণিক সমাধানের পথ বেছে নেওয়ায় বর্তমান সংকট সৃষ্টি হয়েছে। তবে বর্তমান সরকার জনদুর্ভোগ লাঘবে কোনো ত্রুটি রাখছে না এবং হাতে থাকা প্রতিটি বিকল্প নিয়ে কাজ করছে।

বুধবার (১২ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।