লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৪:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুয়েতে পাঠানো যায়নি উপহারের ২০ টন মাছ, এবার নিলামে টিসিবি

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কুয়েত সরকারকে উপহার হিসেবে পাঠানোর জন্য ক্রয় করা ২০ টন মাছ শেষ পর্যন্ত কুয়েতে পাঠানো সম্ভব হয়নি। ফ্লাইট সংক্রান্ত বিভিন্ন জটিলতার কারণে উপহারের এই মাছগুলো আটকে যায়। চার মাস অপেক্ষার পর ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) এখন এই মাছগুলো নিলামে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে।

নিলামে তোলা মাছের মধ্যে রয়েছে ১০ টন গলদা চিংড়ি এবং ৫ টন করে বাগদা চিংড়ি ও রূপচাঁদা মাছ। বর্তমানে এই মাছগুলো খুলনার বাটিয়াঘাটার ভান্ডারকোটের ট্রাস্ট সি-ফুড ইন্ডাস্ট্রিজের প্রসেসিং প্ল্যান্টে সংরক্ষিত আছে। টিসিবির মুখপাত্র ও উপপরিচালক শাহাদত হোসেন জানিয়েছেন, আগ্রহীরা যাতে ঢাকায় মাছগুলো দেখতে পারেন, সেজন্য খুলনা থেকে কিছু মাছ ঢাকায় আনা হয়েছে। এছাড়া আজ রোববার ও আগামীকাল সোমবার আগ্রহীরা সরাসরি মাছগুলো পরিদর্শন করতে পারবেন এবং আগামী মঙ্গলবার নিলাম অনুষ্ঠিত হবে।

টিসিবির তথ্যানুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় জরুরি ভিত্তিতে এই মাছগুলো কেনা হয়েছিল। গত এপ্রিল মাসে নিয়মিত ফ্লাইটে কুয়েত সরকারের এসব উপহারসামগ্রী নেওয়ার কথা ছিল। কুয়েত সরকার কিছু চাল গ্রহণ করলেও মাছগুলো নেয়নি। দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, মাছ পচনশীল পণ্য হওয়ায় বাণিজ্যিক ফ্লাইটে এগুলো নিতে অনাগ্রহ ছিল তাদের।

টিসিবি ১৮ আগস্ট এই মাছ নিলামে তোলার জন্য দরপত্র আহ্বান করে। নিলামে অংশগ্রহণের বেশ কিছু শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে: কমপক্ষে ৫০০ কেজি মাছ নেওয়ার বাধ্যবাধকতা, জাতীয় পরিচয়পত্র বা ট্রেড লাইসেন্সের কপি জমা দেওয়া এবং জামানত হিসেবে প্রতি প্রকার মাছের জন্য আলাদা আলাদা সর্বনিম্ন ১৫ হাজার টাকা (ফেরতযোগ্য) জমা দেওয়া। নিলামে সর্বোচ্চ দরদাতা বিজয়ী হিসেবে গণ্য হবেন এবং তাকে দরের ওপর ভ্যাট পরিশোধ করতে হবে। নিলামে বিজয়ী হওয়ার পর তিন কর্মদিবসের মধ্যে অর্থ পরিশোধ এবং পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে নিজ খরচে মাছ সরবরাহ নিতে হবে। অন্যথায় নিলাম বাতিল বলে গণ্য হবে এবং নির্ধারিত সময়ের পর স্টোরেজ চার্জ প্রযোজ্য হবে। আগ্রহী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ঢাকার প্রধান কার্যালয়, চট্টগ্রাম কিংবা খুলনা কার্যালয়ে নিলামের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে পারবেন।

গলদা চিংড়ি, বাগদা চিংড়ি ও রূপচাঁদার জন্য আলাদা আলাদা দরপ্রস্তাব ও জামানত জমা দিতে হবে।২.

নিলামে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানেক জাতীয় পরিচয়পত্র বা ট্রেড লাইসেন্স কপি জমা দিতে হবে।৩.

জনপ্রিয় সংবাদ

২০০৬ সালের রক্তাক্ত ২৮ অক্টোবর: দুই দশক পরও নির্বাচনকালীন সরকারে আস্থার সংকট

কুয়েতে পাঠানো যায়নি উপহারের ২০ টন মাছ, এবার নিলামে টিসিবি

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কুয়েত সরকারকে উপহার হিসেবে পাঠানোর জন্য ক্রয় করা ২০ টন মাছ শেষ পর্যন্ত কুয়েতে পাঠানো সম্ভব হয়নি। ফ্লাইট সংক্রান্ত বিভিন্ন জটিলতার কারণে উপহারের এই মাছগুলো আটকে যায়। চার মাস অপেক্ষার পর ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) এখন এই মাছগুলো নিলামে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে।

নিলামে তোলা মাছের মধ্যে রয়েছে ১০ টন গলদা চিংড়ি এবং ৫ টন করে বাগদা চিংড়ি ও রূপচাঁদা মাছ। বর্তমানে এই মাছগুলো খুলনার বাটিয়াঘাটার ভান্ডারকোটের ট্রাস্ট সি-ফুড ইন্ডাস্ট্রিজের প্রসেসিং প্ল্যান্টে সংরক্ষিত আছে। টিসিবির মুখপাত্র ও উপপরিচালক শাহাদত হোসেন জানিয়েছেন, আগ্রহীরা যাতে ঢাকায় মাছগুলো দেখতে পারেন, সেজন্য খুলনা থেকে কিছু মাছ ঢাকায় আনা হয়েছে। এছাড়া আজ রোববার ও আগামীকাল সোমবার আগ্রহীরা সরাসরি মাছগুলো পরিদর্শন করতে পারবেন এবং আগামী মঙ্গলবার নিলাম অনুষ্ঠিত হবে।

টিসিবির তথ্যানুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় জরুরি ভিত্তিতে এই মাছগুলো কেনা হয়েছিল। গত এপ্রিল মাসে নিয়মিত ফ্লাইটে কুয়েত সরকারের এসব উপহারসামগ্রী নেওয়ার কথা ছিল। কুয়েত সরকার কিছু চাল গ্রহণ করলেও মাছগুলো নেয়নি। দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, মাছ পচনশীল পণ্য হওয়ায় বাণিজ্যিক ফ্লাইটে এগুলো নিতে অনাগ্রহ ছিল তাদের।

টিসিবি ১৮ আগস্ট এই মাছ নিলামে তোলার জন্য দরপত্র আহ্বান করে। নিলামে অংশগ্রহণের বেশ কিছু শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে: কমপক্ষে ৫০০ কেজি মাছ নেওয়ার বাধ্যবাধকতা, জাতীয় পরিচয়পত্র বা ট্রেড লাইসেন্সের কপি জমা দেওয়া এবং জামানত হিসেবে প্রতি প্রকার মাছের জন্য আলাদা আলাদা সর্বনিম্ন ১৫ হাজার টাকা (ফেরতযোগ্য) জমা দেওয়া। নিলামে সর্বোচ্চ দরদাতা বিজয়ী হিসেবে গণ্য হবেন এবং তাকে দরের ওপর ভ্যাট পরিশোধ করতে হবে। নিলামে বিজয়ী হওয়ার পর তিন কর্মদিবসের মধ্যে অর্থ পরিশোধ এবং পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে নিজ খরচে মাছ সরবরাহ নিতে হবে। অন্যথায় নিলাম বাতিল বলে গণ্য হবে এবং নির্ধারিত সময়ের পর স্টোরেজ চার্জ প্রযোজ্য হবে। আগ্রহী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ঢাকার প্রধান কার্যালয়, চট্টগ্রাম কিংবা খুলনা কার্যালয়ে নিলামের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে পারবেন।

গলদা চিংড়ি, বাগদা চিংড়ি ও রূপচাঁদার জন্য আলাদা আলাদা দরপ্রস্তাব ও জামানত জমা দিতে হবে।২.

নিলামে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানেক জাতীয় পরিচয়পত্র বা ট্রেড লাইসেন্স কপি জমা দিতে হবে।৩.