লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চীনের জে-১০ সিই যুদ্ধবিমান কেনার পথে বাংলাদেশ: তথ্য উপদেষ্টা

বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে চীনের তৈরি জে-১০ সিই যুদ্ধবিমান কেনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের সমসাময়িক কর্মকাণ্ড নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে বিভিন্ন মডেলের চতুর্থ প্রজন্মের এমআরসিএ ফাইটার এয়ারক্রাফট, অ্যাটাক হেলিকপ্টার, ভিআইপি হেলিকপ্টার ও ইউএভি সিস্টেম কেনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

উপদেষ্টা আরও জানান, চলতি অর্থবছরে বাজেট পাওয়া গেলে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। তবে তা সম্ভব না হলে পরবর্তী বাজেটে এই প্রক্রিয়া চলে যাবে। এমআরসিএ (জে-১০ সিই) এবং অ্যাটাক হেলিকপ্টার সংগ্রহের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কমিটির মাধ্যমে নেগোসিয়েশন মিটিংয়ের খসড়া চুক্তিপত্র ইতিমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। এই খসড়া অনুমোদনের জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও অন্যান্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলেও লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়।

চীনের তৈরি জে-১০ সিই ফাইটারের সক্ষমতা প্রসঙ্গে জাহেদ উর রহমান বলেন, সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এই যুদ্ধবিমানের কার্যকারিতা প্রমাণিত। ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় ভারতের রাফাল যুদ্ধবিমানকে প্রতিহত করার ক্ষেত্রে চীনা জে-১০-এর সাফল্যের বিষয়টি এখন প্রতিষ্ঠিত। তিনি বলেন, রাফাল বা ইউরো ফাইটার টাইফুনের মতো সমমানের ইউরোপীয় যুদ্ধবিমানের তুলনায় চীনা ফাইটারগুলোর দাম তুলনামূলকভাবে অনেক কম। জনগণের প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য সরকার সব রকমের পদক্ষেপ নেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, তথ্যসচিব মাহবুবা ফারজানা এবং তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ।

সুতরাং চায়নার তৈরি একটা মাল্টিরোল ফাইটার, এখন রাফালকে বলা হয় ৪.৫ জেনারেশনের সবচেয়ে আধুনিক ফাইটারগুলোর একটা।

জনপ্রিয় সংবাদ

সিলেট সফরে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

চীনের জে-১০ সিই যুদ্ধবিমান কেনার পথে বাংলাদেশ: তথ্য উপদেষ্টা

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:৩১:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে চীনের তৈরি জে-১০ সিই যুদ্ধবিমান কেনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের সমসাময়িক কর্মকাণ্ড নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে বিভিন্ন মডেলের চতুর্থ প্রজন্মের এমআরসিএ ফাইটার এয়ারক্রাফট, অ্যাটাক হেলিকপ্টার, ভিআইপি হেলিকপ্টার ও ইউএভি সিস্টেম কেনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

উপদেষ্টা আরও জানান, চলতি অর্থবছরে বাজেট পাওয়া গেলে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। তবে তা সম্ভব না হলে পরবর্তী বাজেটে এই প্রক্রিয়া চলে যাবে। এমআরসিএ (জে-১০ সিই) এবং অ্যাটাক হেলিকপ্টার সংগ্রহের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কমিটির মাধ্যমে নেগোসিয়েশন মিটিংয়ের খসড়া চুক্তিপত্র ইতিমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। এই খসড়া অনুমোদনের জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও অন্যান্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলেও লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়।

চীনের তৈরি জে-১০ সিই ফাইটারের সক্ষমতা প্রসঙ্গে জাহেদ উর রহমান বলেন, সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এই যুদ্ধবিমানের কার্যকারিতা প্রমাণিত। ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় ভারতের রাফাল যুদ্ধবিমানকে প্রতিহত করার ক্ষেত্রে চীনা জে-১০-এর সাফল্যের বিষয়টি এখন প্রতিষ্ঠিত। তিনি বলেন, রাফাল বা ইউরো ফাইটার টাইফুনের মতো সমমানের ইউরোপীয় যুদ্ধবিমানের তুলনায় চীনা ফাইটারগুলোর দাম তুলনামূলকভাবে অনেক কম। জনগণের প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য সরকার সব রকমের পদক্ষেপ নেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, তথ্যসচিব মাহবুবা ফারজানা এবং তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ।

সুতরাং চায়নার তৈরি একটা মাল্টিরোল ফাইটার, এখন রাফালকে বলা হয় ৪.৫ জেনারেশনের সবচেয়ে আধুনিক ফাইটারগুলোর একটা।