লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সপরিবারে শিক্ষক হত্যা: জবানবন্দি দিলেন সিদ্ধার্থ-মুগ্ধর বন্ধু সীমান্ত

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী এবং তাঁর পরিবারের চার সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের বন্ধু এবং প্রতিবেশী সীমান্ত দাস আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় রংপুর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় সাক্ষী হিসেবে তাঁর জবানবন্দি রেকর্ড করেন বিচারক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।

রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জিন্নাত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পুলিশের কাছে গ্রেপ্তার দুই আসামি সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ যে তথ্য দিয়েছিলেন, সীমান্তের জবানবন্দির সঙ্গে তার মিল পাওয়া গেছে। আসামিরা জানিয়েছিলেন যে, হত্যাকাণ্ডের আগে তারা সীমান্ত দাসের বাড়িতে গিয়ে ইয়াবা সেবন করেছিলেন, যা সীমান্তের জবানবন্দিতেও উঠে এসেছে।

এর আগে, গত ২৩ আগস্ট বিকেলে গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই দিন রাতেই সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তারা আদালতে নিজেদের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। পরবর্তীতে মামলাটির তদন্তভার কোতোয়ালি থানা থেকে রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নেপালে আকস্মিক বন্যায় ৫৫ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটক

সপরিবারে শিক্ষক হত্যা: জবানবন্দি দিলেন সিদ্ধার্থ-মুগ্ধর বন্ধু সীমান্ত

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:০২:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী এবং তাঁর পরিবারের চার সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের বন্ধু এবং প্রতিবেশী সীমান্ত দাস আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় রংপুর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় সাক্ষী হিসেবে তাঁর জবানবন্দি রেকর্ড করেন বিচারক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।

রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জিন্নাত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পুলিশের কাছে গ্রেপ্তার দুই আসামি সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ যে তথ্য দিয়েছিলেন, সীমান্তের জবানবন্দির সঙ্গে তার মিল পাওয়া গেছে। আসামিরা জানিয়েছিলেন যে, হত্যাকাণ্ডের আগে তারা সীমান্ত দাসের বাড়িতে গিয়ে ইয়াবা সেবন করেছিলেন, যা সীমান্তের জবানবন্দিতেও উঠে এসেছে।

এর আগে, গত ২৩ আগস্ট বিকেলে গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই দিন রাতেই সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তারা আদালতে নিজেদের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। পরবর্তীতে মামলাটির তদন্তভার কোতোয়ালি থানা থেকে রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।