লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে বন্যা ও ভূমিধসে মৃত্যু বেড়ে ১৭৭, নিখোঁজ ১৫০০

নেপাল ও চীনের তিব্বত সীমান্তে আঘাত হানা প্রলয়ংকরী বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৭৭ জনে পৌঁছেছে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে দুই দেশে অন্তত ৮০০ বিদেশিসহ প্রায় ১,৫০০ জন মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। বৃহস্পতিবার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হিমালয়ের নদীতে পাহাড়ের বিশাল অংশ কাদা ও পাথরের স্তূপ ধসে পড়ার পর এই আকস্মিক বন্যার সূত্রপাত হয়।

নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিআরআরএমএ) জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর পরিচয় শনাক্তের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। নেপালের পুলিশ ও পর্যটন কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে নিখোঁজ ৮২৬ জনের মধ্যে প্রায় ৫০০ জনই বিদেশি নাগরিক। এদের মধ্যে ভারতের ১৭৭ জন, যুক্তরাষ্ট্রের ৬৩ জন, অস্ট্রেলিয়ার ৩৪ জন এবং যুক্তরাজ্যের ৩৩ জন রয়েছেন। এছাড়া উদ্ধারকাজে নিয়োজিত ৮৫ জন জরুরি সেবাকর্মীর সাথেও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, তিব্বতের জিরং কাউন্টিতে এখন পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে এবং সেখানে ২৬০ জন বিদেশিসহ মোট ৫৫৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। দুর্গত এলাকায় নেপাল ও চীন যৌথভাবে হেলিকপ্টার ব্যবহার করে জোর উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে।

ধ্বংসস্তূপের মধ্যেও কিছু আশাব্যঞ্জক খবর পাওয়া গেছে। নেপালি সেনাবাহিনী রাসুলার হাকু এলাকায় একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলে আটকা পড়া সাতজনকে জীবিত উদ্ধার করেছে। অন্যান্য টানেলেও উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া তিমুরে এলাকা থেকে ২১ জন ভারতীয় পর্যটকসহ মোট ৯৫ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। ভয়াবহ এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে দুর্গত এলাকাগুলোতে ঘরবাড়ি, সড়ক ও সেতু ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অঙ্গীকার জাপানের প্রধানমন্ত্রীর

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে বন্যা ও ভূমিধসে মৃত্যু বেড়ে ১৭৭, নিখোঁজ ১৫০০

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:৩০:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

নেপাল ও চীনের তিব্বত সীমান্তে আঘাত হানা প্রলয়ংকরী বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৭৭ জনে পৌঁছেছে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে দুই দেশে অন্তত ৮০০ বিদেশিসহ প্রায় ১,৫০০ জন মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। বৃহস্পতিবার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হিমালয়ের নদীতে পাহাড়ের বিশাল অংশ কাদা ও পাথরের স্তূপ ধসে পড়ার পর এই আকস্মিক বন্যার সূত্রপাত হয়।

নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিআরআরএমএ) জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর পরিচয় শনাক্তের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। নেপালের পুলিশ ও পর্যটন কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে নিখোঁজ ৮২৬ জনের মধ্যে প্রায় ৫০০ জনই বিদেশি নাগরিক। এদের মধ্যে ভারতের ১৭৭ জন, যুক্তরাষ্ট্রের ৬৩ জন, অস্ট্রেলিয়ার ৩৪ জন এবং যুক্তরাজ্যের ৩৩ জন রয়েছেন। এছাড়া উদ্ধারকাজে নিয়োজিত ৮৫ জন জরুরি সেবাকর্মীর সাথেও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, তিব্বতের জিরং কাউন্টিতে এখন পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে এবং সেখানে ২৬০ জন বিদেশিসহ মোট ৫৫৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। দুর্গত এলাকায় নেপাল ও চীন যৌথভাবে হেলিকপ্টার ব্যবহার করে জোর উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে।

ধ্বংসস্তূপের মধ্যেও কিছু আশাব্যঞ্জক খবর পাওয়া গেছে। নেপালি সেনাবাহিনী রাসুলার হাকু এলাকায় একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলে আটকা পড়া সাতজনকে জীবিত উদ্ধার করেছে। অন্যান্য টানেলেও উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া তিমুরে এলাকা থেকে ২১ জন ভারতীয় পর্যটকসহ মোট ৯৫ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। ভয়াবহ এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে দুর্গত এলাকাগুলোতে ঘরবাড়ি, সড়ক ও সেতু ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।