লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানের অংশগ্রহণ নিয়ে অস্পষ্টতা কাটছে না

আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বা তাঁর কোনো প্রতিনিধি যোগ দেবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না। ভারত এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের বিষয়টি নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। বিশেষ করে এই সম্মেলনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বা তাঁর কোনো প্রতিনিধি অংশ নেবেন কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছেও এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো আপডেট নেই।

এর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। শেখ হাসিনা ১৯৯৬ ও ২০০৯ সালে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি তৃতীয়বারের মতো সরকারপ্রধান হন। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে তিনি দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন।

১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করা শেখ হাসিনা দীর্ঘ সময় আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৮১ সালে দেশে ফেরার পর থেকে তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। তাঁর রাজনৈতিক জীবনে জেল-জুলুম ও গৃহবন্দিত্বের পাশাপাশি ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মতো ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে, যেখানে তিনি প্রাণে বেঁচে গেলেও দলের ২২ জন নেতা-কর্মী নিহত হন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি ইউনেসকোর ‘হুপে-বোয়ানি’ শান্তি পুরস্কার, ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কার, এবং চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ-২০১৫ সহ একাধিক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত জীবনে তাঁর স্বামী পরমাণুবিজ্ঞানী ড. এম ওয়াজেদ মিয়া ২০০৯ সালে মারা যান। তাঁর দুই সন্তান সজীব আহমেদ ওয়াজেদ ও সায়মা হোসেন ওয়াজেদ বর্তমানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

বরমীর শতবর্ষী তুন্দুল রুটির স্বাদে জমে ওঠে রুটি মহল

ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানের অংশগ্রহণ নিয়ে অস্পষ্টতা কাটছে না

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:০৩:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের বিষয়টি নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। বিশেষ করে এই সম্মেলনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বা তাঁর কোনো প্রতিনিধি অংশ নেবেন কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছেও এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো আপডেট নেই।

এর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। শেখ হাসিনা ১৯৯৬ ও ২০০৯ সালে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি তৃতীয়বারের মতো সরকারপ্রধান হন। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে তিনি দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন।

১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করা শেখ হাসিনা দীর্ঘ সময় আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৮১ সালে দেশে ফেরার পর থেকে তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। তাঁর রাজনৈতিক জীবনে জেল-জুলুম ও গৃহবন্দিত্বের পাশাপাশি ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মতো ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে, যেখানে তিনি প্রাণে বেঁচে গেলেও দলের ২২ জন নেতা-কর্মী নিহত হন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি ইউনেসকোর ‘হুপে-বোয়ানি’ শান্তি পুরস্কার, ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কার, এবং চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ-২০১৫ সহ একাধিক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত জীবনে তাঁর স্বামী পরমাণুবিজ্ঞানী ড. এম ওয়াজেদ মিয়া ২০০৯ সালে মারা যান। তাঁর দুই সন্তান সজীব আহমেদ ওয়াজেদ ও সায়মা হোসেন ওয়াজেদ বর্তমানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করছেন।