লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেলেন ইরানি নেতারা

টানা সাত মাস ধরে চলমান যুদ্ধের পরিস্থিতির মধ্যেই আগামী সপ্তাহে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে। এই অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য ইরানি প্রতিনিধি দলকে ভিসা প্রদান করেছে স্বাগতিক দেশ যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিনিধি দলে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিসহ প্রয়োজনীয় কর্মকর্তারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

তবে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরানি প্রতিনিধি দলের সদস্য সংখ্যা অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত রাখা হবে। সেই সঙ্গে তাদের চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে এবং বিলাসবহুল পণ্য ক্রয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা হয়েছে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকা এবং বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে দুই দেশের মধ্যে সামরিক অচলাবস্থার মধ্যেই এই অধিবেশন বসছে। এছাড়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ শেষের দাবি তুললেও ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী ও সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের সংঘাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

অন্যদিকে, ইরানের শীর্ষ নেতাদের ভিসা দেয়া হলেও ফিলিস্তিনি নেতৃত্বের ক্ষেত্রে ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে ওয়াশিংটন। টানা দ্বিতীয় বছরের মতো ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস ও প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (পিএলও) কর্মকর্তাদের ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তাদের মতে, এ ধরনের শাস্তিমূলক পদক্ষেপ শান্তি আলোচনায় কোনো ভূমিকা রাখবে না, বরং দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান নষ্ট করতে দখলদার শক্তিকে উৎসাহিত করবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুরে ভয়াবহ আগুনে পুড়ল ৪ ঘর, লাখ লাখ টাকার ক্ষতি

জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেলেন ইরানি নেতারা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:০২:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টানা সাত মাস ধরে চলমান যুদ্ধের পরিস্থিতির মধ্যেই আগামী সপ্তাহে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে। এই অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য ইরানি প্রতিনিধি দলকে ভিসা প্রদান করেছে স্বাগতিক দেশ যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিনিধি দলে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিসহ প্রয়োজনীয় কর্মকর্তারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

তবে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরানি প্রতিনিধি দলের সদস্য সংখ্যা অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত রাখা হবে। সেই সঙ্গে তাদের চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে এবং বিলাসবহুল পণ্য ক্রয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা হয়েছে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকা এবং বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে দুই দেশের মধ্যে সামরিক অচলাবস্থার মধ্যেই এই অধিবেশন বসছে। এছাড়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ শেষের দাবি তুললেও ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী ও সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের সংঘাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

অন্যদিকে, ইরানের শীর্ষ নেতাদের ভিসা দেয়া হলেও ফিলিস্তিনি নেতৃত্বের ক্ষেত্রে ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে ওয়াশিংটন। টানা দ্বিতীয় বছরের মতো ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস ও প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (পিএলও) কর্মকর্তাদের ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তাদের মতে, এ ধরনের শাস্তিমূলক পদক্ষেপ শান্তি আলোচনায় কোনো ভূমিকা রাখবে না, বরং দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান নষ্ট করতে দখলদার শক্তিকে উৎসাহিত করবে।