লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৫:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে অবৈধ ওষুধ কারখানায় এনসিপি নেতার ৬ মাসের কারাদণ্ড

ফরিদপুরে অবৈধভাবে ওষুধ তৈরি ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণের অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফরিদপুর জেলা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বায়েজিদ হোসেন শাহেদকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। রায়ের পর তাকে ফরিদপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট মোল্লাবাড়ি সড়ক এলাকায় শাহেদের মালিকানাধীন মেসার্স জনতা ল্যাবরেটরিজে অভিযান চালানো হয়। অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইনসানা তানজীন ইকো।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানানো হয়, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে অনুমোদন ছাড়াই কারখানাটি পরিচালনা করে আসছিলেন শাহেদ। ওই কারখানায় শিশুদের জন্য বেবি জেল, প্রাপ্তবয়স্কদের বিভিন্ন ধরনের যৌন উত্তেজক ওষুধ এবং বিভিন্ন ধরনের আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরি করা হতো। অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ওষুধ উদ্ধার করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইনসানা তানজীন ইকো বলেন, ১৯৫৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৬(১) ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে কারখানাটিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে অবৈধ ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শাহেদকে ছয় মাসের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এ বিষয়ে ফরিদপুর জেলা এনসিপির সদস্যসচিব সাইফ হাসান খান বলেন, অন্যায়ের সঙ্গে দলের কোনো আপস নেই। দলের কেউ অন্যায় করলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে কেন্দ্রকে জানানো হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে গিয়ে চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা

ফরিদপুরে অবৈধ ওষুধ কারখানায় এনসিপি নেতার ৬ মাসের কারাদণ্ড

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:০২:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফরিদপুরে অবৈধভাবে ওষুধ তৈরি ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণের অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ফরিদপুর জেলা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. বায়েজিদ হোসেন শাহেদকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। রায়ের পর তাকে ফরিদপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট মোল্লাবাড়ি সড়ক এলাকায় শাহেদের মালিকানাধীন মেসার্স জনতা ল্যাবরেটরিজে অভিযান চালানো হয়। অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইনসানা তানজীন ইকো।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানানো হয়, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে অনুমোদন ছাড়াই কারখানাটি পরিচালনা করে আসছিলেন শাহেদ। ওই কারখানায় শিশুদের জন্য বেবি জেল, প্রাপ্তবয়স্কদের বিভিন্ন ধরনের যৌন উত্তেজক ওষুধ এবং বিভিন্ন ধরনের আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরি করা হতো। অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ওষুধ উদ্ধার করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইনসানা তানজীন ইকো বলেন, ১৯৫৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৬(১) ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে কারখানাটিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে অবৈধ ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শাহেদকে ছয় মাসের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এ বিষয়ে ফরিদপুর জেলা এনসিপির সদস্যসচিব সাইফ হাসান খান বলেন, অন্যায়ের সঙ্গে দলের কোনো আপস নেই। দলের কেউ অন্যায় করলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে কেন্দ্রকে জানানো হবে।