লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৫:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিই আগামী বিশ্বের ভবিষ্যৎ গড়বে: তারেক রহমান

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিই আগামী বিশ্বের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে বাংলায় দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বিশ্ব বর্তমানে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স, বায়ো-টেকনোলজি এবং বিজ্ঞানের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে। প্রযুক্তি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এগিয়ে চললেও এর সুফল এখনো সবার জন্য সমান নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠী এবং ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল সক্ষমতা নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। তবে এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে উন্নত প্রযুক্তি, জ্ঞান ও গবেষণার সুযোগ সবার নাগালের মধ্যে আনা আবশ্যক।

ডিজিটাল বিভাজন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা চাই না আজকের ডিজিটাল বিভাজন যেন আগামী দিনের আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের বিভাজনে রূপ নেয়। বাংলাদেশ মেধাস্বত্ব ও উদ্ভাবনকে সম্মান করে। একই সঙ্গে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তিতে সাশ্রয়ী প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার ওপর তিনি জোর দেন।

বিজ্ঞানের এই অগ্রযাত্রায় কোনো দেশই যেন পিছিয়ে না থাকে, সে প্রত্যাশা ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবার জন্য একটি ন্যায্য ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়তে বাংলাদেশ সব সময় কাজ করতে প্রস্তুত। এছাড়া আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও সোশ্যাল মিডিয়ার দ্রুত সম্প্রসারণের সুফল যেন ইতিবাচকভাবে কাজে লাগানো যায়, সেজন্য জাতিসংঘের একটি কার্যকর নীতিমালা গ্রহণ এখন সময়ের দাবি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে গিয়ে চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিই আগামী বিশ্বের ভবিষ্যৎ গড়বে: তারেক রহমান

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:৩১:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিই আগামী বিশ্বের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে বাংলায় দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বিশ্ব বর্তমানে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স, বায়ো-টেকনোলজি এবং বিজ্ঞানের এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে। প্রযুক্তি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এগিয়ে চললেও এর সুফল এখনো সবার জন্য সমান নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠী এবং ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল সক্ষমতা নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। তবে এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে উন্নত প্রযুক্তি, জ্ঞান ও গবেষণার সুযোগ সবার নাগালের মধ্যে আনা আবশ্যক।

ডিজিটাল বিভাজন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা চাই না আজকের ডিজিটাল বিভাজন যেন আগামী দিনের আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের বিভাজনে রূপ নেয়। বাংলাদেশ মেধাস্বত্ব ও উদ্ভাবনকে সম্মান করে। একই সঙ্গে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তিতে সাশ্রয়ী প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার ওপর তিনি জোর দেন।

বিজ্ঞানের এই অগ্রযাত্রায় কোনো দেশই যেন পিছিয়ে না থাকে, সে প্রত্যাশা ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবার জন্য একটি ন্যায্য ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়তে বাংলাদেশ সব সময় কাজ করতে প্রস্তুত। এছাড়া আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও সোশ্যাল মিডিয়ার দ্রুত সম্প্রসারণের সুফল যেন ইতিবাচকভাবে কাজে লাগানো যায়, সেজন্য জাতিসংঘের একটি কার্যকর নীতিমালা গ্রহণ এখন সময়ের দাবি বলে তিনি মন্তব্য করেন।