লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অসদাচরণ ও পলায়নের দায়ে পুলিশের দুই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বরখাস্ত

অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক যুগ্ম কমিশনার এস এম মেহেদী হাসান এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত এসপি মো. রহমত উল্লাহ চৌধুরীকে বরখাস্ত করেছে সরকার।

অসদাচরণ ও কর্মস্থলে ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় পুলিশের দুই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকৃত কর্মকর্তারা হলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-দক্ষিণ) এস এম মেহেদী হাসান এবং গাজীপুর ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-২-এর সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রহমত উল্লাহ চৌধুরী।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-১ শাখা থেকে পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে তাদের বরখাস্তের আদেশ জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনগুলোতে স্বাক্ষর করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী বিভাগীয় প্রক্রিয়া শেষে তাদের বিরুদ্ধে এই গুরুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এস এম মেহেদী হাসানকে ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-দক্ষিণ) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। তাকে কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার জন্য একাধিকবার নোটিশ পাঠানো হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি। বিভাগীয় তদন্তে তার বিরুদ্ধে ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়। কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব না দেওয়ায় এবং সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) পরামর্শ অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে এই চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

অন্যদিকে, মো. রহমত উল্লাহ চৌধুরীকে ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। গাজীপুর ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-২-এ কর্মরত থাকা অবস্থায় তিনি অসুস্থতার কারণে চিকিৎসকের পরামর্শে ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে বিশ্রামে যান। তবে দুই মাসের বিশ্রাম শেষে ১১ এপ্রিল তার কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি কাজে ফেরেননি। তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা ও একাধিকবার নোটিশ পাঠানো হলেও তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ ও পলায়ন’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব না দেওয়ায় পিএসসির পরামর্শ সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধেও চূড়ান্ত বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

নুসরাত হত্যা: হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ৪ আসামির আপিল দায়ের

অসদাচরণ ও পলায়নের দায়ে পুলিশের দুই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বরখাস্ত

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:০২:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অসদাচরণ ও কর্মস্থলে ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় পুলিশের দুই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকৃত কর্মকর্তারা হলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-দক্ষিণ) এস এম মেহেদী হাসান এবং গাজীপুর ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-২-এর সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রহমত উল্লাহ চৌধুরী।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-১ শাখা থেকে পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে তাদের বরখাস্তের আদেশ জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনগুলোতে স্বাক্ষর করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী বিভাগীয় প্রক্রিয়া শেষে তাদের বিরুদ্ধে এই গুরুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এস এম মেহেদী হাসানকে ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-দক্ষিণ) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। তাকে কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার জন্য একাধিকবার নোটিশ পাঠানো হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি। বিভাগীয় তদন্তে তার বিরুদ্ধে ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়। কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব না দেওয়ায় এবং সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) পরামর্শ অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে এই চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

অন্যদিকে, মো. রহমত উল্লাহ চৌধুরীকে ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। গাজীপুর ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-২-এ কর্মরত থাকা অবস্থায় তিনি অসুস্থতার কারণে চিকিৎসকের পরামর্শে ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে বিশ্রামে যান। তবে দুই মাসের বিশ্রাম শেষে ১১ এপ্রিল তার কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি কাজে ফেরেননি। তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা ও একাধিকবার নোটিশ পাঠানো হলেও তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ ও পলায়ন’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব না দেওয়ায় পিএসসির পরামর্শ সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধেও চূড়ান্ত বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।