লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উন্নয়ন প্রকল্পে পরামর্শক ব্যয় কমানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (ডিপিপি) পরামর্শক ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এছাড়া, কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়া প্রকল্প বাস্তবায়নে কালক্ষেপণ করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বাস্তবায়নকারী সংস্থাকে কঠোর জবাবদিহিতার আওতায় আনার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর প্রবণতা কমিয়ে অনুমোদিত সময়সীমা ও বাজেটের মধ্যে কাজ শেষ করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। এখন থেকে মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করতে হলে বাস্তবায়নকারী সংস্থাকে সুনির্দিষ্ট কারণ ব্যাখ্যা করতে হবে, যা কঠোরভাবে যাচাই করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের বিদ্যমান সংস্কৃতি নিয়ে নতুন করে ভাবার ওপরও জোর দিয়েছেন বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজটি পর্যাপ্ত গভীরতা ও কারিগরি নির্ভুলতার সাথে করতে হবে, যাতে পরবর্তী সময়ে নকশা পরিবর্তন বা ব্যয় বৃদ্ধির মতো জটিলতা সৃষ্টি না হয়। একইসঙ্গে যশোর, সৈয়দপুর ও শাহ মখদুম বিমানবন্দর উন্নয়ন প্রকল্পে প্রক্রিয়াগত অনিয়ম পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিক তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, ২০২৩ সালে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিজিপি) যে বাজেট সমন্বয় করেছিল, তা উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (ডিপিপি) প্রতিফলিত না হওয়ায় বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) ইতোমধ্যে আটটি প্রকল্পের তদন্ত প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিয়েছে এবং আরও চারটি প্রতিবেদন শীঘ্রই জমা দেওয়া হবে।

আঞ্চলিক বৈষম্য কমাতে রংপুর বিভাগে ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকার একটি গ্রামীণ অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। এছাড়া, ডিজিটাল শাসন ও আর্থিক তদারকি জোরদারে আটটি গুরুত্বপূর্ণ অটোমেশন উদ্যোগকে সমন্বিত করার কাজ চলছে, যার মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা বিতরণে মানুষের হস্তক্ষেপ কমানো এবং ব্যাংকিং খাতের ডিজিটাল তদারকি শক্তিশালী করা সম্ভব হবে।

ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার শুরু, শেষ ২৩ বছরের উপস্থিতি

উন্নয়ন প্রকল্পে পরামর্শক ব্যয় কমানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৪৩:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (ডিপিপি) পরামর্শক ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এছাড়া, কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়া প্রকল্প বাস্তবায়নে কালক্ষেপণ করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বাস্তবায়নকারী সংস্থাকে কঠোর জবাবদিহিতার আওতায় আনার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর প্রবণতা কমিয়ে অনুমোদিত সময়সীমা ও বাজেটের মধ্যে কাজ শেষ করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। এখন থেকে মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করতে হলে বাস্তবায়নকারী সংস্থাকে সুনির্দিষ্ট কারণ ব্যাখ্যা করতে হবে, যা কঠোরভাবে যাচাই করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের বিদ্যমান সংস্কৃতি নিয়ে নতুন করে ভাবার ওপরও জোর দিয়েছেন বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজটি পর্যাপ্ত গভীরতা ও কারিগরি নির্ভুলতার সাথে করতে হবে, যাতে পরবর্তী সময়ে নকশা পরিবর্তন বা ব্যয় বৃদ্ধির মতো জটিলতা সৃষ্টি না হয়। একইসঙ্গে যশোর, সৈয়দপুর ও শাহ মখদুম বিমানবন্দর উন্নয়ন প্রকল্পে প্রক্রিয়াগত অনিয়ম পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিক তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, ২০২৩ সালে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিজিপি) যে বাজেট সমন্বয় করেছিল, তা উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (ডিপিপি) প্রতিফলিত না হওয়ায় বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) ইতোমধ্যে আটটি প্রকল্পের তদন্ত প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিয়েছে এবং আরও চারটি প্রতিবেদন শীঘ্রই জমা দেওয়া হবে।

আঞ্চলিক বৈষম্য কমাতে রংপুর বিভাগে ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকার একটি গ্রামীণ অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। এছাড়া, ডিজিটাল শাসন ও আর্থিক তদারকি জোরদারে আটটি গুরুত্বপূর্ণ অটোমেশন উদ্যোগকে সমন্বিত করার কাজ চলছে, যার মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা বিতরণে মানুষের হস্তক্ষেপ কমানো এবং ব্যাংকিং খাতের ডিজিটাল তদারকি শক্তিশালী করা সম্ভব হবে।