লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৯:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিইআরসির নির্ধারিত দামেই এলপিজি বিক্রির নির্দেশ এলওএবির

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) খুচরা বাজারে চলমান অস্থিরতা নিরসনে কঠোর অবস্থানে রয়েছে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এলওএবি)। সরবরাহ সংকটের অজুহাতে খুচরা বিক্রেতারা ইচ্ছেমতো দাম নিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে, তবে বাস্তবে চাহিদার তুলনায় এলপিজির সরবরাহ পর্যাপ্ত রয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলওএবির সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হকের স্বাক্ষর করা এক বিজ্ঞপ্তিতে সদস্য কোম্পানি, পরিবেশক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের বিইআরসি নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি বিক্রির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এলওএবি জানিয়েছে, গত সেপ্টেম্বর মাসে দেশে ১ দশমিক ৫৬ লাখ মেট্রিক টন এবং আগস্ট মাসে ১ দশমিক ৫৮ লাখ মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি করা হয়েছে। তাই বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির কোনো অবকাশ নেই।

সংগঠনটি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, বিইআরসি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি বা নিয়মবহির্ভূত মজুত করলে তা আইনত অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এমন অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গত ২৮ সেপ্টেম্বর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভার সিদ্ধান্তের আলোকেই এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া গত ৩০ সেপ্টেম্বর জ্বালানি মন্ত্রী জেলা প্রশাসকদের বাজার পরিস্থিতি মনিটর করার নির্দেশ দিয়েছেন। সাধারণ ভোক্তাদের অধিকার সুরক্ষায় এলওএবি প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে সরকার প্রতিটি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করে দিলেও, খুচরা পর্যায়ে তা ২ হাজার ১০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা ডিলারদের কাছ থেকে বেশি দামে কেনার অজুহাত দেখালেও সরকার এখন বাজারে কঠোর তদারকির মাধ্যমে মূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে বদ্ধপরিকর।

সবশেষ যেখানে প্রতিটি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা বেঁধে দিয়েছে সরকার, সেখানে সংকটের কথা বলে একেকটি এলপিজির সিলিন্ডারের জন্য ভোক্তাদের কাছ থেকে ২১০০ থেকে ২৬০০ টাকা নিয়ে নিচ্ছেন খুচরা বিক্রেতারা। অর্থাৎ, সরকার নির্ধারিত দামের চেয়েও ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা বেশি দিয়ে এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন ক্রেতা

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেনীতে দেশের প্রথম সরকারি রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বিইআরসির নির্ধারিত দামেই এলপিজি বিক্রির নির্দেশ এলওএবির

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৩২:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) খুচরা বাজারে চলমান অস্থিরতা নিরসনে কঠোর অবস্থানে রয়েছে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এলওএবি)। সরবরাহ সংকটের অজুহাতে খুচরা বিক্রেতারা ইচ্ছেমতো দাম নিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে, তবে বাস্তবে চাহিদার তুলনায় এলপিজির সরবরাহ পর্যাপ্ত রয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলওএবির সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হকের স্বাক্ষর করা এক বিজ্ঞপ্তিতে সদস্য কোম্পানি, পরিবেশক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের বিইআরসি নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি বিক্রির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এলওএবি জানিয়েছে, গত সেপ্টেম্বর মাসে দেশে ১ দশমিক ৫৬ লাখ মেট্রিক টন এবং আগস্ট মাসে ১ দশমিক ৫৮ লাখ মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি করা হয়েছে। তাই বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির কোনো অবকাশ নেই।

সংগঠনটি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, বিইআরসি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি বা নিয়মবহির্ভূত মজুত করলে তা আইনত অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এমন অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গত ২৮ সেপ্টেম্বর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভার সিদ্ধান্তের আলোকেই এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া গত ৩০ সেপ্টেম্বর জ্বালানি মন্ত্রী জেলা প্রশাসকদের বাজার পরিস্থিতি মনিটর করার নির্দেশ দিয়েছেন। সাধারণ ভোক্তাদের অধিকার সুরক্ষায় এলওএবি প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে সরকার প্রতিটি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করে দিলেও, খুচরা পর্যায়ে তা ২ হাজার ১০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা ডিলারদের কাছ থেকে বেশি দামে কেনার অজুহাত দেখালেও সরকার এখন বাজারে কঠোর তদারকির মাধ্যমে মূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে বদ্ধপরিকর।

সবশেষ যেখানে প্রতিটি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা বেঁধে দিয়েছে সরকার, সেখানে সংকটের কথা বলে একেকটি এলপিজির সিলিন্ডারের জন্য ভোক্তাদের কাছ থেকে ২১০০ থেকে ২৬০০ টাকা নিয়ে নিচ্ছেন খুচরা বিক্রেতারা। অর্থাৎ, সরকার নির্ধারিত দামের চেয়েও ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা বেশি দিয়ে এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন ক্রেতা