লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৬:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যা: ২ আসামির ডিএনএ শনাক্ত

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএ নমুনা শনাক্ত হয়েছে। মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সনাতন চক্রবর্তী জানান, গত ২১ সেপ্টেম্বর এই দুই আসামিকে ঢাকায় সিআইডি কার্যালয়ে নিয়ে নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে, আসামিদের ডিএনএর সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা বিভিন্ন আলামতের নমুনা মিলে গেছে। এর মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দাসের সরাসরি সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হওয়া গেছে।

তদন্তকারী সংস্থা ও সিআইডি সূত্র জানিয়েছে, ঘটনার পর শিক্ষক পরিবারের সদস্যদের মরদেহ উদ্ধারের সময় ঘটনাস্থল থেকে ৩৫টি আলামত সংগ্রহ করা হয়েছিল। ঘটনার ১২ দিন পর তিন দফায় এসব আলামত ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হয়। সংগৃহীত আলামতের মধ্যে ছিল ফল কাটার চাকু, ইয়াবা সেবনের ফয়েল, সিগারেটের শেষাংশ, নান রুটি, শসা ও খেজুর, বেসিনের দাগ এবং নিহত শিশু প্রিয়মের খাতায় পাওয়া একটি লেখা।

উল্লেখ্য, গত ২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া (দাসপাড়া) এলাকার একটি তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রতিবেশী মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেফতার করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

শরীর নিয়ে কটাক্ষের শিকার ক্যাটরিনা, নিজের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিলেন

রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যা: ২ আসামির ডিএনএ শনাক্ত

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:৩০:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএ নমুনা শনাক্ত হয়েছে। মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সনাতন চক্রবর্তী জানান, গত ২১ সেপ্টেম্বর এই দুই আসামিকে ঢাকায় সিআইডি কার্যালয়ে নিয়ে নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে, আসামিদের ডিএনএর সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা বিভিন্ন আলামতের নমুনা মিলে গেছে। এর মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দাসের সরাসরি সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হওয়া গেছে।

তদন্তকারী সংস্থা ও সিআইডি সূত্র জানিয়েছে, ঘটনার পর শিক্ষক পরিবারের সদস্যদের মরদেহ উদ্ধারের সময় ঘটনাস্থল থেকে ৩৫টি আলামত সংগ্রহ করা হয়েছিল। ঘটনার ১২ দিন পর তিন দফায় এসব আলামত ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হয়। সংগৃহীত আলামতের মধ্যে ছিল ফল কাটার চাকু, ইয়াবা সেবনের ফয়েল, সিগারেটের শেষাংশ, নান রুটি, শসা ও খেজুর, বেসিনের দাগ এবং নিহত শিশু প্রিয়মের খাতায় পাওয়া একটি লেখা।

উল্লেখ্য, গত ২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া (দাসপাড়া) এলাকার একটি তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রতিবেশী মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেফতার করা হয়।