লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১০:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাঝআকাশে দরজা খোলায় ঢাকায় ভারতীয় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জরুরি অবতরণ, রোগীর মৃত্যু

ভারতের আগরতলা থেকে কলকাতা যাওয়ার পথে মাঝআকাশে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের দরজা খুলে যায়। এই জরুরি পরিস্থিতিতে বিমানটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। পরবর্তীতে উড়োজাহাজে থাকা এক চিকিৎসাধীন সংকটাপন্ন নারী রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালকের মুখপাত্র মো. রিয়াজ উদ্দিন। তিনি জানান, ভারতের অভ্যন্তরীণ এই ফ্লাইটটি বাংলাদেশের আকাশসীমা অতিক্রম করছিল। এ সময় যান্ত্রিক ত্রুটিতে বিমানের দরজা খুলে গেলে ঢাকার কন্ট্রোল টাওয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করে অবতরণের অনুমতি নেওয়া হয়।

জরুরি অবতরণের পরপরই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে থাকা সংকটাপন্ন রোগী অঞ্জনা ভৌমিককে ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়, যেখানে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বিমানটিতে পাইলট সহ মোট সাতজন আরোহী ছিলেন, যাদের সবাই ভারতীয় নাগরিক। ফ্লাইটে মৃত রোগীর সঙ্গে ডা. ফিরোজ খান নামে একজন চিকিৎসক, একজন প্যারামেডিক এবং দুইজন স্বজন উপস্থিত ছিলেন।

উড়োজাহাজটি পরিচালনা করছিল ভারতীয় প্রতিষ্ঠান এসকেবি ইনফ্রাকন প্রাইভেট লিমিটেড। মডেল সি৯০এ (C90A) এবং নিবন্ধন নম্বর ভিটি-এইচওয়াইএ (VT-HYA) বিশিষ্ট এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটির পাইলট ইন কমান্ড ছিলেন ক্যাপ্টেন পুণ্য অনুপ এবং সহকারী পাইলট হিসেবে ছিলেন ক্যাপ্টেন তনুজ শর্মা। বিমানবন্দর সূত্র জানায়, আশঙ্কাজনক ওই নারী রোগী ছাড়া অন্য ছয় আরোহীই সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন। ফ্লাইটটি ভারতের অভ্যন্তরীণ হওয়ায় আরোহীদের কারও কাছে পাসপোর্ট বা ভিসা ছিল না। ফলে বাংলাদেশের আইনি ও দাপ্তরিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। তবে উড়োজাহাজের দরজা কী কারণে খুলে গিয়েছিল এবং ওই রোগীর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটিতে পাইলটসহ মোট ৭ জন আরোহী ছিলেন, যাদের সবাই ভারতীয় নাগরিক। মৃত রোগীর নাম অঞ্জনা ভৌমিক। তার সাথে একজন চিকিৎসক ডা. ফিরোজ খান, একজন প্যারামেডিক এবং দুইজন স্বজন ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদির চার অঞ্চলে রেড অ্যালার্ট, আকস্মিক বন্যার সতর্কতা

মাঝআকাশে দরজা খোলায় ঢাকায় ভারতীয় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জরুরি অবতরণ, রোগীর মৃত্যু

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৩২:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের আগরতলা থেকে কলকাতা যাওয়ার পথে মাঝআকাশে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের দরজা খুলে যায়। এই জরুরি পরিস্থিতিতে বিমানটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। পরবর্তীতে উড়োজাহাজে থাকা এক চিকিৎসাধীন সংকটাপন্ন নারী রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালকের মুখপাত্র মো. রিয়াজ উদ্দিন। তিনি জানান, ভারতের অভ্যন্তরীণ এই ফ্লাইটটি বাংলাদেশের আকাশসীমা অতিক্রম করছিল। এ সময় যান্ত্রিক ত্রুটিতে বিমানের দরজা খুলে গেলে ঢাকার কন্ট্রোল টাওয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করে অবতরণের অনুমতি নেওয়া হয়।

জরুরি অবতরণের পরপরই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে থাকা সংকটাপন্ন রোগী অঞ্জনা ভৌমিককে ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়, যেখানে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বিমানটিতে পাইলট সহ মোট সাতজন আরোহী ছিলেন, যাদের সবাই ভারতীয় নাগরিক। ফ্লাইটে মৃত রোগীর সঙ্গে ডা. ফিরোজ খান নামে একজন চিকিৎসক, একজন প্যারামেডিক এবং দুইজন স্বজন উপস্থিত ছিলেন।

উড়োজাহাজটি পরিচালনা করছিল ভারতীয় প্রতিষ্ঠান এসকেবি ইনফ্রাকন প্রাইভেট লিমিটেড। মডেল সি৯০এ (C90A) এবং নিবন্ধন নম্বর ভিটি-এইচওয়াইএ (VT-HYA) বিশিষ্ট এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটির পাইলট ইন কমান্ড ছিলেন ক্যাপ্টেন পুণ্য অনুপ এবং সহকারী পাইলট হিসেবে ছিলেন ক্যাপ্টেন তনুজ শর্মা। বিমানবন্দর সূত্র জানায়, আশঙ্কাজনক ওই নারী রোগী ছাড়া অন্য ছয় আরোহীই সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন। ফ্লাইটটি ভারতের অভ্যন্তরীণ হওয়ায় আরোহীদের কারও কাছে পাসপোর্ট বা ভিসা ছিল না। ফলে বাংলাদেশের আইনি ও দাপ্তরিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। তবে উড়োজাহাজের দরজা কী কারণে খুলে গিয়েছিল এবং ওই রোগীর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটিতে পাইলটসহ মোট ৭ জন আরোহী ছিলেন, যাদের সবাই ভারতীয় নাগরিক। মৃত রোগীর নাম অঞ্জনা ভৌমিক। তার সাথে একজন চিকিৎসক ডা. ফিরোজ খান, একজন প্যারামেডিক এবং দুইজন স্বজন ছিলেন।