লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে ফেরাতে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: উপদেষ্টা

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে দেশে ফিরিয়ে আনতে দিল্লির সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে দেশে ফিরিয়ে আনতে দেশটির সরকারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনা নিজে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরুন কিংবা তাকে ধরে এনে সমর্পণ করা হোক—সরকারের নীতিগত অবস্থান একই।

মঙ্গলবার (প্রকাশ: ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০১:০০ পিএম) সরকারের সার্বিক কাজকর্মের হালনাগাদ ও অগ্রগতি তুলে ধরতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য জানান। তথ্য অধিদপ্তরে (পিআইডি) আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে প্রধান তথ্য অফিসার সৈয়দ আবদাল আহমদও উপস্থিত ছিলেন।

শেখ হাসিনার পাসপোর্টের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও তার দেশে ফেরার আইনি সুযোগ প্রসঙ্গে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, সরকার কোনো অবস্থাতেই তার দেশে ফেরাকে বাধাগ্রস্ত করতে চায় না, বরং তাকে ফিরিয়ে আনতেই সরকারের পূর্ণ আগ্রহ রয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, পাসপোর্টের বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করা হলেও বা না হলেও তাকে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে তা বড় বাধা নয়। তিনি আসার সিদ্ধান্ত নিলে কিংবা তাকে ধরে আনার প্রক্রিয়া শুরু হলে সেটি পাসপোর্টের প্রশ্নের ওপর নির্ভর করবে না।

বর্তমানে ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক পদ্ধতি নিয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, যে ধরনের আনুষ্ঠানিকতা ও প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হবে, ভারত সরকারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সরকার তা অনুসরণ করবে। সময়েই বোঝা যাবে পরিস্থিতির আলোকে পরবর্তী কী ধরনের সুনির্দিষ্ট আইনি বা কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে নাশকতা ও সহিংসতার অভিযোগ তোলা রাজনৈতিক দলগুলোর চিরাচরিত দোষারোপের সংস্কৃতি কিনা—এমন প্রশ্নের মুখোমুখি হন উপদেষ্টা। জবাবে তিনি বলেন, একটি স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা ও গণতান্ত্রিক সরকারের আচরণের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য থাকা আবশ্যক। তিনি জোর দিয়ে বলেন, জনগণের সামনে ভিত্তিহীন বা ভুল তথ্য তুলে ধরলে তার পরিণতি সরকারকেই ভোগ করতে হবে। সরকারের বক্তব্যের পেছনে সুনির্দিষ্ট ভিত্তি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, অতীতে যেভাবে রাজনৈতিক বিরোধীদের ওপর ঢালাও দোষ চাপানো হতো, বর্তমান সরকারের অবস্থান তা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসিনা বেঁচে থাকলে সরকারকে শান্তিতে থাকতে দেবেন না: ডা. জাহেদ

শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে ফেরাতে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: উপদেষ্টা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:০৫:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে দেশে ফিরিয়ে আনতে দেশটির সরকারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনা নিজে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরুন কিংবা তাকে ধরে এনে সমর্পণ করা হোক—সরকারের নীতিগত অবস্থান একই।

মঙ্গলবার (প্রকাশ: ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০১:০০ পিএম) সরকারের সার্বিক কাজকর্মের হালনাগাদ ও অগ্রগতি তুলে ধরতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য জানান। তথ্য অধিদপ্তরে (পিআইডি) আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে প্রধান তথ্য অফিসার সৈয়দ আবদাল আহমদও উপস্থিত ছিলেন।

শেখ হাসিনার পাসপোর্টের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও তার দেশে ফেরার আইনি সুযোগ প্রসঙ্গে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, সরকার কোনো অবস্থাতেই তার দেশে ফেরাকে বাধাগ্রস্ত করতে চায় না, বরং তাকে ফিরিয়ে আনতেই সরকারের পূর্ণ আগ্রহ রয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, পাসপোর্টের বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করা হলেও বা না হলেও তাকে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে তা বড় বাধা নয়। তিনি আসার সিদ্ধান্ত নিলে কিংবা তাকে ধরে আনার প্রক্রিয়া শুরু হলে সেটি পাসপোর্টের প্রশ্নের ওপর নির্ভর করবে না।

বর্তমানে ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক পদ্ধতি নিয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, যে ধরনের আনুষ্ঠানিকতা ও প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হবে, ভারত সরকারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সরকার তা অনুসরণ করবে। সময়েই বোঝা যাবে পরিস্থিতির আলোকে পরবর্তী কী ধরনের সুনির্দিষ্ট আইনি বা কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে নাশকতা ও সহিংসতার অভিযোগ তোলা রাজনৈতিক দলগুলোর চিরাচরিত দোষারোপের সংস্কৃতি কিনা—এমন প্রশ্নের মুখোমুখি হন উপদেষ্টা। জবাবে তিনি বলেন, একটি স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা ও গণতান্ত্রিক সরকারের আচরণের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য থাকা আবশ্যক। তিনি জোর দিয়ে বলেন, জনগণের সামনে ভিত্তিহীন বা ভুল তথ্য তুলে ধরলে তার পরিণতি সরকারকেই ভোগ করতে হবে। সরকারের বক্তব্যের পেছনে সুনির্দিষ্ট ভিত্তি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, অতীতে যেভাবে রাজনৈতিক বিরোধীদের ওপর ঢালাও দোষ চাপানো হতো, বর্তমান সরকারের অবস্থান তা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।