লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৯:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসরায়েলের নতুন সরকার: আইজেনকোট না নেতানিয়াহু, সিদ্ধান্ত রোববার

প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৩২ পিএম। ইসরায়েলের নতুন সরকার গঠনের দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে আগামী রোববার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গত ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পর থেকেই সরকার গঠন নিয়ে এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, কারণ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কিংবা বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকোট—কেউই এককভাবে প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেননি।

প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে বেশি সমর্থন পাওয়া নেতাকেই সাধারণত সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়। বর্তমান হিসাব অনুযায়ী, ৬৭ জন সংসদ সদস্য গাদি আইজেনকোটের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। অন্যদিকে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু পেয়েছেন ৪৬ জন সংসদ সদস্যের সমর্থন এবং সাতজন কোনো পক্ষকেই সমর্থন দেননি।

বৃহস্পতিবার টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনার পর প্রেসিডেন্ট হারজগ বলেন, ‘আলোচনার ফলাফল দেখে বিষয়টি পরিষ্কার মনে হতে পারে। কিন্তু আইন অনুযায়ী, সরকার গঠনের সক্ষমতা কার রয়েছে, তা নির্ধারণের দায়িত্ব আমার। দুপক্ষের মধ্যে এবং একই জোটের দলগুলোর মধ্যেও পারস্পরিক বিরোধ থাকায় বিষয়টি এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।’ তিনি দ্রুতই বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে আলোচনা করবেন বলেও জানান।

এদিকে, গাদি আইজেনকোটের দল ইয়াশার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইসরায়েলের জনগণ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছে এবং বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর প্রতি তাদের আস্থার অভাব রয়েছে। দ্রুত একটি জাতীয় জরুরি সরকার গঠন করা এখন সময়ের দাবি বলে দলটির পক্ষ থেকে মন্তব্য করা হয়েছে।

সরকার গঠনের ক্ষেত্রে আরব দলগুলোর ভূমিকা এবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আরব সংখ্যাগরিষ্ঠ দুটি রাজনৈতিক জোট মোট ১৯টি আসন লাভ করেছে। বৃহস্পতিবার এই দল দুটি আইজেনকোটকে সমর্থনের কথা জানিয়েছে। তবে আইজেনকোটের জোটের শরিক দল ‘ইসরায়েল বেইতেনু’ আরব দলগুলোর ওপর নির্ভরশীল কোনো সরকারে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। দলটির নেতা আভিগদর লিবারম্যান আরব দলগুলোর সমালোচনা করে অভিযোগ করেছেন যে, তারা হামাসকে স্পষ্টভাবে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেনি। যদিও আরব দলগুলো ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার নিন্দা জানিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রক্ষণাবেক্ষণ শেষে সামিট এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু

ইসরায়েলের নতুন সরকার: আইজেনকোট না নেতানিয়াহু, সিদ্ধান্ত রোববার

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:০০:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৩২ পিএম। ইসরায়েলের নতুন সরকার গঠনের দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে আগামী রোববার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গত ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পর থেকেই সরকার গঠন নিয়ে এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, কারণ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কিংবা বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকোট—কেউই এককভাবে প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেননি।

প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে বেশি সমর্থন পাওয়া নেতাকেই সাধারণত সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়। বর্তমান হিসাব অনুযায়ী, ৬৭ জন সংসদ সদস্য গাদি আইজেনকোটের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। অন্যদিকে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু পেয়েছেন ৪৬ জন সংসদ সদস্যের সমর্থন এবং সাতজন কোনো পক্ষকেই সমর্থন দেননি।

বৃহস্পতিবার টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনার পর প্রেসিডেন্ট হারজগ বলেন, ‘আলোচনার ফলাফল দেখে বিষয়টি পরিষ্কার মনে হতে পারে। কিন্তু আইন অনুযায়ী, সরকার গঠনের সক্ষমতা কার রয়েছে, তা নির্ধারণের দায়িত্ব আমার। দুপক্ষের মধ্যে এবং একই জোটের দলগুলোর মধ্যেও পারস্পরিক বিরোধ থাকায় বিষয়টি এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।’ তিনি দ্রুতই বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে আলোচনা করবেন বলেও জানান।

এদিকে, গাদি আইজেনকোটের দল ইয়াশার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইসরায়েলের জনগণ পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছে এবং বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর প্রতি তাদের আস্থার অভাব রয়েছে। দ্রুত একটি জাতীয় জরুরি সরকার গঠন করা এখন সময়ের দাবি বলে দলটির পক্ষ থেকে মন্তব্য করা হয়েছে।

সরকার গঠনের ক্ষেত্রে আরব দলগুলোর ভূমিকা এবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আরব সংখ্যাগরিষ্ঠ দুটি রাজনৈতিক জোট মোট ১৯টি আসন লাভ করেছে। বৃহস্পতিবার এই দল দুটি আইজেনকোটকে সমর্থনের কথা জানিয়েছে। তবে আইজেনকোটের জোটের শরিক দল ‘ইসরায়েল বেইতেনু’ আরব দলগুলোর ওপর নির্ভরশীল কোনো সরকারে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। দলটির নেতা আভিগদর লিবারম্যান আরব দলগুলোর সমালোচনা করে অভিযোগ করেছেন যে, তারা হামাসকে স্পষ্টভাবে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেনি। যদিও আরব দলগুলো ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার নিন্দা জানিয়েছে।