লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৩:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্পের উত্তরসূরি কে: রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট শিবিরে সম্ভাব্য নাম

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ভরাডুবি এবং ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ের পর ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এখনো কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থিতা ঘোষণা করেননি, তবুও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উত্তরসূরি হওয়ার দৌড়ে সম্ভাব্য বেশ কয়েকজনের নাম দুই দলের ভেতরেই ঘুরপাক খাচ্ছে।

ডেমোক্র্যাট শিবিরে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বেশ কয়েকজন নেতার নাম সামনে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছেন জর্জিয়ার সিনেটর জন অসফ, যিনি মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাজ্যে বড় ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন। এ ছাড়া পেনসিলভানিয়ার গভর্নর জশ শাপিরোও নিজ রাজ্যে বড় ব্যবধানে জয়ী হওয়ায় বিশ্লেষকরা তাকে জাতীয় পর্যায়ে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনাময় মুখ হিসেবে দেখছেন। তালিকার অন্য নামগুলোর মধ্যে রয়েছেন ইলিনয়ের গভর্নর জেবি প্রিৎজকার, ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং নিউইয়র্কের প্রগতিশীল প্রতিনিধি আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজ। তবে ডেমোক্র্যাটদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলো দলের মধ্যপন্থী ও বামপন্থী অংশের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখা। দলটির নেতারা জীবনযাত্রার ব্যয়, কর্মসংস্থান ও অর্থনীতিকে গুরুত্ব দিয়ে আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে চাইছেন।

অন্যদিকে, রিপাবলিকান শিবিরে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে জেডি ভ্যান্সের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় থাকলেও মধ্যবর্তী নির্বাচনে দলের পরাজয়ের পর তার অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধ এবং ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির কারণে ভোটারদের অসন্তোষ নির্বাচনী ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে। এই পরিস্থিতিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, সিনেটর টেড ক্রুজ ও ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিসান্টিসের মতো নেতাদের সামনে সুযোগ তৈরি হতে পারে, যারা ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির সমালোচনা করে নিজেদের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করছেন।

আগামী নির্বাচনে হিস্পানিক ও দোদুল্যমান ভোটারদের সমর্থন দুই দলের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানরা শ্রমজীবী ও লাতিনো ভোটারদের একটি অংশের সমর্থন হারিয়েছে, পাশাপাশি দলটির অভিবাসননীতি নিয়েও ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রশাসনিক প্রশিক্ষণে পাকিস্তান যাচ্ছেন ৩৫ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা

ট্রাম্পের উত্তরসূরি কে: রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট শিবিরে সম্ভাব্য নাম

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:০১:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ভরাডুবি এবং ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ের পর ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এখনো কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থিতা ঘোষণা করেননি, তবুও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উত্তরসূরি হওয়ার দৌড়ে সম্ভাব্য বেশ কয়েকজনের নাম দুই দলের ভেতরেই ঘুরপাক খাচ্ছে।

ডেমোক্র্যাট শিবিরে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বেশ কয়েকজন নেতার নাম সামনে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছেন জর্জিয়ার সিনেটর জন অসফ, যিনি মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাজ্যে বড় ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন। এ ছাড়া পেনসিলভানিয়ার গভর্নর জশ শাপিরোও নিজ রাজ্যে বড় ব্যবধানে জয়ী হওয়ায় বিশ্লেষকরা তাকে জাতীয় পর্যায়ে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনাময় মুখ হিসেবে দেখছেন। তালিকার অন্য নামগুলোর মধ্যে রয়েছেন ইলিনয়ের গভর্নর জেবি প্রিৎজকার, ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং নিউইয়র্কের প্রগতিশীল প্রতিনিধি আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজ। তবে ডেমোক্র্যাটদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলো দলের মধ্যপন্থী ও বামপন্থী অংশের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখা। দলটির নেতারা জীবনযাত্রার ব্যয়, কর্মসংস্থান ও অর্থনীতিকে গুরুত্ব দিয়ে আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে চাইছেন।

অন্যদিকে, রিপাবলিকান শিবিরে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে জেডি ভ্যান্সের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় থাকলেও মধ্যবর্তী নির্বাচনে দলের পরাজয়ের পর তার অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধ এবং ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির কারণে ভোটারদের অসন্তোষ নির্বাচনী ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে। এই পরিস্থিতিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, সিনেটর টেড ক্রুজ ও ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিসান্টিসের মতো নেতাদের সামনে সুযোগ তৈরি হতে পারে, যারা ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির সমালোচনা করে নিজেদের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করছেন।

আগামী নির্বাচনে হিস্পানিক ও দোদুল্যমান ভোটারদের সমর্থন দুই দলের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানরা শ্রমজীবী ও লাতিনো ভোটারদের একটি অংশের সমর্থন হারিয়েছে, পাশাপাশি দলটির অভিবাসননীতি নিয়েও ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে।