লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৫:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাবুগঞ্জ-উজিরপুরে নদীভাঙন ঠেকাতে ১,২৯৮ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প, আশার আলো দেখছে জনপদ

অনলাইন ডেস্ক নিউজ:

বরিশাল অঞ্চলের নদীভাঙন সমস্যার স্থায়ী সমাধানে বড় ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বরিশাল-২ আসনের সংসদ সদস্য শরফুদ্দিন আহমেদ (সান্টু)-এর প্রচেষ্টায় বাবুগঞ্জ ও উজিরপুর উপজেলায় সন্ধ্যা ও সুগন্ধা নদীর তীর রক্ষায় ১ হাজার ২৯৮ কোটি টাকার একটি বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে রয়েছে।
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙনের কারণে এ অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। প্রতি বছর হাজার হাজার একর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে, ফলে কৃষকরা আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন এবং খাদ্য উৎপাদনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
এছাড়া নদীভাঙনের কারণে বসতবাড়ি, সড়ক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হুমকির মুখে রয়েছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে নদীতীরবর্তী মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করে।
প্রস্তাবে বলা হয়, স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণই এই সমস্যার কার্যকর সমাধান হতে পারে। ইতোমধ্যে প্রকল্পটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়ায় রয়েছে এবং দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানানো হয়েছে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নদীভাঙন থেকে রক্ষা পাবে বিস্তীর্ণ এলাকা, সুরক্ষিত হবে কৃষিজমি এবং উন্নত হবে যোগাযোগ ব্যবস্থা—এমনটাই আশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

২০০৬ সালের রক্তাক্ত ২৮ অক্টোবর: দুই দশক পরও নির্বাচনকালীন সরকারে আস্থার সংকট

বাবুগঞ্জ-উজিরপুরে নদীভাঙন ঠেকাতে ১,২৯৮ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প, আশার আলো দেখছে জনপদ

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৩৪:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক নিউজ:

বরিশাল অঞ্চলের নদীভাঙন সমস্যার স্থায়ী সমাধানে বড় ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বরিশাল-২ আসনের সংসদ সদস্য শরফুদ্দিন আহমেদ (সান্টু)-এর প্রচেষ্টায় বাবুগঞ্জ ও উজিরপুর উপজেলায় সন্ধ্যা ও সুগন্ধা নদীর তীর রক্ষায় ১ হাজার ২৯৮ কোটি টাকার একটি বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে রয়েছে।
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙনের কারণে এ অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। প্রতি বছর হাজার হাজার একর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে, ফলে কৃষকরা আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন এবং খাদ্য উৎপাদনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
এছাড়া নদীভাঙনের কারণে বসতবাড়ি, সড়ক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হুমকির মুখে রয়েছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে নদীতীরবর্তী মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করে।
প্রস্তাবে বলা হয়, স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণই এই সমস্যার কার্যকর সমাধান হতে পারে। ইতোমধ্যে প্রকল্পটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়ায় রয়েছে এবং দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানানো হয়েছে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নদীভাঙন থেকে রক্ষা পাবে বিস্তীর্ণ এলাকা, সুরক্ষিত হবে কৃষিজমি এবং উন্নত হবে যোগাযোগ ব্যবস্থা—এমনটাই আশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।