লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৬:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বমঞ্চে রোনালদোর শেষ যাত্রা: বিদায় নিলেন পর্তুগিজ সুপারস্টার

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো যুগের অবসান হলো। বিশ্বমঞ্চে শূন্য হলো এক কিংবদন্তি ফুটবলারের আসন। রোনালদো আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, এটাই তার শেষ বিশ্বকাপ। শেষ পর্যন্ত পর্তুগালের বিদায়ের মধ্য দিয়ে তার সেই বিশ্বমঞ্চের যাত্রা সমাপ্ত হলো।

ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে ৭০ হাজার দর্শক এই ঐতিহাসিক লড়াইটি প্রত্যক্ষ করেন। খেলার ধারা অনুযায়ী, স্পেন হঠাৎ করেই জেগে ওঠে এবং পর্তুগালের রক্ষণভাগের অসতর্কতার সুযোগ লুফে নেয়। পেনাল্টি বক্সের বাইরে একটি ফাউল সব হিসেব উলট-পালট করে দেয়। ফেরান তোরেসের নিখুঁত পাসে মিকেল মেরিনো বল জালে জড়িয়ে পর্তুগালের স্বপ্ন চুরমার করে দেন। যোগ করা সময়ে মেরিনোর এই গোলটিই রোনালদোর বিপর্যয় ডেকে আনে।

ম্যাচজুড়ে রোনালদো বিধ্বস্ত ছিলেন এবং ক্যামেরায় বারবার তার আবেগপ্রবণ চেহারা ফুটে উঠছিল। ফুটবলের এই মহাতারকা হয়তো ভেবেছিলেন মাত্র ৬ মিনিটে গোল হবে না, কিন্তু ফুটবলের অনিশ্চয়তায় ৩০ সেকেন্ড আগেও ফলাফল বদলে যেতে পারে। রোনালদো চেয়েছিলেন তার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসি বিদায় নেওয়ার আগেই পর্তুগালকে নিয়ে ভালো কিছু করতে, কিন্তু তা আর হলো না।

রোনালদো তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে রিয়াল মাদ্রিদ, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, জুভেন্টাস ও আল নাসরের মতো বিখ্যাত ক্লাবে খেলেছেন। বিশ্বকাপ জিততে না পারলেও তিনি উয়েফা ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ শিরোপা জিতেছেন। এদিন স্পেনের উঠতি তারকা লামিন ইয়ামাল খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। ম্যাচ শেষে রোনালদোকে আবেগপ্রবণ হয়ে বারবার মাঠের দিকে তাকাতে দেখা যায়। পেলে, ম্যারাডোনা, রোনালদো ও মেসির নাম ছাড়া ফুটবলের ইতিহাস লেখা অসম্ভব। রোনালদো ছিলেন এবং ফুটবলের ইতিহাসে চিরকাল থাকবেন।

ম্যারাডোনা বিদায় নিয়েছিলেন এক দুঃখজনক ঘটনার মধ্য দিয়ে, ১৯৯৪ আমেরিকা বিশ্বকাপে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সিটি হাসপাতালে হামলা: ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

বিশ্বমঞ্চে রোনালদোর শেষ যাত্রা: বিদায় নিলেন পর্তুগিজ সুপারস্টার

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:০১:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো যুগের অবসান হলো। বিশ্বমঞ্চে শূন্য হলো এক কিংবদন্তি ফুটবলারের আসন। রোনালদো আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, এটাই তার শেষ বিশ্বকাপ। শেষ পর্যন্ত পর্তুগালের বিদায়ের মধ্য দিয়ে তার সেই বিশ্বমঞ্চের যাত্রা সমাপ্ত হলো।

ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে ৭০ হাজার দর্শক এই ঐতিহাসিক লড়াইটি প্রত্যক্ষ করেন। খেলার ধারা অনুযায়ী, স্পেন হঠাৎ করেই জেগে ওঠে এবং পর্তুগালের রক্ষণভাগের অসতর্কতার সুযোগ লুফে নেয়। পেনাল্টি বক্সের বাইরে একটি ফাউল সব হিসেব উলট-পালট করে দেয়। ফেরান তোরেসের নিখুঁত পাসে মিকেল মেরিনো বল জালে জড়িয়ে পর্তুগালের স্বপ্ন চুরমার করে দেন। যোগ করা সময়ে মেরিনোর এই গোলটিই রোনালদোর বিপর্যয় ডেকে আনে।

ম্যাচজুড়ে রোনালদো বিধ্বস্ত ছিলেন এবং ক্যামেরায় বারবার তার আবেগপ্রবণ চেহারা ফুটে উঠছিল। ফুটবলের এই মহাতারকা হয়তো ভেবেছিলেন মাত্র ৬ মিনিটে গোল হবে না, কিন্তু ফুটবলের অনিশ্চয়তায় ৩০ সেকেন্ড আগেও ফলাফল বদলে যেতে পারে। রোনালদো চেয়েছিলেন তার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসি বিদায় নেওয়ার আগেই পর্তুগালকে নিয়ে ভালো কিছু করতে, কিন্তু তা আর হলো না।

রোনালদো তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে রিয়াল মাদ্রিদ, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, জুভেন্টাস ও আল নাসরের মতো বিখ্যাত ক্লাবে খেলেছেন। বিশ্বকাপ জিততে না পারলেও তিনি উয়েফা ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ শিরোপা জিতেছেন। এদিন স্পেনের উঠতি তারকা লামিন ইয়ামাল খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। ম্যাচ শেষে রোনালদোকে আবেগপ্রবণ হয়ে বারবার মাঠের দিকে তাকাতে দেখা যায়। পেলে, ম্যারাডোনা, রোনালদো ও মেসির নাম ছাড়া ফুটবলের ইতিহাস লেখা অসম্ভব। রোনালদো ছিলেন এবং ফুটবলের ইতিহাসে চিরকাল থাকবেন।

ম্যারাডোনা বিদায় নিয়েছিলেন এক দুঃখজনক ঘটনার মধ্য দিয়ে, ১৯৯৪ আমেরিকা বিশ্বকাপে।