লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৩:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোংলা বন্দরকে নতুন অর্থনৈতিক হাব হিসেবে গড়ে তুলবে সরকার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন ও এর সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণ করা হলে এটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জন্য একটি সম্ভাবনাময় নতুন অর্থনৈতিক হাবে পরিণত হবে। বৃহস্পতিবার মোংলায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি ‘মোংলা বন্দর সুবিধা সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পের আওতায় দুটি কনটেইনার জেটি নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক অবকাঠামো উন্নয়ন করা হবে। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পাশাপাশি বন্দর প্রাঙ্গণে তিনি একটি গাছের চারাও রোপণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মোংলা বন্দরকে কেন্দ্র করে খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও যশোরসহ পুরো অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। সরকার পঞ্চগড় থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং বন্দরের সরবরাহ ও পণ্য পরিবহন সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে চায়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মোংলা বন্দর জ্বালানি, সার, খাদ্যশস্য ও শিল্পের কাঁচামাল আমদানি এবং দেশীয় পণ্য রপ্তানিতে পরিপূরক বন্দর হিসেবে জাতীয় অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে আরও সমৃদ্ধ করতে সক্ষম।

প্রকল্পের আওতায় আধুনিক কনটেইনার টার্মিনাল, ইয়ার্ড ও কার্গো হ্যান্ডলিং সুবিধাসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, নির্ধারিত সময়ে এসব কাজ সম্পন্ন হলে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটবে এবং সারা দেশের জন্য নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। তিনি বলেন, বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে বাণিজ্যিক যোগাযোগ জোরদার করা সম্ভব হবে। এছাড়া খানজাহান আলী বিমানবন্দরের উন্নয়ন কার্যক্রম চালু করাও সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে তিনি জানান।

প্রকল্পের সাফল্যের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু নির্মাণকাজ শেষ হওয়া এর প্রকৃত সাফল্য নয়। বরং বন্দরসেবার মান উন্নয়ন, পণ্য পরিবহনে সময় ও ব্যয় হ্রাস, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং পরিবেশ সুরক্ষার ওপরই প্রকল্পের প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে। তিনি পরিবেশবান্ধব সেবা ব্যবস্থাপনা, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং জাহাজের নিরাপদ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

বৃহস্পতিবার মোংলায় ‘মোংলা বন্দর সুবিধা সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। এদিন সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে দু’টি কনটেইনার জেটি নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এ সময়ে বন্দরপ্রাঙ্গণে তিনি এক

জনপ্রিয় সংবাদ

মানিকগঞ্জে ট্রিপল মার্ডারে ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৮ জনের যাবজ্জীবন

মোংলা বন্দরকে নতুন অর্থনৈতিক হাব হিসেবে গড়ে তুলবে সরকার

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:০১:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন ও এর সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণ করা হলে এটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জন্য একটি সম্ভাবনাময় নতুন অর্থনৈতিক হাবে পরিণত হবে। বৃহস্পতিবার মোংলায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি ‘মোংলা বন্দর সুবিধা সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পের আওতায় দুটি কনটেইনার জেটি নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক অবকাঠামো উন্নয়ন করা হবে। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পাশাপাশি বন্দর প্রাঙ্গণে তিনি একটি গাছের চারাও রোপণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মোংলা বন্দরকে কেন্দ্র করে খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও যশোরসহ পুরো অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। সরকার পঞ্চগড় থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং বন্দরের সরবরাহ ও পণ্য পরিবহন সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে চায়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মোংলা বন্দর জ্বালানি, সার, খাদ্যশস্য ও শিল্পের কাঁচামাল আমদানি এবং দেশীয় পণ্য রপ্তানিতে পরিপূরক বন্দর হিসেবে জাতীয় অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে আরও সমৃদ্ধ করতে সক্ষম।

প্রকল্পের আওতায় আধুনিক কনটেইনার টার্মিনাল, ইয়ার্ড ও কার্গো হ্যান্ডলিং সুবিধাসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, নির্ধারিত সময়ে এসব কাজ সম্পন্ন হলে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটবে এবং সারা দেশের জন্য নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। তিনি বলেন, বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে বাণিজ্যিক যোগাযোগ জোরদার করা সম্ভব হবে। এছাড়া খানজাহান আলী বিমানবন্দরের উন্নয়ন কার্যক্রম চালু করাও সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে তিনি জানান।

প্রকল্পের সাফল্যের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু নির্মাণকাজ শেষ হওয়া এর প্রকৃত সাফল্য নয়। বরং বন্দরসেবার মান উন্নয়ন, পণ্য পরিবহনে সময় ও ব্যয় হ্রাস, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং পরিবেশ সুরক্ষার ওপরই প্রকল্পের প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে। তিনি পরিবেশবান্ধব সেবা ব্যবস্থাপনা, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং জাহাজের নিরাপদ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

বৃহস্পতিবার মোংলায় ‘মোংলা বন্দর সুবিধা সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। এদিন সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে দু’টি কনটেইনার জেটি নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এ সময়ে বন্দরপ্রাঙ্গণে তিনি এক