লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আনচেলোত্তির ওপর ক্ষুব্ধ রোমারিও, ছাঁটাইয়ের দাবি কিংবদন্তি তারকার

নরওয়ের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের আকস্মিক বিদায় কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না কিংবদন্তি ফুটবলার রোমারিও। ১৯৯৪ সালে সেলেসাওদের বিশ্বকাপ জেতানো এই তারকা দলের এমন ভরাডুবির জন্য কোচ কার্লো আনচেলোত্তির ওপর দায় চাপিয়েছেন এবং তাকে অবিলম্বে ছাঁটাইয়ের জোর দাবি তুলেছেন।

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে ব্যর্থতার চুলচেরা বিশ্লেষণ করতে গিয়ে ৬০ বছর বয়সী রোমারিও বলেন, ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত আনচেলোত্তির ওপর আস্থা রাখলেও তিনি ভিন্ন মত পোষণ করেন। তিনি বলেন, আমি সিবিএফের প্রেসিডেন্ট হলে আনচেলোত্তির চুক্তি বাতিল করতাম। তিনি আরও বলেন, ম্যাচ শেষে ড্রেসিং রুমে গিয়ে আমি তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বিদায় করে দিতাম এবং আইনি পথে যা হওয়ার তা হতো। তিনি আমাদের যে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলেছেন, এরপর আর তার ব্রাজিল দলের কোচ থাকার সুযোগ নেই।

ম্যাচে আনচেলোত্তির কৌশল নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন রোমারিও। বিশেষ করে নেইমার জুনিয়রকে শুরুতে বেঞ্চে রাখা এবং ব্রুনো গিমারায়েসকে পেনাল্টি নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন তিনি। এছাড়া ফুলব্যাক ইনজুরিতে পড়লে সেন্টারব্যাক এদেরসনকে নামানোর সিদ্ধান্তটি তার কাছে বোধগম্য ছিল না।

ব্রাজিলের ফুটবল সংস্কৃতি স্মরণ করিয়ে দিয়ে রোমারিও বলেন, অতীতে দুঙ্গা বা তিতের মতো কোচরা হারলে তাদের দায়িত্ব থেকে সরে যেতে হয়েছে, কিন্তু আনচেলোত্তি হেরেও থেকে যাচ্ছেন। তিনি মনে করেন, আনচেলোত্তি বিদেশি হওয়ার কারণেই সিবিএফ এবং সমর্থকরা তার প্রতি সহানুভূতি দেখাচ্ছেন, যা কোনো স্থানীয় কোচের ক্ষেত্রে ঘটত না। ১৯৯০ সালের পর এবারই প্রথম পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা শেষ ১৬ থেকে বিদায় নিল, যা ২০০২ সালের পর তাদের হেক্সা জয়ের স্বপ্নকে আরও দীর্ঘায়িত করল।

জনপ্রিয় সংবাদ

‘মন্ত্রী বড়, নাকি এমপি’—কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতিতে ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

আনচেলোত্তির ওপর ক্ষুব্ধ রোমারিও, ছাঁটাইয়ের দাবি কিংবদন্তি তারকার

প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:৪৭:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

নরওয়ের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের আকস্মিক বিদায় কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না কিংবদন্তি ফুটবলার রোমারিও। ১৯৯৪ সালে সেলেসাওদের বিশ্বকাপ জেতানো এই তারকা দলের এমন ভরাডুবির জন্য কোচ কার্লো আনচেলোত্তির ওপর দায় চাপিয়েছেন এবং তাকে অবিলম্বে ছাঁটাইয়ের জোর দাবি তুলেছেন।

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে ব্যর্থতার চুলচেরা বিশ্লেষণ করতে গিয়ে ৬০ বছর বয়সী রোমারিও বলেন, ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত আনচেলোত্তির ওপর আস্থা রাখলেও তিনি ভিন্ন মত পোষণ করেন। তিনি বলেন, আমি সিবিএফের প্রেসিডেন্ট হলে আনচেলোত্তির চুক্তি বাতিল করতাম। তিনি আরও বলেন, ম্যাচ শেষে ড্রেসিং রুমে গিয়ে আমি তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বিদায় করে দিতাম এবং আইনি পথে যা হওয়ার তা হতো। তিনি আমাদের যে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলেছেন, এরপর আর তার ব্রাজিল দলের কোচ থাকার সুযোগ নেই।

ম্যাচে আনচেলোত্তির কৌশল নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন রোমারিও। বিশেষ করে নেইমার জুনিয়রকে শুরুতে বেঞ্চে রাখা এবং ব্রুনো গিমারায়েসকে পেনাল্টি নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন তিনি। এছাড়া ফুলব্যাক ইনজুরিতে পড়লে সেন্টারব্যাক এদেরসনকে নামানোর সিদ্ধান্তটি তার কাছে বোধগম্য ছিল না।

ব্রাজিলের ফুটবল সংস্কৃতি স্মরণ করিয়ে দিয়ে রোমারিও বলেন, অতীতে দুঙ্গা বা তিতের মতো কোচরা হারলে তাদের দায়িত্ব থেকে সরে যেতে হয়েছে, কিন্তু আনচেলোত্তি হেরেও থেকে যাচ্ছেন। তিনি মনে করেন, আনচেলোত্তি বিদেশি হওয়ার কারণেই সিবিএফ এবং সমর্থকরা তার প্রতি সহানুভূতি দেখাচ্ছেন, যা কোনো স্থানীয় কোচের ক্ষেত্রে ঘটত না। ১৯৯০ সালের পর এবারই প্রথম পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা শেষ ১৬ থেকে বিদায় নিল, যা ২০০২ সালের পর তাদের হেক্সা জয়ের স্বপ্নকে আরও দীর্ঘায়িত করল।