লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৭:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জন্মভূমির বিপক্ষে হালান্ড: কেন বেছে নিয়েছিলেন নরওয়েকে?

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড ও নরওয়ের মধ্যকার লড়াইটি স্ট্রাইকার আর্লিং ব্রাউট হালান্ডের জন্য অত্যন্ত বিশেষ একটি ম্যাচ হতে যাচ্ছে। সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ের পাশাপাশি এই ম্যাচটিতে তিনি প্রথমবারের মতো মুখোমুখি হচ্ছেন তার জন্মভূমির। ২৫ বছর আগে ইংল্যান্ডের মাটিতেই তার জন্ম হয়েছিল।

সেই সময় হালান্ডের বাবা আলফ-ইঙ্গে হালান্ড প্রিমিয়ার লিগে লিডস ইউনাইটেডের হয়ে খেলতেন। পেশাদার ক্যারিয়ারের কারণে সেই সময় তিনি ব্রিটিশ অঞ্চলে অবস্থান করছিলেন। চাইলে হালান্ড ইংল্যান্ডের জাতীয় দলের হয়ে খেলার সুযোগ পেতেন, কিন্তু তিনি নরওয়েকেই বেছে নেন। নর্ডিক দেশটির ফুটবলে খেলার সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়ে বছরখানেক আগে হালান্ডকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, তিনি নরওয়েতে অনেক বেশি সময় কাটিয়েছেন, তাই এই দেশকেই বেছে নেওয়া তার কাছে স্বাভাবিক মনে হয়েছে। তিনি বলেন, তার বাবা যদি সেখানে আরও বেশি সময় খেলতেন, তবে হয়তো তিনি ইংরেজ হতেন, কিন্তু বর্তমানে তিনি একজন গর্বিত নরওয়েজিয়ান।

উল্লেখ্য যে, হালান্ডের বাবা-মা দুজনেই নর্ডিক বংশোদ্ভূত। আলফ-ইঙ্গে নিজেও নরওয়ের হয়ে ফুটবল খেলেছেন এবং ১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপে নরওয়ের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। ২৮ বছর পর সেই একই দেশে আয়োজিত বিশ্বকাপে তার ছেলে আর্লিং হালান্ড নরওয়ের হয়ে খেলছেন। চলতি আসরে চার ম্যাচে সাত গোল করে তিনি নরওয়ের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্রে পরিণত হয়েছেন।

আগামীকাল বাংলাদেশ সময় রাত ৩টায় মায়ামি স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ড ও নরওয়ে মুখোমুখি হবে। ম্যানচেস্টার সিটিতে খেলার সুবাদে এই ম্যাচে হালান্ড তার ক্লাবের তিন সতীর্থের বিপক্ষেই মাঠে নামবেন।

উল্লেখ্য, হালান্ডের বাবা-মাও নর্ডিক। ব্রিটিশ অঞ্চলে তার জন্মের একমাত্র কারণ ছিল তার বাবার পেশাদার ক্যারিয়ার। আলফ-ইঙ্গে কিন্তু নরওয়ের হয়ে বিশ্বকাপেও খেলেছেন। ১৯৩৮ সালে ফ্রান্স বিশ্বকাপের ৫৬ বছর পর ফেরা দলের স্কোয়াডে ছিলেন তিনি। ১৯৯৪ সালের যুক্তরাষ্ট্রে বাবা বিশ্বকাপে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। ২৮ বছর পর সেই একই দেশে প্রথম ব

জনপ্রিয় সংবাদ

আওয়ামী লীগকে এ দেশে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জন্মভূমির বিপক্ষে হালান্ড: কেন বেছে নিয়েছিলেন নরওয়েকে?

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:৩১:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড ও নরওয়ের মধ্যকার লড়াইটি স্ট্রাইকার আর্লিং ব্রাউট হালান্ডের জন্য অত্যন্ত বিশেষ একটি ম্যাচ হতে যাচ্ছে। সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ের পাশাপাশি এই ম্যাচটিতে তিনি প্রথমবারের মতো মুখোমুখি হচ্ছেন তার জন্মভূমির। ২৫ বছর আগে ইংল্যান্ডের মাটিতেই তার জন্ম হয়েছিল।

সেই সময় হালান্ডের বাবা আলফ-ইঙ্গে হালান্ড প্রিমিয়ার লিগে লিডস ইউনাইটেডের হয়ে খেলতেন। পেশাদার ক্যারিয়ারের কারণে সেই সময় তিনি ব্রিটিশ অঞ্চলে অবস্থান করছিলেন। চাইলে হালান্ড ইংল্যান্ডের জাতীয় দলের হয়ে খেলার সুযোগ পেতেন, কিন্তু তিনি নরওয়েকেই বেছে নেন। নর্ডিক দেশটির ফুটবলে খেলার সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়ে বছরখানেক আগে হালান্ডকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, তিনি নরওয়েতে অনেক বেশি সময় কাটিয়েছেন, তাই এই দেশকেই বেছে নেওয়া তার কাছে স্বাভাবিক মনে হয়েছে। তিনি বলেন, তার বাবা যদি সেখানে আরও বেশি সময় খেলতেন, তবে হয়তো তিনি ইংরেজ হতেন, কিন্তু বর্তমানে তিনি একজন গর্বিত নরওয়েজিয়ান।

উল্লেখ্য যে, হালান্ডের বাবা-মা দুজনেই নর্ডিক বংশোদ্ভূত। আলফ-ইঙ্গে নিজেও নরওয়ের হয়ে ফুটবল খেলেছেন এবং ১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপে নরওয়ের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। ২৮ বছর পর সেই একই দেশে আয়োজিত বিশ্বকাপে তার ছেলে আর্লিং হালান্ড নরওয়ের হয়ে খেলছেন। চলতি আসরে চার ম্যাচে সাত গোল করে তিনি নরওয়ের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্রে পরিণত হয়েছেন।

আগামীকাল বাংলাদেশ সময় রাত ৩টায় মায়ামি স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ড ও নরওয়ে মুখোমুখি হবে। ম্যানচেস্টার সিটিতে খেলার সুবাদে এই ম্যাচে হালান্ড তার ক্লাবের তিন সতীর্থের বিপক্ষেই মাঠে নামবেন।

উল্লেখ্য, হালান্ডের বাবা-মাও নর্ডিক। ব্রিটিশ অঞ্চলে তার জন্মের একমাত্র কারণ ছিল তার বাবার পেশাদার ক্যারিয়ার। আলফ-ইঙ্গে কিন্তু নরওয়ের হয়ে বিশ্বকাপেও খেলেছেন। ১৯৩৮ সালে ফ্রান্স বিশ্বকাপের ৫৬ বছর পর ফেরা দলের স্কোয়াডে ছিলেন তিনি। ১৯৯৪ সালের যুক্তরাষ্ট্রে বাবা বিশ্বকাপে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। ২৮ বছর পর সেই একই দেশে প্রথম ব