লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চরফ্যাশনে এইচএসসি কেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুর, আহত ১০

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে হামলার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ের পরীক্ষা শেষে একদল পরীক্ষার্থী এ ঘটনায় জড়িত ছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আইসিটি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র কঠিন হওয়া এবং কক্ষ পরিদর্শকদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগে পরীক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। পরীক্ষা শেষে প্রায় ৮৮৪ জন পরীক্ষার্থী কেন্দ্র ত্যাগ করার পর দুপুর ১টা ১৫ মিনিটের দিকে প্রায় দুই শতাধিক পরীক্ষার্থী কলেজের প্রধান ফটকের সামনে জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকে এবং কলেজ প্রাঙ্গণে ডিম নিক্ষেপ করে। একপর্যায়ে তারা কলেজের উত্তর-পশ্চিম পাশের দুটি গেট ভেঙে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে অধ্যক্ষের কার্যালয়ের জানালার কাচ ভাঙচুর করে। এ সময় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

হামলার ঘটনায় কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি হুমায়ুন কবির শিকদার এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর জাহিদুল ইসলাম রাসেলসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কয়েক রাউন্ড টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজের সহযোগিতায় পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্র নিরাপদে ডাকঘরে পাঠানো হয়।

চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ জানান, পরীক্ষার প্রশ্ন কঠিন হওয়া এবং শিক্ষকদের সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগে কিছু পরীক্ষার্থী অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটিয়েছে। বর্তমানে ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি, তবে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢামেকের ৮ তলা থেকে লাফিয়ে চিকিৎসাধীন তরুণীর মৃত্যু

চরফ্যাশনে এইচএসসি কেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুর, আহত ১০

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:০০:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে হামলার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ের পরীক্ষা শেষে একদল পরীক্ষার্থী এ ঘটনায় জড়িত ছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আইসিটি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র কঠিন হওয়া এবং কক্ষ পরিদর্শকদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগে পরীক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। পরীক্ষা শেষে প্রায় ৮৮৪ জন পরীক্ষার্থী কেন্দ্র ত্যাগ করার পর দুপুর ১টা ১৫ মিনিটের দিকে প্রায় দুই শতাধিক পরীক্ষার্থী কলেজের প্রধান ফটকের সামনে জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকে এবং কলেজ প্রাঙ্গণে ডিম নিক্ষেপ করে। একপর্যায়ে তারা কলেজের উত্তর-পশ্চিম পাশের দুটি গেট ভেঙে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে অধ্যক্ষের কার্যালয়ের জানালার কাচ ভাঙচুর করে। এ সময় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

হামলার ঘটনায় কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি হুমায়ুন কবির শিকদার এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর জাহিদুল ইসলাম রাসেলসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কয়েক রাউন্ড টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজের সহযোগিতায় পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্র নিরাপদে ডাকঘরে পাঠানো হয়।

চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ জানান, পরীক্ষার প্রশ্ন কঠিন হওয়া এবং শিক্ষকদের সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগে কিছু পরীক্ষার্থী অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটিয়েছে। বর্তমানে ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি, তবে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।