লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৫:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লক্ষ্মীপুরে পচা-বাসি খাবার বিক্রি: ৩ হোটেলকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬: ২৯

লক্ষ্মীপুর জেলা শহরে পচা-বাসি খাবার বিক্রি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরির অভিযোগে তিনটি খাবার হোটেলের মালিককে ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান চলাকালে প্রতিষ্ঠানগুলোর রান্নাঘরে অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরির প্রমাণ পাওয়া যায়। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকদের কাছে পচা ও বাসি খাবার বিক্রি করার দায়ে হোটেল মালিকদের এই অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এর মধ্যে নুরজাহান হোটেলে খাবার তৈরিতে নিষিদ্ধ কেওড়াজল ব্যবহারের প্রমাণও পেয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

দণ্ডপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নুরজাহান হোটেলের মালিক সাইফুল আলমকে ৫ লাখ টাকা, রাজমহল হোটেলের মালিক বিষ্ণু বণিককে ৪ লাখ টাকা এবং মোহাম্মদীয়া হোটেলের মালিক নাজমা বেগমকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের পরিচালক ও লক্ষ্মীপুর জেলার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. ওমর ফারুক এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন। অভিযান পরিচালনাকালে আরও উপস্থিত ছিলেন র‍্যাব-১১ (নোয়াখালী ক্যাম্পের) ডিএডি অমলেশ বাইন, জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুমধু চক্রবর্তী এবং লক্ষ্মীপুর পৌরসভার নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক আবদুল্লাহ হিল হাকিম।

অভিযানের বিষয়ে জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুমধু চক্রবর্তী জানান, 'আমরা যৌথভাবে খাবার হোটেলগুলোতে অভিযান পরিচালনা করেছি। পচা-বাসি খাবার বিক্রি, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরিসহ বিভিন্ন অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের মালিককে মোট ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।'

জনপ্রিয় সংবাদ

বেটিং তদন্তে ফোন জব্দ, আইসিসির দ্বারস্থ মোহাম্মদ রিজওয়ান

লক্ষ্মীপুরে পচা-বাসি খাবার বিক্রি: ৩ হোটেলকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:৪৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রকাশ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬: ২৯

লক্ষ্মীপুর জেলা শহরে পচা-বাসি খাবার বিক্রি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরির অভিযোগে তিনটি খাবার হোটেলের মালিককে ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান চলাকালে প্রতিষ্ঠানগুলোর রান্নাঘরে অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরির প্রমাণ পাওয়া যায়। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকদের কাছে পচা ও বাসি খাবার বিক্রি করার দায়ে হোটেল মালিকদের এই অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এর মধ্যে নুরজাহান হোটেলে খাবার তৈরিতে নিষিদ্ধ কেওড়াজল ব্যবহারের প্রমাণও পেয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

দণ্ডপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নুরজাহান হোটেলের মালিক সাইফুল আলমকে ৫ লাখ টাকা, রাজমহল হোটেলের মালিক বিষ্ণু বণিককে ৪ লাখ টাকা এবং মোহাম্মদীয়া হোটেলের মালিক নাজমা বেগমকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের পরিচালক ও লক্ষ্মীপুর জেলার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. ওমর ফারুক এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন। অভিযান পরিচালনাকালে আরও উপস্থিত ছিলেন র‍্যাব-১১ (নোয়াখালী ক্যাম্পের) ডিএডি অমলেশ বাইন, জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুমধু চক্রবর্তী এবং লক্ষ্মীপুর পৌরসভার নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক আবদুল্লাহ হিল হাকিম।

অভিযানের বিষয়ে জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুমধু চক্রবর্তী জানান, 'আমরা যৌথভাবে খাবার হোটেলগুলোতে অভিযান পরিচালনা করেছি। পচা-বাসি খাবার বিক্রি, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরিসহ বিভিন্ন অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের মালিককে মোট ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।'