লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিরপুর প্রেসক্লাবের উপদেষ্টার বিরুদ্ধে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির মামলা

রাজধানীর পল্লবীতে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মিরপুর বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল খোশনবীশ বাদী হয়ে মিরপুর প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মোল্লাসহ মোট চারজনের বিরুদ্ধে এই মামলাটি করেছেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন লতিফ মোল্লা, সাগরিকা বেগম মনি ও শাহ আলম।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, স্কুলের সাবেক ও বর্তমান কয়েকজন শিক্ষকের প্ররোচনায় আসামিরা অধ্যক্ষ মোস্তফা কামালের কাছে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা প্রদানে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে চাকরিচ্যুত করার হুমকি দেওয়া হয়। এজাহারে লতিফ মোল্লা ও সাগরিকা বেগম মনিকে স্কুলের সাবেক কর্মচারী এবং মিজানুর রহমান মোল্লা ও শাহ আলমকে এলাকায় চাঁদাবাজ ও বখাটে হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল জানান, মান-সম্মানের কথা চিন্তা করে তিনি এর আগে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে ৩ লাখ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। কিন্তু এরপরও আসামিরা আরও টাকার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন। টাকা দিতে অস্বীকার করায় ২০২৪ সালে তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল-২, ঢাকায় একটি মামলা করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে আদালতে মিথ্যা প্রমাণিত হয়ে খারিজ হয়ে যায়। গত ২৩ জুন মিরপুর-১১ নম্বরের একটি মনোরোগ ক্লিনিকের সামনে অধ্যক্ষকে একা পেয়ে আসামিরা পুনরায় ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং টাকা না দিলে আদালতে আরও মিথ্যা মামলার হুমকি দেন।

পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) প্রিয়তোষ চন্দ্র সরকার জানান, চাঁদাবাজির এই মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বাকি আসামিদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উল্লেখ্য, কথিত ‘মিরপুর প্রেসক্লাব’-এর সভাপতি আমিরুজ্জামান আমির, সাধারণ সম্পাদক এস এম জহির এবং প্রধান উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মোল্লার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও মামলার তথ্য সামনে আসায় স্থানীয় সচেতন মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে ব্যক্তিস্বার্থে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালানো পুরো সাংবাদিক সমাজের জন্য উদ্বেগজনক।

‎খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সংগঠনটির সভাপতি আমির ও সাধারণ সম্পাদক জহিরের বিরুদ্ধে দখল, চাঁদাবাজি, হত্যা এবং প্রতারণাসহ একাধিক অভিযোগ ও মামলা রয়েছে। গত ১২ জুলাই কথিত প্রেসক্লাবটির প্রধান উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মোল্লাসহ চারজনের বিরুদ্ধে পল্লবী থানায় চাঁদাবাজির একটি মামলা দায়েরের পর বিষয়টি আরো আলোচনায় আসে। পরদিন ১৩ জুলাই মিরপুর

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালী নিয়ে ইরান-ওমান আলোচনার খবরে তেলের দাম হ্রাস

মিরপুর প্রেসক্লাবের উপদেষ্টার বিরুদ্ধে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির মামলা

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:০০:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মিরপুর বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল খোশনবীশ বাদী হয়ে মিরপুর প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মোল্লাসহ মোট চারজনের বিরুদ্ধে এই মামলাটি করেছেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন লতিফ মোল্লা, সাগরিকা বেগম মনি ও শাহ আলম।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, স্কুলের সাবেক ও বর্তমান কয়েকজন শিক্ষকের প্ররোচনায় আসামিরা অধ্যক্ষ মোস্তফা কামালের কাছে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা প্রদানে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে চাকরিচ্যুত করার হুমকি দেওয়া হয়। এজাহারে লতিফ মোল্লা ও সাগরিকা বেগম মনিকে স্কুলের সাবেক কর্মচারী এবং মিজানুর রহমান মোল্লা ও শাহ আলমকে এলাকায় চাঁদাবাজ ও বখাটে হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল জানান, মান-সম্মানের কথা চিন্তা করে তিনি এর আগে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে ৩ লাখ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। কিন্তু এরপরও আসামিরা আরও টাকার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন। টাকা দিতে অস্বীকার করায় ২০২৪ সালে তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল-২, ঢাকায় একটি মামলা করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে আদালতে মিথ্যা প্রমাণিত হয়ে খারিজ হয়ে যায়। গত ২৩ জুন মিরপুর-১১ নম্বরের একটি মনোরোগ ক্লিনিকের সামনে অধ্যক্ষকে একা পেয়ে আসামিরা পুনরায় ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং টাকা না দিলে আদালতে আরও মিথ্যা মামলার হুমকি দেন।

পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) প্রিয়তোষ চন্দ্র সরকার জানান, চাঁদাবাজির এই মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বাকি আসামিদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উল্লেখ্য, কথিত ‘মিরপুর প্রেসক্লাব’-এর সভাপতি আমিরুজ্জামান আমির, সাধারণ সম্পাদক এস এম জহির এবং প্রধান উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মোল্লার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও মামলার তথ্য সামনে আসায় স্থানীয় সচেতন মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে ব্যক্তিস্বার্থে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালানো পুরো সাংবাদিক সমাজের জন্য উদ্বেগজনক।

‎খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সংগঠনটির সভাপতি আমির ও সাধারণ সম্পাদক জহিরের বিরুদ্ধে দখল, চাঁদাবাজি, হত্যা এবং প্রতারণাসহ একাধিক অভিযোগ ও মামলা রয়েছে। গত ১২ জুলাই কথিত প্রেসক্লাবটির প্রধান উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মোল্লাসহ চারজনের বিরুদ্ধে পল্লবী থানায় চাঁদাবাজির একটি মামলা দায়েরের পর বিষয়টি আরো আলোচনায় আসে। পরদিন ১৩ জুলাই মিরপুর