লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৯:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দখল হওয়া সরকারি জমি উদ্ধার করা হবে: গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বেহাত ও দখল হওয়া সব সরকারি জমির তালিকা তৈরি করে আইনি প্রক্রিয়ায় তা ফিরিয়ে আনা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। মঙ্গলবার দুপুরে বরিশাল নগরীর রূপাতলী হাউজিং এস্টেট এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই কথা জানান।

নিজের পারিবারিক অভিজ্ঞতা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বরিশাল নগরীর রূপাতলীতে তার পরিবারের কেনা জমিও বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে গায়ের জোরে দখল করা হয়েছিল। তিনি জানান, রূপাতলীতে তার বাবার প্রতিষ্ঠিত ‘বরিশাল ফিশিং লিমিটেড কোম্পানি’ নামের মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানাটি ছিল ওই এলাকায় প্রথম শিল্প প্রতিষ্ঠান। তৎকালীন সময়ে সেখানে স্কয়ার বা অপসোনিনের মতো বড় কোনো প্রতিষ্ঠানও ছিল না।

আওয়ামী লীগের শাসনামলকে দুর্নীতি ও দখলদারির চরম শিখর আখ্যা দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসী কার্যক্রম, চাঁদাবাজি এবং দখলবাজিতে তারা রেকর্ড গড়েছিল। বর্তমান সরকারের অধীনে বরিশালে দলীয় কোনো নেতাকর্মী সরকারি সম্পত্তি দখল করেনি বলেও তিনি দাবি করেন।

রূপাতলী হাউজিং এস্টেটের জমি বণ্টন নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের আমলে মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বেশ কিছু জমি বাজার বানিয়ে অবৈধভাবে নিজেদের লোকজনের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছিল। আইনি প্রক্রিয়ায় সেগুলো পুনরায় মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে আসা হবে এবং দখলকৃত যেকোনো অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী ঝালকাঠির উদ্দেশে রওনা হন।

মঙ্গলবার(১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরীর রূপাতলী হাউজিং এস্টেট এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজায় ভবন ধসে নিহত ২০, ধ্বংসস্তূপে আটকা বহু

দখল হওয়া সরকারি জমি উদ্ধার করা হবে: গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:০০:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বেহাত ও দখল হওয়া সব সরকারি জমির তালিকা তৈরি করে আইনি প্রক্রিয়ায় তা ফিরিয়ে আনা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর। মঙ্গলবার দুপুরে বরিশাল নগরীর রূপাতলী হাউজিং এস্টেট এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই কথা জানান।

নিজের পারিবারিক অভিজ্ঞতা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বরিশাল নগরীর রূপাতলীতে তার পরিবারের কেনা জমিও বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে গায়ের জোরে দখল করা হয়েছিল। তিনি জানান, রূপাতলীতে তার বাবার প্রতিষ্ঠিত ‘বরিশাল ফিশিং লিমিটেড কোম্পানি’ নামের মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানাটি ছিল ওই এলাকায় প্রথম শিল্প প্রতিষ্ঠান। তৎকালীন সময়ে সেখানে স্কয়ার বা অপসোনিনের মতো বড় কোনো প্রতিষ্ঠানও ছিল না।

আওয়ামী লীগের শাসনামলকে দুর্নীতি ও দখলদারির চরম শিখর আখ্যা দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসী কার্যক্রম, চাঁদাবাজি এবং দখলবাজিতে তারা রেকর্ড গড়েছিল। বর্তমান সরকারের অধীনে বরিশালে দলীয় কোনো নেতাকর্মী সরকারি সম্পত্তি দখল করেনি বলেও তিনি দাবি করেন।

রূপাতলী হাউজিং এস্টেটের জমি বণ্টন নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের আমলে মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বেশ কিছু জমি বাজার বানিয়ে অবৈধভাবে নিজেদের লোকজনের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছিল। আইনি প্রক্রিয়ায় সেগুলো পুনরায় মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে আসা হবে এবং দখলকৃত যেকোনো অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী ঝালকাঠির উদ্দেশে রওনা হন।

মঙ্গলবার(১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরীর রূপাতলী হাউজিং এস্টেট এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।