লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৪:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পি কে হালদার ও এস আলমসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে ১১ সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষ

ক্ষমতার অপব্যবহার এবং জালিয়াতির মাধ্যমে ঋণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদার এবং এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলমসহ মোট ১৩ জনের বিরুদ্ধে ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ জজ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে এই সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

এদিন ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট আসাদুল আজাদ আদালতে জবানবন্দি প্রদান করেন। জবানবন্দি শেষে কারাগারে থাকা আসামি রাশেদুল হকের পক্ষে আইনজীবী নিয়াজ মোরশেদ তাকে জেরা সম্পন্ন করেন। অপর আসামি নাহিদা রুনাইয়ের পক্ষে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ বাবুল বেপারী জেরার সময় পেছানোর জন্য আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। আদালত অবশিষ্ট জেরা ও তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৯ আগস্ট পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ, পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ হাসান ও শাহানা ফেরদৌস। এছাড়া রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের (বর্তমানে আভিভা ফাইন্যান্স লি.) সাবেক ইভিপি রাশেদুল হক, সাবেক ম্যানেজার নাহিদা রুনাই, সাবেক এসভিপি কাজী আহমেদ জামাল এবং সাবেক ডেপুটি ম্যানেজার জুমারাতুল বান্না। সেই সাথে মারিন ভেজিটেবল অয়েলসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহির আহমেদ, পরিচালক টিপু সুলতান, মো. ইসহাক ও মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনকে আসামি করা হয়েছে। বর্তমানে নাহিদা রুনাই ও রাশেদুল হক কারাগারে আটক রয়েছেন এবং বাকি আসামিরা পলাতক।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ২০১৩ সালের ১২ আগস্ট ‘মেসার্স মোস্তফা অ্যান্ড কোং’ নামক একটি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে ৩২ কোটি ৫০ লাখ টাকার ঋণ অনুমোদন করান এবং ৯ অক্টোবর তা বিতরণ করেন। পরবর্তীতে এই অর্থ ‘এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেড’-এ স্থানান্তর করা হয়। এই ঘটনায় গত বছরের ২ জুলাই দুদকের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান মামলাটি দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ১৬ অক্টোবর ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান। গত ১১ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে মামলাটি বিচারের জন্য বদলির নির্দেশ দেয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঝিনাইগাতীতে মসজিদ কমিটির বিরোধে হামলায় বিএনপি নেতার মৃত্যু

পি কে হালদার ও এস আলমসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে ১১ সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষ

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:০০:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

ক্ষমতার অপব্যবহার এবং জালিয়াতির মাধ্যমে ঋণ নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদার এবং এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলমসহ মোট ১৩ জনের বিরুদ্ধে ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ জজ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে এই সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

এদিন ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট আসাদুল আজাদ আদালতে জবানবন্দি প্রদান করেন। জবানবন্দি শেষে কারাগারে থাকা আসামি রাশেদুল হকের পক্ষে আইনজীবী নিয়াজ মোরশেদ তাকে জেরা সম্পন্ন করেন। অপর আসামি নাহিদা রুনাইয়ের পক্ষে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ বাবুল বেপারী জেরার সময় পেছানোর জন্য আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। আদালত অবশিষ্ট জেরা ও তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৯ আগস্ট পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ, পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ হাসান ও শাহানা ফেরদৌস। এছাড়া রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের (বর্তমানে আভিভা ফাইন্যান্স লি.) সাবেক ইভিপি রাশেদুল হক, সাবেক ম্যানেজার নাহিদা রুনাই, সাবেক এসভিপি কাজী আহমেদ জামাল এবং সাবেক ডেপুটি ম্যানেজার জুমারাতুল বান্না। সেই সাথে মারিন ভেজিটেবল অয়েলসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহির আহমেদ, পরিচালক টিপু সুলতান, মো. ইসহাক ও মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনকে আসামি করা হয়েছে। বর্তমানে নাহিদা রুনাই ও রাশেদুল হক কারাগারে আটক রয়েছেন এবং বাকি আসামিরা পলাতক।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ২০১৩ সালের ১২ আগস্ট ‘মেসার্স মোস্তফা অ্যান্ড কোং’ নামক একটি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে ৩২ কোটি ৫০ লাখ টাকার ঋণ অনুমোদন করান এবং ৯ অক্টোবর তা বিতরণ করেন। পরবর্তীতে এই অর্থ ‘এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেড’-এ স্থানান্তর করা হয়। এই ঘটনায় গত বছরের ২ জুলাই দুদকের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান মামলাটি দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ১৬ অক্টোবর ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান। গত ১১ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে মামলাটি বিচারের জন্য বদলির নির্দেশ দেয়।