লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জম্মু ও কাশ্মিরে আকস্মিক বন্যায় নারী ও শিশুসহ ২৫ জনের মৃত্যু

জম্মু ও কাশ্মিরের রাজৌরি, পুঞ্চ, কাঠুয়া, ডোডা, বাদগাম ও কুলগামসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রবল বৃষ্টিপাত এবং মেঘ ভাঙা বৃষ্টির জেরে আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে নারী ও শিশুসহ অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে শত শত বাসিন্দাকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং সাধারণ মানুষকে নদীতটের কাছাকাছি না যাওয়ার জন্য বুধবার নতুন করে সতর্কতা জারি করেছে সরকার।

প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে কাশ্মিরকে ভারতের বাকি অংশের সঙ্গে যুক্তকারী প্রধান মহাসড়কটিতে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর গ্রীষ্মকালীন ছুটির মেয়াদ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। শনিবার রাত থেকে শুরু হওয়া অবিরাম বৃষ্টির ফলে পীর পাঞ্জালের পার্বত্য এলাকায় নদী ও স্থানীয় ঝর্ণার পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে।

রাজৌরি শহরের কেন্দ্রস্থল দিয়ে প্রবাহিত দরহালি নদীর পানি বিপদসীমা ছাড়িয়ে যাওয়ায় সেখানকার প্রতিরক্ষামূলক বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে। বন্যার পানি আবাসিক এলাকায় প্রবেশ করায় বাড়ি-ঘরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং ৫০টির বেশি পরিবারকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। রাজৌরির পাশাপাশি থানা মান্ডি, দরহাল এবং মঞ্জাকোটের মতো প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেও ভূমিধস ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

কাশ্মির উপত্যকার বুদগাম জেলার বেরওয়াহ তহসিলে একটি শপিং কমপ্লেক্স ধসে পড়েছে। তবে পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগেভাগে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ায় সেখানে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। আবহাওয়া দফতর আগামী তিন দিন বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়ে বন্যার সতর্কতা বহাল রেখেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

এশিয়ান গেমসে স্বর্ণজয়ী কুমকুমের হাত ধরে অলিম্পিকে ভারতের নতুন স্বপ্ন

জম্মু ও কাশ্মিরে আকস্মিক বন্যায় নারী ও শিশুসহ ২৫ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:৩৩:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

জম্মু ও কাশ্মিরের রাজৌরি, পুঞ্চ, কাঠুয়া, ডোডা, বাদগাম ও কুলগামসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রবল বৃষ্টিপাত এবং মেঘ ভাঙা বৃষ্টির জেরে আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে নারী ও শিশুসহ অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে শত শত বাসিন্দাকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং সাধারণ মানুষকে নদীতটের কাছাকাছি না যাওয়ার জন্য বুধবার নতুন করে সতর্কতা জারি করেছে সরকার।

প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে কাশ্মিরকে ভারতের বাকি অংশের সঙ্গে যুক্তকারী প্রধান মহাসড়কটিতে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর গ্রীষ্মকালীন ছুটির মেয়াদ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। শনিবার রাত থেকে শুরু হওয়া অবিরাম বৃষ্টির ফলে পীর পাঞ্জালের পার্বত্য এলাকায় নদী ও স্থানীয় ঝর্ণার পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে।

রাজৌরি শহরের কেন্দ্রস্থল দিয়ে প্রবাহিত দরহালি নদীর পানি বিপদসীমা ছাড়িয়ে যাওয়ায় সেখানকার প্রতিরক্ষামূলক বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে। বন্যার পানি আবাসিক এলাকায় প্রবেশ করায় বাড়ি-ঘরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং ৫০টির বেশি পরিবারকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। রাজৌরির পাশাপাশি থানা মান্ডি, দরহাল এবং মঞ্জাকোটের মতো প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেও ভূমিধস ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

কাশ্মির উপত্যকার বুদগাম জেলার বেরওয়াহ তহসিলে একটি শপিং কমপ্লেক্স ধসে পড়েছে। তবে পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগেভাগে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ায় সেখানে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। আবহাওয়া দফতর আগামী তিন দিন বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়ে বন্যার সতর্কতা বহাল রেখেছে।