লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন চিত্রনায়িকা শবনম

বাংলা সিনেমার জীবন্ত কিংবদন্তি নায়িকা শবনম ২০২৩ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ‘আজীবন সম্মাননা’য় ভূষিত হতে যাচ্ছেন। আগামী মাসের মাঝামাঝি সময়ে একটি বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে তিনি এই সম্মাননা গ্রহণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এটিই তার কর্মজীবনে বাংলাদেশের কোনো রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাওয়ার প্রথম ঘটনা।

এই বিশেষ প্রাপ্তি নিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে শবনম জানান, মন্ত্রণালয় থেকে তাকে ফোন করে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে তাকে কিছু বলতে হবে বিধায় তিনি আগে থেকেই প্রস্তুতির কাজ শুরু করেছেন। শবনম বলেন, ‘আমার বয়স হয়েছে। অনেক কথা বলতে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলি, তাই আগে থেকেই সবকিছু ঠিকঠাক করে নিচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি রাষ্ট্রের প্রতি, রাষ্ট্রের মানুষের প্রতি এবং বাংলা সিনেমার দর্শকের প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ যে, তারা আমাকে এখনো ভালোবাসেন। দর্শকের ভালোবাসা নিয়েই আমি আজও সুখে বেঁচে আছি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।’

শবনমের জন্মগত নাম ঝরনা বসাক। তার বাবা ননী বসাক ছিলেন একজন প্রখ্যাত ফুটবলার এবং মা উষা বসাক। পুরান ঢাকার বুলবুল ললিতকলা একাডেমিতে নাচ শেখার সময় চলচ্চিত্র পরিচালক খান আতাউর রহমানের নজরে পড়েন তিনি। এরপর জহির রায়হানের ‘কখনো আসেনি’ সিনেমায় খান আতার বোনের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তার রুপালি পর্দায় যাত্রা শুরু হয়। মুস্তাফিজের পরিচালনায় ‘হারানো দিন’ সিনেমায় নায়ক রহমানের বিপরীতে তিনি প্রথমবার নায়িকা হিসেবে অভিনয় করেন, যার গান ‘আমি রূপনগরের রাজকন্যা রূপের জাদু এনেছি’ আজও ব্যাপক জনপ্রিয়।

পুরান ঢাকার বাংলা বাজার স্কুল থেকে এসএসসি পাস করা শবনম দেশ স্বাধীনের পর অশোক ঘোষের ‘নাচের পুতুল’ সিনেমায় অভিনয় করেন। এই সিনেমায় নায়ক রাজ রাজ্জাকের বিপরীতে তার গাওয়া ‘আয়নাতে ওই মুখ দেখবে যখন’ গানটি দর্শকদের কাছে বেশ সমাদৃত হয়েছিল।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইস্তাম্বুল জাস্টিস সামিটে বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় দায়িত্ব ভাগের আহ্বান আইনমন্ত্রীর

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন চিত্রনায়িকা শবনম

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৪৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

বাংলা সিনেমার জীবন্ত কিংবদন্তি নায়িকা শবনম ২০২৩ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ‘আজীবন সম্মাননা’য় ভূষিত হতে যাচ্ছেন। আগামী মাসের মাঝামাঝি সময়ে একটি বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে তিনি এই সম্মাননা গ্রহণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এটিই তার কর্মজীবনে বাংলাদেশের কোনো রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাওয়ার প্রথম ঘটনা।

এই বিশেষ প্রাপ্তি নিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে শবনম জানান, মন্ত্রণালয় থেকে তাকে ফোন করে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে তাকে কিছু বলতে হবে বিধায় তিনি আগে থেকেই প্রস্তুতির কাজ শুরু করেছেন। শবনম বলেন, ‘আমার বয়স হয়েছে। অনেক কথা বলতে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলি, তাই আগে থেকেই সবকিছু ঠিকঠাক করে নিচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি রাষ্ট্রের প্রতি, রাষ্ট্রের মানুষের প্রতি এবং বাংলা সিনেমার দর্শকের প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ যে, তারা আমাকে এখনো ভালোবাসেন। দর্শকের ভালোবাসা নিয়েই আমি আজও সুখে বেঁচে আছি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।’

শবনমের জন্মগত নাম ঝরনা বসাক। তার বাবা ননী বসাক ছিলেন একজন প্রখ্যাত ফুটবলার এবং মা উষা বসাক। পুরান ঢাকার বুলবুল ললিতকলা একাডেমিতে নাচ শেখার সময় চলচ্চিত্র পরিচালক খান আতাউর রহমানের নজরে পড়েন তিনি। এরপর জহির রায়হানের ‘কখনো আসেনি’ সিনেমায় খান আতার বোনের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তার রুপালি পর্দায় যাত্রা শুরু হয়। মুস্তাফিজের পরিচালনায় ‘হারানো দিন’ সিনেমায় নায়ক রহমানের বিপরীতে তিনি প্রথমবার নায়িকা হিসেবে অভিনয় করেন, যার গান ‘আমি রূপনগরের রাজকন্যা রূপের জাদু এনেছি’ আজও ব্যাপক জনপ্রিয়।

পুরান ঢাকার বাংলা বাজার স্কুল থেকে এসএসসি পাস করা শবনম দেশ স্বাধীনের পর অশোক ঘোষের ‘নাচের পুতুল’ সিনেমায় অভিনয় করেন। এই সিনেমায় নায়ক রাজ রাজ্জাকের বিপরীতে তার গাওয়া ‘আয়নাতে ওই মুখ দেখবে যখন’ গানটি দর্শকদের কাছে বেশ সমাদৃত হয়েছিল।