লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২৪ জুলাই ২০২৪: কারফিউ শিথিল ও দেশজুড়ে ব্যাপক গ্রেপ্তার অভিযান

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া সংঘর্ষ, সহিংসতা, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনার রেশ ধরে ২০২৪ সালের ২৪ জুলাই ছিল অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ একটি দিন। টানা পঞ্চম দিনের মতো সারা দেশে কারফিউ কার্যকর থাকলেও, সেদিন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তা শিথিল করা হয়। এই পরিস্থিতির মধ্যেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ‘চিরুনি অভিযান’ অব্যাহত ছিল এবং দেশজুড়ে ব্যাপক গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালিত হয়।

সেদিন সারা দেশে আন্দোলনকারী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রায় ১ হাজার ৪০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর মধ্যে কেবল রাজধানী ঢাকাতেই গ্রেপ্তারের সংখ্যা ছিল ৬৪১ জন। ১৭ থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত আট দিনে সারা দেশে মোট গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় সাড়ে চার হাজার। এই আট দিনে রাজধানীতে ১ হাজার ৭৫৮ জন এবং চট্টগ্রামে ৭০৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের অধিকাংশই বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মী ছিলেন।

তৎকালীন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান ও ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জানিয়েছিলেন, ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করেই অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে খাসপাড়ার ৫০ ভূমিহীন পরিবারের উচ্ছেদ আপাতত স্থগিত

২৪ জুলাই ২০২৪: কারফিউ শিথিল ও দেশজুড়ে ব্যাপক গ্রেপ্তার অভিযান

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:০১:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া সংঘর্ষ, সহিংসতা, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনার রেশ ধরে ২০২৪ সালের ২৪ জুলাই ছিল অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ একটি দিন। টানা পঞ্চম দিনের মতো সারা দেশে কারফিউ কার্যকর থাকলেও, সেদিন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তা শিথিল করা হয়। এই পরিস্থিতির মধ্যেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ‘চিরুনি অভিযান’ অব্যাহত ছিল এবং দেশজুড়ে ব্যাপক গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালিত হয়।

সেদিন সারা দেশে আন্দোলনকারী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রায় ১ হাজার ৪০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর মধ্যে কেবল রাজধানী ঢাকাতেই গ্রেপ্তারের সংখ্যা ছিল ৬৪১ জন। ১৭ থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত আট দিনে সারা দেশে মোট গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় সাড়ে চার হাজার। এই আট দিনে রাজধানীতে ১ হাজার ৭৫৮ জন এবং চট্টগ্রামে ৭০৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের অধিকাংশই বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মী ছিলেন।

তৎকালীন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান ও ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জানিয়েছিলেন, ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করেই অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।