লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক মসজিদের দানবাক্সে ৬ মাসে মিলল ১০ লাখ টাকা

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার ঐতিহাসিক চাঁদ খোসালের মসজিদের দানবাক্স থেকে ছয় মাসে ১০ লাখ ৮ হাজার ৪২৯ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে। বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আরিফুর রহমানের উপস্থিতিতে দানবাক্সটি খোলা হয় এবং অর্থ গণনা করা হয়।

মসজিদ পরিচালনা কমিটির কোষাধ্যক্ষ মজনুর রহমান জানান, দানবাক্সের ভেতর থেকে নগদ ৬ লাখ ৬৩ হাজার ৪২৯ টাকা পাওয়া গেছে। এছাড়া দান হিসেবে পাওয়া হাঁস-মুরগি, কবুতর ও ছাগলসহ বিভিন্ন সামগ্রী বিক্রি করে আরও ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা এসেছে। সব মিলিয়ে ছয় মাসের মোট সংগ্রহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ৮ হাজার ৪২৯ টাকা।

প্রতি ছয় মাস অন্তর এই মসজিদের দানবাক্স খোলা হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মুসল্লি ও দর্শনার্থীরা এই ঐতিহাসিক মসজিদে এসে দান করেন। মজনুর রহমান আরও উল্লেখ করেন যে, মসজিদের ব্যাংক হিসাবেও আগে থেকেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ জমা রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আরিফুর রহমান জানান, দানবাক্স থেকে পাওয়া এই পুরো অর্থ মসজিদের ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা হবে। পরবর্তীতে মসজিদের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম এবং প্রয়োজনীয় কাজে এই তহবিল ব্যয় করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউরোপের দাবানলে নতুন আতঙ্ক ‘ফায়ার ক্লাউড’, সতর্ক করলেন বিজ্ঞানীরা

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক মসজিদের দানবাক্সে ৬ মাসে মিলল ১০ লাখ টাকা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:৩০:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার ঐতিহাসিক চাঁদ খোসালের মসজিদের দানবাক্স থেকে ছয় মাসে ১০ লাখ ৮ হাজার ৪২৯ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে। বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আরিফুর রহমানের উপস্থিতিতে দানবাক্সটি খোলা হয় এবং অর্থ গণনা করা হয়।

মসজিদ পরিচালনা কমিটির কোষাধ্যক্ষ মজনুর রহমান জানান, দানবাক্সের ভেতর থেকে নগদ ৬ লাখ ৬৩ হাজার ৪২৯ টাকা পাওয়া গেছে। এছাড়া দান হিসেবে পাওয়া হাঁস-মুরগি, কবুতর ও ছাগলসহ বিভিন্ন সামগ্রী বিক্রি করে আরও ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা এসেছে। সব মিলিয়ে ছয় মাসের মোট সংগ্রহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ৮ হাজার ৪২৯ টাকা।

প্রতি ছয় মাস অন্তর এই মসজিদের দানবাক্স খোলা হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মুসল্লি ও দর্শনার্থীরা এই ঐতিহাসিক মসজিদে এসে দান করেন। মজনুর রহমান আরও উল্লেখ করেন যে, মসজিদের ব্যাংক হিসাবেও আগে থেকেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ জমা রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আরিফুর রহমান জানান, দানবাক্স থেকে পাওয়া এই পুরো অর্থ মসজিদের ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা হবে। পরবর্তীতে মসজিদের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম এবং প্রয়োজনীয় কাজে এই তহবিল ব্যয় করা হবে।