লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাড়িতে এহসানুল, সংসদে মজিবুর: বাজিতপুর বিএনপিতে নতুন সমীকরণ

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর-নিকলী (কিশোরগঞ্জ-৫) আসনের বিএনপি রাজনীতিতে নতুন এক মেরুকরণ ও আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক কিশোরগঞ্জ সফরকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দুই প্রভাবশালী নেতার বিপরীতমুখী অবস্থান এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওকে ঘিরে তৈরি হয়েছে এই রাজনৈতিক আলোচনা। এক পক্ষে রয়েছেন দল থেকে বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান, অন্য পক্ষে বিএনপির প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে পরাজিত সৈয়দ এহসানুল হুদা।

গত ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কিশোরগঞ্জ সফরের দিন এক নাটকীয় ঘটনা ঘটে। সফরের পথে সদ্য বিএনপিতে যোগ দেওয়া সৈয়দ এহসানুল হুদাকে নিজের গাড়িতে তুলে নেন প্রধানমন্ত্রী। এই ঘটনার ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল আলোচনা শুরু হয়। এহসানুল হুদার অনুসারীরা এটিকে দলের কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তাঁর অবস্থানের গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। তবে শেখ মজিবুর রহমানের অনুসারীদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর গাড়িতে ওঠার ঘটনাকে স্থানীয় রাজনীতির নেতৃত্বের মাপকাঠি হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

এই দ্বন্দ্বের মূল সূত্রপাত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দলীয় মনোনয়নকে কেন্দ্র করে। শেখ মজিবুর রহমান কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন চেয়েছিলেন এবং তাঁকে প্রাথমিক মনোনয়নও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ২০২৫ সালের ২১ ডিসেম্বর সৈয়দ এহসানুল হুদা নিজের প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয় দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিলে দল তাঁকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়। মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়াই করেন শেখ মজিবুর রহমান এবং ধানের শীষের প্রার্থী এহসানুল হুদাকে ১৩ হাজার ১৫৪ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্যের দায়ে চলতি বছরের ২৪ জানুয়ারি শেখ মজিবুর রহমান এবং তাঁর সমর্থক বাজিতপুর ও নিকলী উপজেলার ৮৩ জন নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। তবে বহিষ্কৃত হলেও তাঁরা স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং উপজেলা বিএনপির ব্যানারে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফরের ঘোষণা আসার পর দুই পক্ষের তৎপরতা অনেক বেড়ে গিয়েছিল। শেখ মজিবুর রহমানের অনুসারীদের মধ্যে আলোচনা ছিল, সফরের দিন মজিবুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর মঞ্চে থাকবেন এবং এহসানুল হুদা থাকবেন নিচে। এমনকি বহিষ্কৃত নেতাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের বিষয়ে ইতিবাচক বার্তা আসতে পারে বলেও গুঞ্জন ছড়ায়। কিন্তু সফরের আগের রাতে পরিস্থিতি বদলে যায়। ১৫ আগস্ট রাতে হঠাৎ হৃদরোগজনিত সমস্যায় চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে চলে যান শেখ মজিবুর রহমান। ফলে ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিতে তাঁকে দেখা যায়নি। অন্যদিকে, এহসানুল হুদার অনুসারীরা কটিয়াদী এলাকায় বড় শোডাউন করেন এবং কর্মসূচির পুরো সময় সক্রিয় ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর গাড়িতে ওঠার বিষয়ে এহসানুল হুদার পক্ষের নেতা ও বাজিতপুর পৌর বিএনপির সভাপতি এহসান কুফিয়া বলেন, "ওরা বলেছিল, ওরা মঞ্চে থাকবে। কিন্তু জনগণ কী দেখল? জনগণ দেখল, ওরা নেই, আমরা আছি। শুধু তা-ই নয়, প্রধানমন্ত্রী ডাক দিয়ে এহসানুল হুদাকে গাড়িতে তুলে নিয়েছেন। এটা শুধু গাড়িতে ওঠার ঘটনা নয়; বাজিতপুর-নিকলীর বিএনপির রাজনীতির জন্য এটি বড় বার্তা।"

তবে মজিবুর রহমানের অনুসারী ও বহিষ্কৃত উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান বিষয়টিকে ভিন্নভাবে দেখছেন। তিনি বলেন, "রোগশোক তো বলেকয়ে আসে না। আর প্রধানমন্ত্রীর গাড়িতে কারও স্থান পাওয়া মানে রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ তাঁর হাতে চলে যাওয়া নয়। যাঁরা বিষয়টিকে বড় করে দেখছেন, তাঁরা স্থানীয় রাজনীতির হিসাব ভুল করছেন।" তিনি মজিবুর রহমানের অসুস্থতা নিয়ে ট্রল করার সমালোচনা করেন এবং বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার সময়ের ব্যাপার বলে মন্তব্য করেন।

এদিকে চিকিৎসা শেষে গত বুধবার দেশে ফিরেছেন শেখ মজিবুর রহমান। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিয়ে তিনি জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর সামনে বেশ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিলেন। নবনির্বাচিত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মঈন খানের পাশে ফুলের তোড়া নিয়ে তাঁর দাঁড়িয়ে থাকার ছবি এখন মজিবুর রহমানের অনুসারীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করছেন। অন্যদিকে, সৈয়দ এহসানুল হুদাও রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে রুহুল কবির রিজভী ও আন্দালিব রহমান পার্থের পাশে দাঁড়ানো ছবি ছড়িয়ে দিয়েছেন।

মাঠের কর্মসূচির চেয়ে এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘কার সঙ্গে কার ছবি’—এই আলোচনাতেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে বাজিতপুরের রাজনীতি। এ প্রসঙ্গে বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, যিনি কোনো পক্ষের সঙ্গেই নেই, বলেন, "একজনকে গাড়িতে ওঠানো, অন্যজন দেশের বাইরে চলে যাওয়া—ঘটনা দুটি বাজিতপুরে বিএনপির রাজনীতির বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। তবে আমার মতে, আমরা এখন বড় ধরনের দলীয় বিশৃঙ্খলার মধ্যে আছি।" অন্যদিকে, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ সদর আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম এই পরিস্থিতি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের জোরপূর্বক যুদ্ধে পাঠাচ্ছে রাশিয়া

গাড়িতে এহসানুল, সংসদে মজিবুর: বাজিতপুর বিএনপিতে নতুন সমীকরণ

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৪৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর-নিকলী (কিশোরগঞ্জ-৫) আসনের বিএনপি রাজনীতিতে নতুন এক মেরুকরণ ও আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক কিশোরগঞ্জ সফরকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দুই প্রভাবশালী নেতার বিপরীতমুখী অবস্থান এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওকে ঘিরে তৈরি হয়েছে এই রাজনৈতিক আলোচনা। এক পক্ষে রয়েছেন দল থেকে বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান, অন্য পক্ষে বিএনপির প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে পরাজিত সৈয়দ এহসানুল হুদা।

গত ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কিশোরগঞ্জ সফরের দিন এক নাটকীয় ঘটনা ঘটে। সফরের পথে সদ্য বিএনপিতে যোগ দেওয়া সৈয়দ এহসানুল হুদাকে নিজের গাড়িতে তুলে নেন প্রধানমন্ত্রী। এই ঘটনার ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল আলোচনা শুরু হয়। এহসানুল হুদার অনুসারীরা এটিকে দলের কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তাঁর অবস্থানের গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। তবে শেখ মজিবুর রহমানের অনুসারীদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর গাড়িতে ওঠার ঘটনাকে স্থানীয় রাজনীতির নেতৃত্বের মাপকাঠি হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

এই দ্বন্দ্বের মূল সূত্রপাত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দলীয় মনোনয়নকে কেন্দ্র করে। শেখ মজিবুর রহমান কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন চেয়েছিলেন এবং তাঁকে প্রাথমিক মনোনয়নও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ২০২৫ সালের ২১ ডিসেম্বর সৈয়দ এহসানুল হুদা নিজের প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয় দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিলে দল তাঁকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়। মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়াই করেন শেখ মজিবুর রহমান এবং ধানের শীষের প্রার্থী এহসানুল হুদাকে ১৩ হাজার ১৫৪ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্যের দায়ে চলতি বছরের ২৪ জানুয়ারি শেখ মজিবুর রহমান এবং তাঁর সমর্থক বাজিতপুর ও নিকলী উপজেলার ৮৩ জন নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। তবে বহিষ্কৃত হলেও তাঁরা স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং উপজেলা বিএনপির ব্যানারে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফরের ঘোষণা আসার পর দুই পক্ষের তৎপরতা অনেক বেড়ে গিয়েছিল। শেখ মজিবুর রহমানের অনুসারীদের মধ্যে আলোচনা ছিল, সফরের দিন মজিবুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর মঞ্চে থাকবেন এবং এহসানুল হুদা থাকবেন নিচে। এমনকি বহিষ্কৃত নেতাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের বিষয়ে ইতিবাচক বার্তা আসতে পারে বলেও গুঞ্জন ছড়ায়। কিন্তু সফরের আগের রাতে পরিস্থিতি বদলে যায়। ১৫ আগস্ট রাতে হঠাৎ হৃদরোগজনিত সমস্যায় চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে চলে যান শেখ মজিবুর রহমান। ফলে ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিতে তাঁকে দেখা যায়নি। অন্যদিকে, এহসানুল হুদার অনুসারীরা কটিয়াদী এলাকায় বড় শোডাউন করেন এবং কর্মসূচির পুরো সময় সক্রিয় ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর গাড়িতে ওঠার বিষয়ে এহসানুল হুদার পক্ষের নেতা ও বাজিতপুর পৌর বিএনপির সভাপতি এহসান কুফিয়া বলেন, "ওরা বলেছিল, ওরা মঞ্চে থাকবে। কিন্তু জনগণ কী দেখল? জনগণ দেখল, ওরা নেই, আমরা আছি। শুধু তা-ই নয়, প্রধানমন্ত্রী ডাক দিয়ে এহসানুল হুদাকে গাড়িতে তুলে নিয়েছেন। এটা শুধু গাড়িতে ওঠার ঘটনা নয়; বাজিতপুর-নিকলীর বিএনপির রাজনীতির জন্য এটি বড় বার্তা।"

তবে মজিবুর রহমানের অনুসারী ও বহিষ্কৃত উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান বিষয়টিকে ভিন্নভাবে দেখছেন। তিনি বলেন, "রোগশোক তো বলেকয়ে আসে না। আর প্রধানমন্ত্রীর গাড়িতে কারও স্থান পাওয়া মানে রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ তাঁর হাতে চলে যাওয়া নয়। যাঁরা বিষয়টিকে বড় করে দেখছেন, তাঁরা স্থানীয় রাজনীতির হিসাব ভুল করছেন।" তিনি মজিবুর রহমানের অসুস্থতা নিয়ে ট্রল করার সমালোচনা করেন এবং বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার সময়ের ব্যাপার বলে মন্তব্য করেন।

এদিকে চিকিৎসা শেষে গত বুধবার দেশে ফিরেছেন শেখ মজিবুর রহমান। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিয়ে তিনি জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর সামনে বেশ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিলেন। নবনির্বাচিত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মঈন খানের পাশে ফুলের তোড়া নিয়ে তাঁর দাঁড়িয়ে থাকার ছবি এখন মজিবুর রহমানের অনুসারীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করছেন। অন্যদিকে, সৈয়দ এহসানুল হুদাও রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে রুহুল কবির রিজভী ও আন্দালিব রহমান পার্থের পাশে দাঁড়ানো ছবি ছড়িয়ে দিয়েছেন।

মাঠের কর্মসূচির চেয়ে এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘কার সঙ্গে কার ছবি’—এই আলোচনাতেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে বাজিতপুরের রাজনীতি। এ প্রসঙ্গে বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, যিনি কোনো পক্ষের সঙ্গেই নেই, বলেন, "একজনকে গাড়িতে ওঠানো, অন্যজন দেশের বাইরে চলে যাওয়া—ঘটনা দুটি বাজিতপুরে বিএনপির রাজনীতির বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। তবে আমার মতে, আমরা এখন বড় ধরনের দলীয় বিশৃঙ্খলার মধ্যে আছি।" অন্যদিকে, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ সদর আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম এই পরিস্থিতি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।