লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্যাবনকে হারিয়ে ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপের প্লেট ফাইনালে বাংলাদেশ

আজারবাইজানের বাকুতে চলমান ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালের প্লেট পর্বের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। ই-টিয়ার সেমিফাইনালে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা ১-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়েছে আফ্রিকার দেশ গ্যাবনকে।

ম্যাচের ১৪ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন নাঈমুর রহমান রাতুল। ডানপ্রান্ত থেকে আসা জোরাল শটের পর ফিরতি বলে হেডের মাধ্যমে তিনি এই গোলটি নিশ্চিত করেন। এই জয়ের ফলে টায়ার ই-এর শিরোপা জয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের সামনে। তবে মূল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন নির্ধারিত হবে টায়ার এ- থেকে, আর বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হলে হবে ১২৯তম।

টুর্নামেন্টের শুরু থেকে বাংলাদেশ ধাপে ধাপে এগিয়েছে। প্লেট পর্বে শেষ ষোলোতে ওঠার লড়াইয়ে টাইব্রেকারে সিশেলসকে এবং পরবর্তীতে সিঙ্গাপুরকেও টাইব্রেকারে পরাজিত করে তারা। এরপর কোয়ার্টার ফাইনালে মন্টেনেগ্রোকে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত করে সেমিফাইনালে ওঠে দলটি।

গ্রুপপর্বে আকবর হোসেন রিদনের শিষ্যরা ৫টি ম্যাচের মধ্যে একটিতে জয়, দুটিতে ড্র এবং দুটিতে হেরেছে। ওয়েলসের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র দিয়ে শুরু করা বাংলাদেশ পর্তুগালের কাছে ৩-১ গোলে হারে। ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র এবং বুরুন্ডির কাছে ২-০ গোলে হারের পর ফিজিকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়েছিল বাংলাদেশ।

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপপুর প্রকল্পে ইউরেনিয়ামের চতুর্থ চালান পৌঁছাল কড়া নিরাপত্তায়

গ্যাবনকে হারিয়ে ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপের প্লেট ফাইনালে বাংলাদেশ

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৩০:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

আজারবাইজানের বাকুতে চলমান ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালের প্লেট পর্বের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। ই-টিয়ার সেমিফাইনালে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা ১-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়েছে আফ্রিকার দেশ গ্যাবনকে।

ম্যাচের ১৪ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন নাঈমুর রহমান রাতুল। ডানপ্রান্ত থেকে আসা জোরাল শটের পর ফিরতি বলে হেডের মাধ্যমে তিনি এই গোলটি নিশ্চিত করেন। এই জয়ের ফলে টায়ার ই-এর শিরোপা জয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের সামনে। তবে মূল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন নির্ধারিত হবে টায়ার এ- থেকে, আর বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হলে হবে ১২৯তম।

টুর্নামেন্টের শুরু থেকে বাংলাদেশ ধাপে ধাপে এগিয়েছে। প্লেট পর্বে শেষ ষোলোতে ওঠার লড়াইয়ে টাইব্রেকারে সিশেলসকে এবং পরবর্তীতে সিঙ্গাপুরকেও টাইব্রেকারে পরাজিত করে তারা। এরপর কোয়ার্টার ফাইনালে মন্টেনেগ্রোকে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত করে সেমিফাইনালে ওঠে দলটি।

গ্রুপপর্বে আকবর হোসেন রিদনের শিষ্যরা ৫টি ম্যাচের মধ্যে একটিতে জয়, দুটিতে ড্র এবং দুটিতে হেরেছে। ওয়েলসের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র দিয়ে শুরু করা বাংলাদেশ পর্তুগালের কাছে ৩-১ গোলে হারে। ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র এবং বুরুন্ডির কাছে ২-০ গোলে হারের পর ফিজিকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়েছিল বাংলাদেশ।