লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ ক্রিকেটের সংকট উত্তরণে করণীয় ও মুক্তির পথ

বাংলাদেশ ক্রিকেটের বর্তমান সংকট থেকে মুক্তির পথ রাতারাতি তৈরি হবে না, তবে সেই পথের রূপরেখা স্পষ্ট। এর জন্য মাঠের ক্রিকেটে আমূল পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে।

প্রথমত, ঘরোয়া ক্রিকেটের উইকেটের ধরণ বদলানো জরুরি। পেসারদের জন্য সহায়ক উইকেট তৈরি করতে হবে এবং ব্যাটারদের নিয়মিত অন্তত ১৩৫ কিলোমিটার গতির বলের মুখোমুখি হওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

দ্বিতীয়ত, আন্তর্জাতিক মানের পেসার তৈরির দিকে এখন থেকেই নজর দিতে হবে। শুধুমাত্র তাসকিন আহমেদ বা নাহিদ রানার ওপর নির্ভর করে টেস্ট ক্রিকেটের বোলিং আক্রমণ শক্তিশালী করা সম্ভব নয়। দলীয় স্বার্থে একসঙ্গে অন্তত চার থেকে পাঁচজন আন্তর্জাতিক মানের পেসার তৈরি করতে হবে।

তৃতীয়ত, ব্যাটারদের টেকনিক্যাল প্রস্তুতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে হবে। বিদেশে রান করার চেয়ে এখনকার ব্যাটারদের জন্য উইকেটে টিকে থাকার দক্ষতা বেশি প্রয়োজন। প্রশিক্ষণের কেন্দ্রে রাখতে হবে বল ছেড়ে দেওয়া, শরীরের কাছে আসা বল সামলানো, বাউন্সের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া এবং নতুন বলের প্রথম স্পেলটি নিরাপদে পার করার কৌশল।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বিদেশ সফরকে পর্যটন হিসেবে না দেখে একটি প্রকল্প হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। বাংলাদেশ দল যে এই মুক্তির পথ জানে না এমন নয়; আসল সমস্যা হচ্ছে জানার নাম মানা নয়, বরং মানার নামই জানা।

জনপ্রিয় সংবাদ

জুডিশিয়াল পে কমিশন পর্যালোচনায় অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে নতুন কমিটি গঠন

বাংলাদেশ ক্রিকেটের সংকট উত্তরণে করণীয় ও মুক্তির পথ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:৩৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ ক্রিকেটের বর্তমান সংকট থেকে মুক্তির পথ রাতারাতি তৈরি হবে না, তবে সেই পথের রূপরেখা স্পষ্ট। এর জন্য মাঠের ক্রিকেটে আমূল পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে।

প্রথমত, ঘরোয়া ক্রিকেটের উইকেটের ধরণ বদলানো জরুরি। পেসারদের জন্য সহায়ক উইকেট তৈরি করতে হবে এবং ব্যাটারদের নিয়মিত অন্তত ১৩৫ কিলোমিটার গতির বলের মুখোমুখি হওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

দ্বিতীয়ত, আন্তর্জাতিক মানের পেসার তৈরির দিকে এখন থেকেই নজর দিতে হবে। শুধুমাত্র তাসকিন আহমেদ বা নাহিদ রানার ওপর নির্ভর করে টেস্ট ক্রিকেটের বোলিং আক্রমণ শক্তিশালী করা সম্ভব নয়। দলীয় স্বার্থে একসঙ্গে অন্তত চার থেকে পাঁচজন আন্তর্জাতিক মানের পেসার তৈরি করতে হবে।

তৃতীয়ত, ব্যাটারদের টেকনিক্যাল প্রস্তুতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে হবে। বিদেশে রান করার চেয়ে এখনকার ব্যাটারদের জন্য উইকেটে টিকে থাকার দক্ষতা বেশি প্রয়োজন। প্রশিক্ষণের কেন্দ্রে রাখতে হবে বল ছেড়ে দেওয়া, শরীরের কাছে আসা বল সামলানো, বাউন্সের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া এবং নতুন বলের প্রথম স্পেলটি নিরাপদে পার করার কৌশল।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বিদেশ সফরকে পর্যটন হিসেবে না দেখে একটি প্রকল্প হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। বাংলাদেশ দল যে এই মুক্তির পথ জানে না এমন নয়; আসল সমস্যা হচ্ছে জানার নাম মানা নয়, বরং মানার নামই জানা।