লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৩:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিল্লির ব্যারিকেড সরানোর নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, ইন্টারনেট চালুর বার্তা

ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে তেলাপোকা জনতা পার্টি (সিজেপি) ও সহযোগী সংগঠনের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে স্থবির হয়ে পড়া দিল্লি স্বাভাবিক করার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। শনিবার দিল্লি অচল করে দিতে পুলিশের নেওয়া সব পদক্ষেপ প্রত্যাহারের জন্য আদালত সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে। সেই সঙ্গে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের বেআইনিভাবে আটক না করার নির্দেশ দিয়ে আদালত জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য কেবল প্রয়োজন হলেই বিধিনিষেধ আরোপ করা যাবে। যদি না তা অত্যন্ত জরুরি হয়, তবে সমস্ত ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে বেঞ্চ।

রোববার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি. মোহনার বেঞ্চের বিশেষ শুনানিতে বলা হয়, সিজেপি'র বিক্ষোভের ডাক সত্ত্বেও মানুষের অবাধ চলাচলের বিষয়টি স্বাভাবিক রাখা উচিত। এর আগে শুক্রবার আদালত কেন্দ্রকে নির্দেশ দিয়েছিল যে, বিক্ষোভের কারণে ১০ অক্টোবর দিল্লিতে আসা মেট্রো ও ট্রেন চলাচলের ওপর যেন কোনো 'সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা' না থাকে। কিন্তু মেট্রো স্টেশনগুলো বন্ধ রাখা হয়েছিল, যাকে আইনজীবী শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠী আদালতের অবমাননা বলে অভিহিত করেছেন।

আদালত স্পষ্ট করেছে যে, মানুষের বিক্ষোভ দেখানোর অধিকার থাকলেও তা পুলিশ আইনের আওতাভুক্ত হতে হবে। বিচারপতি বাগচী আবেদনকারীকে বলেন, তারা এমনটা দাবি করতে পারেন না যে তাদের বিক্ষোভ দেখানোর অধিকার পুলিশ আইনের ঊর্ধ্বে। এছাড়া ইন্টারনেট পরিষেবা আইন অনুযায়ী অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

সুপ্রিম কোর্ট দিল্লি পুলিশ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব এবং দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশন (ডিএমআরসি)-সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আটক-সংক্রান্ত ঘটনা ও তার পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে নোটিশ জারি করেছে। মঙ্গলবার নাগাদ এ বিষয়ে একটি কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যবসায় হারামের মিশ্রণ: অবৈধ উপার্জনের ভয়াবহ পরিণতি ও ইসলাম

দিল্লির ব্যারিকেড সরানোর নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, ইন্টারনেট চালুর বার্তা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:৩১:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে তেলাপোকা জনতা পার্টি (সিজেপি) ও সহযোগী সংগঠনের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে স্থবির হয়ে পড়া দিল্লি স্বাভাবিক করার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। শনিবার দিল্লি অচল করে দিতে পুলিশের নেওয়া সব পদক্ষেপ প্রত্যাহারের জন্য আদালত সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে। সেই সঙ্গে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের বেআইনিভাবে আটক না করার নির্দেশ দিয়ে আদালত জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য কেবল প্রয়োজন হলেই বিধিনিষেধ আরোপ করা যাবে। যদি না তা অত্যন্ত জরুরি হয়, তবে সমস্ত ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে বেঞ্চ।

রোববার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি. মোহনার বেঞ্চের বিশেষ শুনানিতে বলা হয়, সিজেপি'র বিক্ষোভের ডাক সত্ত্বেও মানুষের অবাধ চলাচলের বিষয়টি স্বাভাবিক রাখা উচিত। এর আগে শুক্রবার আদালত কেন্দ্রকে নির্দেশ দিয়েছিল যে, বিক্ষোভের কারণে ১০ অক্টোবর দিল্লিতে আসা মেট্রো ও ট্রেন চলাচলের ওপর যেন কোনো 'সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা' না থাকে। কিন্তু মেট্রো স্টেশনগুলো বন্ধ রাখা হয়েছিল, যাকে আইনজীবী শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠী আদালতের অবমাননা বলে অভিহিত করেছেন।

আদালত স্পষ্ট করেছে যে, মানুষের বিক্ষোভ দেখানোর অধিকার থাকলেও তা পুলিশ আইনের আওতাভুক্ত হতে হবে। বিচারপতি বাগচী আবেদনকারীকে বলেন, তারা এমনটা দাবি করতে পারেন না যে তাদের বিক্ষোভ দেখানোর অধিকার পুলিশ আইনের ঊর্ধ্বে। এছাড়া ইন্টারনেট পরিষেবা আইন অনুযায়ী অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

সুপ্রিম কোর্ট দিল্লি পুলিশ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব এবং দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশন (ডিএমআরসি)-সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আটক-সংক্রান্ত ঘটনা ও তার পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে নোটিশ জারি করেছে। মঙ্গলবার নাগাদ এ বিষয়ে একটি কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।