লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৯:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দণ্ডিত শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে গণমাধ্যমকে সরকারের কঠোর নিষেধাজ্ঞা

দণ্ডিত আসামির বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার না করার জন্য দেশের সব গণমাধ্যমকে আহ্বান জানিয়েছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) এক তথ্য বিবরণীর মাধ্যমে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

তথ্য বিবরণীতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) জুলাই-আগস্ট গণহত্যা মামলার আসামি এবং ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের ওপর ইতোপূর্বে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। আইসিটির এই নির্দেশনা জুলাই আন্দোলনের মূল চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

সরকারের পক্ষ থেকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, আইসিটি বিভাগ এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করা হয়। একই সঙ্গে, দণ্ডিত আসামির অতীতে দেওয়া সব বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বিভিন্ন মাধ্যম থেকে সরিয়ে ফেলতে এবং প্রচার ও প্রকাশ না করার জন্য বলা হয়েছে।

জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি (এনসিএসএ) দেশের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে আইনের সুস্পষ্ট ধারা উল্লেখ করে গণমাধ্যমের প্রতি এই আহ্বান জানিয়েছে। সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও শহীদদের আত্মত্যাগকে সর্বোচ্চ সম্মান করে। যারা আদালতের নির্দেশনা মেনে এখন পর্যন্ত শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার থেকে বিরত রয়েছেন, তাদের প্রতি সরকার আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছে।

তবে অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, গণমাধ্যমের একটি অংশ জুলাইয়ের চেতনায় অনুপ্রাণিত হয়ে আদালতের নির্দেশনা মানলেও কিছু গণমাধ্যম এখনো দণ্ডিত আসামির বক্তব্য প্রচার করছে। এ ধরনের কার্যক্রমে সরকার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

জাতীয় ঐক্য এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা রক্ষায় দেশের সকল টেলিভিশন, সংবাদপত্র, অনলাইন পোর্টাল ও সোশ্যাল মিডিয়াকে পলাতক শেখ হাসিনার কোনো ধরনের বক্তব্য বা বিবৃতি প্রচার না করার জন্য সরকার আবারও বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে। সরকার আশা করে, গণমাধ্যম আগের মতোই ঐক্যবদ্ধ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বেরোবিতে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষের ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি

দণ্ডিত শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে গণমাধ্যমকে সরকারের কঠোর নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:০১:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

দণ্ডিত আসামির বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার না করার জন্য দেশের সব গণমাধ্যমকে আহ্বান জানিয়েছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) এক তথ্য বিবরণীর মাধ্যমে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

তথ্য বিবরণীতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) জুলাই-আগস্ট গণহত্যা মামলার আসামি এবং ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের ওপর ইতোপূর্বে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। আইসিটির এই নির্দেশনা জুলাই আন্দোলনের মূল চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

সরকারের পক্ষ থেকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, আইসিটি বিভাগ এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করা হয়। একই সঙ্গে, দণ্ডিত আসামির অতীতে দেওয়া সব বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বিভিন্ন মাধ্যম থেকে সরিয়ে ফেলতে এবং প্রচার ও প্রকাশ না করার জন্য বলা হয়েছে।

জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি (এনসিএসএ) দেশের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে আইনের সুস্পষ্ট ধারা উল্লেখ করে গণমাধ্যমের প্রতি এই আহ্বান জানিয়েছে। সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও শহীদদের আত্মত্যাগকে সর্বোচ্চ সম্মান করে। যারা আদালতের নির্দেশনা মেনে এখন পর্যন্ত শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার থেকে বিরত রয়েছেন, তাদের প্রতি সরকার আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছে।

তবে অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, গণমাধ্যমের একটি অংশ জুলাইয়ের চেতনায় অনুপ্রাণিত হয়ে আদালতের নির্দেশনা মানলেও কিছু গণমাধ্যম এখনো দণ্ডিত আসামির বক্তব্য প্রচার করছে। এ ধরনের কার্যক্রমে সরকার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

জাতীয় ঐক্য এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা রক্ষায় দেশের সকল টেলিভিশন, সংবাদপত্র, অনলাইন পোর্টাল ও সোশ্যাল মিডিয়াকে পলাতক শেখ হাসিনার কোনো ধরনের বক্তব্য বা বিবৃতি প্রচার না করার জন্য সরকার আবারও বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে। সরকার আশা করে, গণমাধ্যম আগের মতোই ঐক্যবদ্ধ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে।