লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হরমুজ প্রণালিতে এমকিউ-১ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরানের

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির আকাশসীমায় আরও একটি অত্যাধুনিক এমকিউ-১ ড্রোন শনাক্ত ও ধ্বংস করার দাবি করেছে। সোমবার সকালে আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের আওতায় থাকা আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের একটি নতুন ও অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে ড্রোনটিকে প্রতিহত ও ভূপাতিত করা হয়। তবে ধ্বংস হওয়া ড্রোনটির মালিকানা কোন দেশের বা এটি কার পক্ষ থেকে ওই এলাকায় উড়ছিল, সে বিষয়ে আইআরজিসি বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সংঘাতের সময় তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী এর আগেও বেশ কয়েকটি ড্রোন ও অন্যান্য ‘শত্রু’ বিমান শনাক্ত করে ধ্বংস করেছে। এই নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে অত্যাধুনিক ড্রোন শনাক্ত ও ধ্বংসের সক্ষমতা ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অগ্রগতির ইঙ্গিত দেয় বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল ও অন্যান্য পণ্য পরিবহন করা হয়। ফলে এ অঞ্চলের আকাশ ও নৌ নিরাপত্তা নিয়ে যেকোনো ঘটনা আন্তর্জাতিকভাবে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। তবে এই ড্রোন ধ্বংসের ঘটনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো স্বাধীন সূত্রের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ

এইচএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়নের আবেদনের সময় বাড়ল শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত

হরমুজ প্রণালিতে এমকিউ-১ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি ইরানের

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৪০:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির আকাশসীমায় আরও একটি অত্যাধুনিক এমকিউ-১ ড্রোন শনাক্ত ও ধ্বংস করার দাবি করেছে। সোমবার সকালে আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের আওতায় থাকা আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের একটি নতুন ও অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে ড্রোনটিকে প্রতিহত ও ভূপাতিত করা হয়। তবে ধ্বংস হওয়া ড্রোনটির মালিকানা কোন দেশের বা এটি কার পক্ষ থেকে ওই এলাকায় উড়ছিল, সে বিষয়ে আইআরজিসি বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সংঘাতের সময় তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী এর আগেও বেশ কয়েকটি ড্রোন ও অন্যান্য ‘শত্রু’ বিমান শনাক্ত করে ধ্বংস করেছে। এই নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে অত্যাধুনিক ড্রোন শনাক্ত ও ধ্বংসের সক্ষমতা ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অগ্রগতির ইঙ্গিত দেয় বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল ও অন্যান্য পণ্য পরিবহন করা হয়। ফলে এ অঞ্চলের আকাশ ও নৌ নিরাপত্তা নিয়ে যেকোনো ঘটনা আন্তর্জাতিকভাবে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। তবে এই ড্রোন ধ্বংসের ঘটনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো স্বাধীন সূত্রের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।