লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনীতিতে রাজি, তবে ‘ভয়ংকর’ যুদ্ধের জন্যও প্রস্তুত ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ খোলা রেখেছে ইরান। তবে দেশটি স্পষ্ট করে জানিয়েছে, আবার কোনো হামলার শিকার হলে পাল্টা জবাব দিতে তারা ‘ভয়ংকর’ যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে থাকা ইরানের প্রতিনিধিদল মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে শান্তি প্রস্তাব পাঠালেও তা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে নানা নাটকীয়তা চলছে। এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও শিগগিরই ইরানের সঙ্গে আলোচনা শুরু হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম এনবিসি নিউজকে বলেছেন, “আমরা যেমন আলোচনা করতে প্রস্তুত, তেমনি যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্যও প্রস্তুত…তবে যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আমরা দৃঢ় থাকব। এমনকি সেই সংঘাত যদি সবকিছু ধ্বংস হয়ে যাওয়ার মতো ভয়ংকর যুদ্ধেও গড়ায়।” পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই অবস্থানের পুনরাবৃত্তি করে লেখেন, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং তিনি যুদ্ধের পক্ষে প্রচার চালাতে নিউইয়র্কে আসেননি, বরং শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এসেছেন। তবে যেকোনো আগ্রাসনের মুখে ইরান তার অবস্থানে অটল থাকবে এবং একই সময়ে তারা প্রকৃত কূটনীতির জন্যও প্রস্তুত।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে গত বৃহস্পতিবার ইরানের পক্ষ থেকে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়। পরদিন শুক্রবার আরাগচি সাংবাদিকদের জানান, কাতারের মাধ্যমে দেওয়া ওই প্রস্তাবে সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে, তবে এ জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে কিছু শর্ত মানতে হবে। পরদিন শনিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলেন, “আমি তাদের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছি। তারা হরমুজ প্রণালি দ্রুত খুলে দেওয়ার জন্য একটি চুক্তি করতে চায়। কারণ, তারা ভয়াবহভাবে হারছে এবং আমরা দারুণভাবে জিতছি।”

তবে ট্রাম্পের এই প্রত্যাখ্যানের পরও আলোচনার আশা শেষ হয়ে যায়নি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানায়, ট্রাম্প এক মুঠোফোন সাক্ষাৎকারে বলেছেন যে ইরানের সঙ্গে শিগগিরই আলাপ শুরু হতে পারে এবং চলতি সপ্তাহে আলোচকেরা আবারও বৈঠকে বসতে পারেন। কাতারের মধ্যস্থতায় সোমবারই দুই দেশের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা হতে পারে বলেও জানায় গণমাধ্যমটি। এদিকে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত রিচার্ড স্মিয়েরার আল-জাজিরাকে বলেছেন, ইরান সংকটের সমাধান করতে গিয়ে ৩ নভেম্বরের নির্বাচন পর্যন্ত বিষয়টি পিছিয়ে দিতে চাইতে পারেন ট্রাম্প, কারণ তিনি নির্বাচনের ফলাফল বিবেচনায় রাখছেন।

ইরানের বার্তা সংস্থা আইএসএনএ জানিয়েছে, নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় সোমবার সকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির নেতৃত্বাধীন ইরানি প্রতিনিধিদল কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে বৈঠক করবে। এই বৈঠকে বর্তমান পরিস্থিতির সার্বিক দিক ও সর্বশেষ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। তবে ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি কোনো আলোচনার পরিকল্পনা ইরানের নেই। অন্যদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সূত্রের বরাতে আইআরএনএ জানিয়েছে, ইরানের প্রতিনিধিদল আজ মঙ্গলবার নিউইয়র্ক থেকে তেহরানে ফিরে যাবে। সেন্টার ফর মিডল ইস্ট স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের জ্যেষ্ঠ গবেষক আব্বাস আসলানি আল-জাজিরাকে বলেন, কূটনীতিতে বিশেষ করে ট্রাম্পের ক্ষেত্রে খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে পরস্পরবিরোধী কথা বলতে শোনা যাচ্ছে।

এদিকে ইরান-ইরাক যুদ্ধের স্মরণ দিবস এবং ২০২৪ সালে ইসরায়েলের হামলায় হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরাল্লাহ নিহত হওয়ার বার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনি বলেছেন, সামরিক বাহিনী ও হরমুজ প্রণালির রক্ষাকারীদের হামলায় ‘শত্রু বাহিনী’ ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় জলসীমা থেকে আরব সাগরের দিকে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে এবং তাদের শিগগিরই আরব সাগর থেকেও তাড়িয়ে দেওয়া হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক্সে দেওয়া পোস্টে এই দাবিকে মিথ্যা বলে আখ্যায়িত করেছে। সেন্টকমের দাবি, গত কয়েক মাসে এই প্রণালি দিয়ে ১০০ কোটির বেশি ব্যারেল তেল পরিবাহিত হয়েছে, যা প্রমাণ করে প্রণালিটির ওপর ইরানের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।

অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যের একটি সামরিক বিমানঘাঁটির কাছে গত রোববার বোমার আতঙ্কের ঘটনায় তেহরানের জড়িত থাকার জল্পনা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে লন্ডনে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে দূতাবাস এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায়। ইংল্যান্ডের পশ্চিমাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহৃত রয়্যাল এয়ারফোর্স (আরএএফ) ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটির দিকে তিনটি বড় সাদা ভ্যান যাওয়ার পর পাঁচ ব্রিটিশ নাগরিককে (বয়স ২৩ থেকে ২৫ বছর) গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। গতকাল তারা জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। তদন্তসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, এ ঘটনার পেছনে ইরানের সংশ্লিষ্টতার উদ্দেশ্যকে সবচেয়ে সম্ভাব্য মনে করা হলেও রাশিয়ার নাশকতামূলক তৎপরতা বা ইসলামপন্থী কোনো গোষ্ঠীটির পরিকল্পনা ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ও রাড্ডা ক্লিনিকে হামলা: নেপথ্যের মূল হোতারা এখনো অধরা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনীতিতে রাজি, তবে ‘ভয়ংকর’ যুদ্ধের জন্যও প্রস্তুত ইরান

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ খোলা রেখেছে ইরান। তবে দেশটি স্পষ্ট করে জানিয়েছে, আবার কোনো হামলার শিকার হলে পাল্টা জবাব দিতে তারা ‘ভয়ংকর’ যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে থাকা ইরানের প্রতিনিধিদল মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে শান্তি প্রস্তাব পাঠালেও তা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে নানা নাটকীয়তা চলছে। এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও শিগগিরই ইরানের সঙ্গে আলোচনা শুরু হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম এনবিসি নিউজকে বলেছেন, “আমরা যেমন আলোচনা করতে প্রস্তুত, তেমনি যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্যও প্রস্তুত…তবে যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আমরা দৃঢ় থাকব। এমনকি সেই সংঘাত যদি সবকিছু ধ্বংস হয়ে যাওয়ার মতো ভয়ংকর যুদ্ধেও গড়ায়।” পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই অবস্থানের পুনরাবৃত্তি করে লেখেন, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং তিনি যুদ্ধের পক্ষে প্রচার চালাতে নিউইয়র্কে আসেননি, বরং শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এসেছেন। তবে যেকোনো আগ্রাসনের মুখে ইরান তার অবস্থানে অটল থাকবে এবং একই সময়ে তারা প্রকৃত কূটনীতির জন্যও প্রস্তুত।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে গত বৃহস্পতিবার ইরানের পক্ষ থেকে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে একটি প্রস্তাব পাঠানো হয়। পরদিন শুক্রবার আরাগচি সাংবাদিকদের জানান, কাতারের মাধ্যমে দেওয়া ওই প্রস্তাবে সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে, তবে এ জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে কিছু শর্ত মানতে হবে। পরদিন শনিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলেন, “আমি তাদের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছি। তারা হরমুজ প্রণালি দ্রুত খুলে দেওয়ার জন্য একটি চুক্তি করতে চায়। কারণ, তারা ভয়াবহভাবে হারছে এবং আমরা দারুণভাবে জিতছি।”

তবে ট্রাম্পের এই প্রত্যাখ্যানের পরও আলোচনার আশা শেষ হয়ে যায়নি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানায়, ট্রাম্প এক মুঠোফোন সাক্ষাৎকারে বলেছেন যে ইরানের সঙ্গে শিগগিরই আলাপ শুরু হতে পারে এবং চলতি সপ্তাহে আলোচকেরা আবারও বৈঠকে বসতে পারেন। কাতারের মধ্যস্থতায় সোমবারই দুই দেশের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা হতে পারে বলেও জানায় গণমাধ্যমটি। এদিকে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত রিচার্ড স্মিয়েরার আল-জাজিরাকে বলেছেন, ইরান সংকটের সমাধান করতে গিয়ে ৩ নভেম্বরের নির্বাচন পর্যন্ত বিষয়টি পিছিয়ে দিতে চাইতে পারেন ট্রাম্প, কারণ তিনি নির্বাচনের ফলাফল বিবেচনায় রাখছেন।

ইরানের বার্তা সংস্থা আইএসএনএ জানিয়েছে, নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় সোমবার সকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির নেতৃত্বাধীন ইরানি প্রতিনিধিদল কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে বৈঠক করবে। এই বৈঠকে বর্তমান পরিস্থিতির সার্বিক দিক ও সর্বশেষ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। তবে ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি কোনো আলোচনার পরিকল্পনা ইরানের নেই। অন্যদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সূত্রের বরাতে আইআরএনএ জানিয়েছে, ইরানের প্রতিনিধিদল আজ মঙ্গলবার নিউইয়র্ক থেকে তেহরানে ফিরে যাবে। সেন্টার ফর মিডল ইস্ট স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের জ্যেষ্ঠ গবেষক আব্বাস আসলানি আল-জাজিরাকে বলেন, কূটনীতিতে বিশেষ করে ট্রাম্পের ক্ষেত্রে খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে পরস্পরবিরোধী কথা বলতে শোনা যাচ্ছে।

এদিকে ইরান-ইরাক যুদ্ধের স্মরণ দিবস এবং ২০২৪ সালে ইসরায়েলের হামলায় হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরাল্লাহ নিহত হওয়ার বার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনি বলেছেন, সামরিক বাহিনী ও হরমুজ প্রণালির রক্ষাকারীদের হামলায় ‘শত্রু বাহিনী’ ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় জলসীমা থেকে আরব সাগরের দিকে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে এবং তাদের শিগগিরই আরব সাগর থেকেও তাড়িয়ে দেওয়া হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক্সে দেওয়া পোস্টে এই দাবিকে মিথ্যা বলে আখ্যায়িত করেছে। সেন্টকমের দাবি, গত কয়েক মাসে এই প্রণালি দিয়ে ১০০ কোটির বেশি ব্যারেল তেল পরিবাহিত হয়েছে, যা প্রমাণ করে প্রণালিটির ওপর ইরানের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।

অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যের একটি সামরিক বিমানঘাঁটির কাছে গত রোববার বোমার আতঙ্কের ঘটনায় তেহরানের জড়িত থাকার জল্পনা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে লন্ডনে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে দূতাবাস এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায়। ইংল্যান্ডের পশ্চিমাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহৃত রয়্যাল এয়ারফোর্স (আরএএফ) ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটির দিকে তিনটি বড় সাদা ভ্যান যাওয়ার পর পাঁচ ব্রিটিশ নাগরিককে (বয়স ২৩ থেকে ২৫ বছর) গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। গতকাল তারা জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। তদন্তসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, এ ঘটনার পেছনে ইরানের সংশ্লিষ্টতার উদ্দেশ্যকে সবচেয়ে সম্ভাব্য মনে করা হলেও রাশিয়ার নাশকতামূলক তৎপরতা বা ইসলামপন্থী কোনো গোষ্ঠীটির পরিকল্পনা ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।